দাপ্তরিক প্রশ্নোত্তর
প্রশ্নোত্তর ও সাধারণ জিজ্ঞাসা
হেযবুত তওহীদ-এর আদর্শ, লক্ষ্য, নীতি ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আপনার যাবতীয় প্রশ্নের স্পষ্ট ও প্রামাণ্য উত্তর।
প্রামাণ্য তথ্য
কুরআন ও হাদিসের আলোকে যৌক্তিক উত্তর
বিষয়ভিত্তিক অনুসন্ধান
ক্যাটাগরি ফিল্টার ও সার্চ সুবিধা
সরাসরি প্রশ্ন করুন
উত্তর না পেলে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম
যেকোনো প্রশ্ন অনুসন্ধান করুন
নিচের সার্চ বক্সে টাইপ করুন অথবা যেকোনো ক্যাটাগরিতে ক্লিক করুন
প্রশ্ন: পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতি, তাদের জীবন ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনারা অনেক কথাই বলেছেন। তাদের দোষারোপ করে অনেক বিবৃতি দিয়েছেন। তাহলে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত সম্পর্কে আপনাদের মন্তব্য কী?
উত্তর: বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্ব তাদের শক্তিবলে সারা পৃথিবীতে একটি সভ্যতা বা Civilization প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে, যে সভ্যতাটা স্রষ্টাহীন, আত্মাহীন, ঈশ্বরহীন একটা বস্তুবাদী সভ্যতা। এতে ধর্মের কোনো জায়গা নেই, ভূমিকা নেই, ধর্মকে করা হয়েছে ব্যক্তিজীবনের ঐচ্ছিক বিষয় যা কোনোভাবেই সামাজিক কাঠামোর উপর প্রভাববিস্...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর পত্রিকার পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: ইসলামে দাসদের প্রতি অত্যাচার করার ব্যাপারে জোরালো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দাস কেনাবেচা হারাম করে কোর’আনে কোনো নির্দেশ প্রদান করা হয় নি। এটা কি ইসলামের ব্যর্থতা নয়?
উত্তর: খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছেন। কোর’আনে দাস কেনাবেচা নিষেধ করে কোনো আয়াত নেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ইসলাম দাসব্যবস্থাকে সমর্থন করছে। বিষয়টা বুঝতে হলে আরেকটু গভীরে প্রবেশ করতে হবে। প্রথমত, ইসলামে কোনো বিষয় নিষিদ্ধ হবার জন্য কোর’আনে...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর
উত্তর: আমাদের প্রথম কথা হল এই যে অন্য ধর্মের নবী রাসুল অবতার বা ধর্মগ্রন্থগুলিকে নিয়ে যারা ব্যঙ্গচিত্র আঁকে বা চলচ্চিত্র বানায়, এই কাজগুলো যারা করে আমরা মনে করি তারা আসলে সুস্থ মানুষ না। তারা সমাজের শত্র“, মানবতার শত্র“। যে কারও বাবা-মাকে নিয়ে অশোভন উক্তি করলে মানুষ তাতে ক্ষুব্ধ হবে এটা যেমন যুক্তিযুক্ত তেমনি প্রাণাধিক প্রিয় নবীকে নিয়ে কটূক্তি করলেও যারা তাঁর অনুসারী তাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে, এটাও যুক্তিযুক্ত। তবুও যারা এটা করে তারা মূলত এ...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর
উত্তর: আমাদের প্রথম কথা হল এই যে অন্য ধর্মের নবী রাসুল অবতার বা ধর্মগ্রন্থগুলিকে নিয়ে যারা ব্যঙ্গচিত্র আঁকে বা চলচ্চিত্র বানায়, এই কাজগুলো যারা করে আমরা মনে করি তারা আসলে সুস্থ মানুষ না। তারা সমাজের শত্র“, মানবতার শত্র“। যে কারও বাবা-মাকে নিয়ে অশোভন উক্তি করলে মানুষ তাতে ক্ষুব্ধ হবে এটা যেমন যুক্তিযুক্ত তেমনি প্রাণাধিক প্রিয় নবীকে নিয়ে কটূক্তি করলেও যারা তাঁর অনুসারী তাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে, এটাও যুক্তিযুক্ত। তবুও যারা এটা করে তারা মূলত এক...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: ইসলামে দাসদের প্রতি অত্যাচার করার ব্যাপারে জোরালো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দাস কেনাবেচা হারাম করে কোর’আনে কোনো নির্দেশ প্রদান করা হয় নি। এটা কি ইসলামের ব্যর্থতা নয়?
উত্তর: খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছেন। কোর’আনে দাস কেনাবেচা নিষেধ করে কোনো আয়াত নেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ইসলাম দাসব্যবস্থাকে সমর্থন করছে। বিষয়টা বুঝতে হলে আরেকটু গভীরে প্রবেশ করতে হবে। প্রথমত, ইসলামে কোনো বিষয় নিষিদ্ধ হবার জন্য কোর’আনে তাকে হারাম উল্লেখ থাকতে হবে এমন কোন...
প্রশ্ন: পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতি, তাদের জীবন ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনারা অনেক কথাই বলেছেন। তাদের দোষারোপ করে অনেক বিবৃতি দিয়েছেন। তাহলে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত সম্পর্কে আপনাদের মন্তব্য কী?
উত্তর: বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্ব তাদের শক্তিবলে সারা পৃথিবীতে একটি সভ্যতা বা Civilization প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে, যে সভ্যতাটা স্রষ্টাহীন, আত্মাহীন, ঈশ্বরহীন একটা বস্তুবাদী সভ্যতা। এতে ধর্মের কোনো জায়গা নেই, ভূমিকা নেই, ধর্মকে করা হয়েছে ব্যক্তিজীবনের ঐচ্ছিক বিষয় যা কোনোভাবেই সামাজিক কাঠামোর উপর প্রভাববিস্...
