আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

মক্কায় ঈদ নয়, মদিনায় কেন ঈদ

06 Oct, 2026 Admin User 4 ভিউ
মক্কায় ঈদ নয়, মদিনায় কেন ঈদ

রিয়াদুল হাসান
পবিত্র কোর’আন পুরোটা একবারে গ্রন্থ আকারে নাজিল হয়নি, বরং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ২৩ বছরের নবুওয়াতি জীবনে বাস্তবতার ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে এর বিভিন্ন বিধান নাজিল হয়েছে। ওহীর এই অবতরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিধানগুলোর প্রেক্ষাপট ও ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তাই পবিত্র কোর’আনের যে কোনো বিধানকে তার ঐতিহাসিক সময়কাল ও উদ্দেশ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখলে তার প্রকৃত শিক্ষা ও নির্যাস উপলব্ধি করা কঠিন। ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতি (রহ.) তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলুমিল কোর’আন’ গ্রন্থে কোর’আন নাজিলের এই পর্যায়ক্রমিক ধারা ও প্রেক্ষাপটের গুরুত্বের ওপর বিশেষ আলোকপাত করেছেন।

মক্কি জীবনের ১৩ বছরে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ, আল্লাহর হুকুমের প্রতি আনুগত্যশীল একটি জাতিসত্তা গড়ে তোলা। কারণ মক্কা পর্বে মানুষের জীবন পরিচালনার ভিত্তি ছিল আল্লাহর বিধানের পরিবর্তে বংশ, গোত্র, প্রথা ও মানুষের তৈরি নিয়ম-কানুন। তাই প্রথম প্রয়োজন ছিল এমন একটি মুমিন জাতি গঠন করা, যারা আল্লাহর তওহীদকে ধারণ করবে এবং আল্লাহর হুকুম বিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে। কিন্তু সে সময় মুসলমানরা ছিল সংখ্যায় কম, সামাজিকভাবে দুর্বল ও নির্যাতনের শিকার। তাদের নিজস্ব কোনো স্বাধীনতা, কর্তৃত্ব বা সামষ্টিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ছিল না। তাই সামষ্টিক জীবন পরিচালনার কোনো বিধান তখন আল্লাহ নাজিল করেননি, কেননা সেই পরিবেশে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। তাই এ পর্যায়ে নাজিল হওয়া আয়াতগুলোতে মূলত তওহীদ, আখিরাত, ঈমান এবং ব্যক্তিগত চরিত্র গঠনের ওপরই গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সামষ্টিক বিধান বাস্তবায়নের জন্য যে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো থাকতে হয়, তা হিজরতের পরে মদিনা পর্বে গিয়ে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

মদিনায় হিজরতের পর মুসলমানরা যখন মদিনা সনদের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী সমাজ গড়ে তুলল এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলো, তখন বাস্তবতার অনুরোধেই সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় বিধানগুলো নাজিল হতে থাকে। মদিনায় একটি রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তনের পর আল্লাহ হুকুম দেন, “তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎ কাজের নির্দেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে।” (সুরা আলে ইমরান: ১০৪)। হিজরতের এক বছর আগে মিরাজের সময় পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ হলেও মক্কার প্রতিকূল পরিবেশে মসজিদকেন্দ্রিক সামষ্টিক সালাতের সুযোগ ছিল না। ফলে মদিনায় মসজিদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সালাতের হুকুমের বাস্তবরূপ পূর্ণতা পায়। জুমার সালাতও আরম্ভ হয়। একইভাবে, মক্কি যুগে দান করার কথা আসলেও যাকাতের পূর্ণাঙ্গ বিধান এসেছে মদিনা যুগে, কারণ তখন যাকাতের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এমনকি ইব্রাহিম (আ.)-এর যুগ থেকে হজ প্রচলিত থাকলেও ইসলামের শরিয়তে হজ ফরজ করা হয়েছে নবম হিজরিতে, কারণ হজের যে উদ্দেশ্য তা পূরণ করার পরিবেশ এর আগে তৈরি হয়নি।  

মনে রাখতে হবে, ইসলামের প্রতিটি আমলের পেছনে যেমন আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রয়েছে, তেমনি রয়েছে সুস্পষ্ট ব্যবহারিক উদ্দেশ্য। তাই ইসলামের বিধানের বাস্তবায়ন করতে হলে সেই বিধান নাজিলের কালপর্ব এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা জরুরি।

এটা ইতিহাস যে, রসুলাল্লাহ (সা.) মক্কায় দীর্ঘ তেরো বছর অবস্থান করলেও সেখানে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার কোনো উদযাপন করেননি। কেন করেননি তা আশা করি উপরের আলোচনায় পরিষ্কার হয়ে গেছে। দ্বিতীয় হিজরিতে এসে রমজানের সওম ও দুইটি ঈদের বিধান চালু হয়। পূর্বে মদিনায় যে দুটো প্রধান উৎসব পালিত হতো তার একটি ছিল পারস্য সংস্কৃতির নওরোজ (বসন্ত ও নববর্ষ উৎসব) এবং অপরটি ছিল মিহরাজ (ফসল উৎসব) যা বাংলার নবান্ন উৎসবের মতো। মদিনার ইহুদি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সংস্কৃতির প্রভাবে মদিনার অন্যান্য গোত্রগুলোও এই দিবসগুলো পালন করত।

আনাস (রা.) বলেন, রসুলাল্লাহ (সা.) যখন মদিনায় আগমন করেন, তখন সেখানকার লোকদের দুটি দিন ছিল, যাতে তারা উৎসব পালন করত। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এ দুটি কিসের দিন?” তারা বলল, “আমরা জাহেলি যুগে এ দুই দিন খেলাধুলা ও আনন্দ-উৎসব পালন করতাম। এ নিয়মই চলে আসছে।” তখন রসুলাল্লাহ (সা.) বললেন, “মহান আল্লাহ তোমাদের জন্য এ দুটির পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন। তা হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১১৩৬; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ১৩৬৪৭)

মক্কি যুগের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোতে কোনরকম ঈদ-আনন্দ করা সম্ভব ছিল না, যুক্তিসঙ্গতও ছিল না। তাই ঈদের হুকুমও আসেনি। দ্বিতীয় হিজরি মোতাবেক ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম সমাজ প্রথম ঈদুল ফিতর উদযাপন করে। কেননা তখন ইসলামের বিজয় পতাকা পতপত করে উড়ছে, মদিনাবাসী রসুলাল্লাহর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে হলেও আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আল্লাহর দীন চর্চা হতে শুরু করেছে, দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার বন্ধ হয়েছে। পরাধীন ও নির্যাতিত জাতির আনন্দ করা সাজে না, আনন্দ করার জন্য স্বাধীন সার্বভৌম জাতিসত্তা প্রয়োজন হয়।

গত কয়েক শতাব্দী থেকে সংখ্যায় অগণিত হয়েও এই মুসলিম জনগোষ্ঠী সর্বত্র পরাজিত, লাঞ্ছিত, অপমানিত। একটার পর একটা মুসলিম দেশ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে, বাকি মুসলিম দেশগুলো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে। তাদের কিছুই যেন করার নেই। আট কোটি মুসলমান আজ উদ্বাস্তু শিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আর আমাদের দেশগুলো চলছে আল্লাহর হুকুম দিয়ে নয়, মানুষের তৈরি, পশ্চিমা সভ্যতার তৈরি রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা তথা সামগ্রিক জীবনব্যবস্থাই মানুষের তৈরি, আল্লাহর তৈরি নয়। আমাদের সংবিধান আল-কোরআন নয়, মানবরচিত সংবিধান। তাই যে সময়ে আমরা আল্লাহর বিধানের পরিবর্তে মানুষের তৈরি বিধানের অধীন অর্থাৎ পরাধীন, সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ঈদ পালনের শরিয়তগত বৈধতা নিয়ে আমাদেরকে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। কারণ তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আগে আল্লাহর রসুল ঈদ পালন করেননি।

এবার আসুন দেখা যাক, ঈদুল আজহার যে কোরবানি এর প্রকৃত তাৎপর্যটা কোথায়? সকলেই বলবেন, ত্যাগের মহিমা শিক্ষাই হচ্ছে কোরবানির তাৎপর্য। কিন্তু আজকালকার কোরবানি কতটুকু ত্যাগ আর কতটুকু ভোগ তা নিয়ে কিন্তু বিরাট প্রশ্ন রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখি অনেকে, বিশেষ করে নাস্তিক্যবাদীরা প্রশ্ন তোলেন- কোরবানির মধ্যে ত্যাগের শিক্ষা কোথায়? এখানে তো কেবল ভোগই করা হচ্ছে। মানুষকে দিচ্ছে নামমাত্র, বাকিটা নিজেরাই উদরপূর্তি করে খাচ্ছে, ডিপ ফ্রিজে ভরে রাখছে। কেউ কেউ বিদ্রুপ করে বলছেন, ভরপেট গরু খেয়ে মলত্যাগ ছাড়া আর কোনো ত্যাগই তো দেখতে পাচ্ছি না! তাদের এই প্রশ্নটি উপেক্ষা করার নয়। এর জবাব দিচ্ছি।

যে কোনো আমল নির্ভর করে তার নিয়তের উপর। আমরা যদি রসনা বিলাসের জন্য পশু কোরবানি করি, সেটাকে তো কোরবানি বলা যাবেই না। কিন্তু আমাদের নিয়তে যতই গরমিল থাকুক একজন কিন্তু সত্যিকারের কোরবানি দিচ্ছে। সেটা হচ্ছে ঐ পশুটা। সে কিন্তু তার নিজের জীবনটাই কোরবানি (ত্যাগ) করে দিচ্ছে। তাই আমরা যখন তার গলায় ছুরি চালাই তখন আমাদের মনে রাখা উচিত যে, সেই পশুরও প্রাণ আছে এবং সেও আল্লাহ তা’আলারই সৃষ্টি। আমার যেমন প্রাণের মায়া আছে, তারও আছে। সেই পশুটি যখন আমাদের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করে, তখন কোর’আনের সেই আয়াতটি আমরা পাঠ করি, “কুল ইন্নাস-সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন” (অর্থ: বলুন, আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ- সবই জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য)।

গৃহপালিত পশু আল্লাহর নিদর্শন ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত সৃষ্টি। পবিত্র কোরআনে গৃহপালিত পশু সম্পর্কে বহু আয়াত এসেছে, এমনকি দুটি সুরার নামকরণই করা হয়েছে গৃহপালিত পশুর নামে  "আল-বাকারা" অর্থাৎ গরু এবং "আল-আনআম" অর্থাৎ গৃহপালিত পশু। আল্লাহ বলেন, "তিনি তোমাদের জন্য গৃহপালিত পশু সৃষ্টি করেছেন। এগুলোর পশম ও চামড়া থেকে তোমরা পোশাক ও আশ্রয়ের উপকরণ পাও, এগুলো থেকে পাও বহুবিধ উপকার এবং এগুলো থেকে তোমরা আহার করো।" (সুরা আন-নাহল: ৫)। আরও বলেছেন, "আমি এগুলোকে তোমাদের অনুগত করে দিয়েছি। এগুলোর কিছু তোমাদের বাহন এবং কিছু তোমরা ভক্ষণ করো।" (সুরা ইয়াসিন: ৭২)।

এভাবে গৃহপালিত পশু জীবনভর মানুষকে সেবা করে, কারণ এটাই তার সৃষ্টির উদ্দেশ্য। ঈদুল আযহার দিন সেই পশুটি তার জীবনটুকু পর্যন্ত মানুষের জন্য উৎসর্গ করে দেয়। এভাবে সে তার সৃষ্টির সর্বোচ্চ হক আদায় করে। তাই তাকে জবাই করে তার প্রাণ হরণের মুহূর্তে আমাদেরও ভাবতে হবে আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য কী? আমাদের জীবন কীভাবে সার্থক হবে? কোরবানির পশুকে যেমন আল্লাহ একটি উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তেমনি আমাদেরও সৃষ্টি করেছেন একটি মহান উদ্দেশ্যে, পৃথিবীতে তাঁর খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে। পশুটি যেভাবে নিজের প্রাণ বিলিয়ে দিয়ে তার সৃষ্টির উদ্দেশ্য পূর্ণ করল, তেমনি আমরাও যদি আমাদের জীবন ও সম্পদ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং মানবসমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসর্গ করতে পারি, তাহলেই আমরা সফল হবো এবং প্রকৃত সফলতা লাভ করব। এই সফলতাকেই খ্রিষ্টধর্মে বলা হচ্ছে মুক্তি বা সালভেশন, বৌদ্ধ ধর্মে নির্বাণ লাভ আর হিন্দু ধর্মে মোক্ষলাভ।

পশু কোরবানি দেওয়া সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, এটি প্রত্যেকের সামর্থ্য ও অবস্থার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু নিজের জীবন ও সম্পদ আল্লাহর রাহে উৎসর্গ করার সামর্থ্য সবার আছে। এর কোনো ‘নিসাব’ বা ন্যূনতম আর্থিক সীমারেখা নেই। তাই গরু কোরবানি দেওয়া ফরজ নয়, বরং ফরজ হচ্ছে নিজেকে কোরবানি দেওয়া। আর এটাই কোরবানির ঈদের আসল শিক্ষা।

মানুষের প্রিয়তম বস্তু উৎসর্গ না করা পর্যন্ত প্রকৃত কোরবানি পূর্ণ হয় না। এই মহাসত্য বোঝানোর জন্যই আল্লাহ ইবরাহিম (আ.) ইসমাইল (আ.)-এর মাধ্যমে সেই অতুলনীয় ত্যাগের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছেন যা যুগ যুগ ধরে মানুষকে আত্মোৎসর্গের শিক্ষা দিয়ে আসছে।

কোরবানির মাংস খাওয়া আমাদের জন্য জায়েজ করা হয়েছে, কারণ সেই পশুটি এই উদ্দেশ্যেই জীবন দিয়েছে। কিন্তু এই মাংস ভক্ষণ করার পরও যদি আমি আমার জীবনের মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ আল্লাহর খেলাফতের দায়িত্ব পালন না করি, তবে তা হবে চরম জুলুম ও অন্যায়; প্রকৃত কোরবানি বা ত্যাগের তো প্রশ্নই আসে না।

আমি যদি আমার এই জীবনকে আল্লাহর রাহে উৎসর্গ না করি, তবে আমি তো সেই পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট। এ কারণেই আল্লাহ বলেছেন - “উলাইকা কাল আন’আমি বাল হুম আদাল্লু” অর্থাৎ “তারা পশুর মতো, বরং তার চেয়েও অধিক পথভ্রষ্ট।” (সুরা আরাফ: ১৭৯)। যখন একজন মানুষ পশুর প্রাণ হরণ করছে অথচ নিজে তার দায়িত্ব পালন করছে না, তখন সে সেই পশুর চেয়েও অধম হয়ে যাচ্ছে। কারণ পশুর মধ্যে আল্লাহর রুহ নেই, কিন্তু আমার আপনার মধ্যে আছে। (সুরা হিজর: ২৯)
সুতরাং ঈদুল আযহার কোরবানির প্রকৃত অর্থ কেবল পশু জবাই করা নয়, বরং নিজেকে আল্লাহর রাস্তায় খেলাফতের দায়িত্ব পালনে উৎসর্গ করাই হলো প্রকৃত কোরবানি।

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1635 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 189 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 103 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 25 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4