নুরুল আবসার সোহাগ:
কবি নজরুল ইসলাম ছিলেন সত্যদীন ইসলামের পুনর্জাগরণে বিশ্বাসী অগ্রসৈনিক। তিনি আত্মা দিয়ে চেয়েছেন প্রকৃত ইসলাম আবার ফিরে আসুক, মোসলেম উম্মাহ তার হৃত গৌরব ফিরে পাক। তিনি ইসলামের ধারক-বাহকদেরকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন। জাতির মুক্তির জন্য কি করা যায় এ জন্য তিনি তাদের কাছে ছুটে গিয়েছেন। কিন্তু তাদের অন্ধত্ব, কূপমণ্ডূকতা, স্বার্থপরতা দেখে চরম হতাশ হোয়েছেন এবং তাদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হোয়েছেন। অত:পর ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা ইসলামের কী অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হোয়েছে তা নিজের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ...
প্রশ্ন: ২০০৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি কি ঘটেছিল?
উত্তর: হেযবুত তওহীদের জীবনের সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটে ২০০৮ সনের ২ ফেব্র“য়ারি। আল্লাহ হেযবুত তওহীদকে সত্যায়ন করার জন্য বিরাট এক মো’জেজা বা অলৌকিক ঘটনা সংঘটন করেন। মোবাইল ফোন যোগে মাননীয় এমামুযযামান যাত্রবাড়িতে একটি বাড়ির ছাদে উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশে দশ মিনিট নয় সেকেন্ডের একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন। এই সময়ের মধ্যে আল্লাহ সেখানে বেশ কয়েকটি অলৌকিক ঘটনা সংঘটন করেন। ৩১৮ জন মানুষ সেগুলোর প্রত্যক্ষদর্শী। বিস্তারিতভাবে এ মুহূর্তে সেটা আলোচনা করা সম্ভব নয়। এ নিয়ে বিস্ত...
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহল থেকে হেযবুত তওহীদের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন জানতে চাওয়া হয়। এমনই এক প্রশ্নের উত্তর পত্রিকার পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো-
প্রশ্ন: আমরা জানি ইসলামে মূর্তি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয় না। অথচ আপনারা এ বিষয়ে ভিন্ন মতামত দিয়ে থাকেন, যা আলেমদের মতের সাথে সাংঘর্ষিক। মূর্তি ও ভাস্কর্যের মধ্যে পার্থক্য কী? কখন ভাস্কর্য বৈধতা পায়?
উত্তর: প্রথমেই একটি বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন যে, ইসলাম হলো একটি সত্য জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োগের ফলে আর্থ-সামাজিকভাবে দৃশ্যমান শান্তিময় অবস্থা। যেই দ্বীন বা জীব...
দেশের কোটি কোটি মানুষ যখন ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে আছে, সর্বত্র উৎসব-আনন্দের জোয়ার বইছে, তখন একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে হেযবুত তওহীদকেই আপনি পাবেন যারা সকল প্রকার অন্যায়-অবিচার, অশান্তি, ধর্মব্যবসা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাতিকে সচেতন করে দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে ঈদের দিনেও সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। ঈদ উপলক্ষে দেশের অন্যান্য পত্র-পত্রিকা বন্ধ থাকলেও বন্ধ ছিল না ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর’ স্লোগানে উদ্দীপ্ত ‘দৈনিক বজ্রশক্তি’র প্রকাশনা। হেযবুত তওহীদের একঝাঁক প্রাণোদ্দ...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর পত্রিকার পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: ইসলামে দাসদের প্রতি অত্যাচার করার ব্যাপারে জোরালো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দাস কেনাবেচা হারাম করে কোর’আনে কোনো নির্দেশ প্রদান করা হয় নি। এটা কি ইসলামের ব্যর্থতা নয়?
উত্তর: খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছেন। কোর’আনে দাস কেনাবেচা নিষেধ করে কোনো আয়াত নেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ইসলাম দাসব্যবস্থাকে সমর্থন করছে। বিষয়টা বুঝতে হলে আরেকটু গভীরে প্রবেশ করতে হবে। প্রথমত, ইসলামে কোনো বিষয় নিষিদ্ধ হবার জন্য কোর’আনে...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্লগে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: আপনারা ইসলামের কথা বলেন কিন্তু আপনাদের পোশাক ইসলামী ভাবধারার নয় কেন?
উত্তর: ইসলামী ভাবধারার পোশাক বলতে আপনি কী বোঝেন সেটা আগে জানা আবশ্যক। ইসলামের কোনো নির্দিষ্ট পোশাক নেই। ইসলাম হচ্ছে সার্বজনীন ও শাশ্বত জীবনব্যবস্থা। আর একটি শাশ্বত ও সার্বজনীন জীবনব্যবস্থা যা সমস্ত পৃথিবীর মানবজাতির উপর প্রযোজ্য হবার হক্বদার তাতে কোনো পোশাকের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে না।
আল্লাহ তাঁর রসুলকে প্রেরণ করেছেন অন্য সমস্ত জীবনব্যবস্থার উপরে ইসলামকে বিজয়ী করার...
দেশের কোটি কোটি মানুষ যখন ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে আছে, সর্বত্র উৎসব-আনন্দের জোয়ার বইছে, তখন একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে হেযবুত তওহীদকেই আপনি পাবেন যারা সকল প্রকার অন্যায়-অবিচার, অশান্তি, ধর্মব্যবসা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাতিকে সচেতন করে দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে ঈদের দিনেও সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। ঈদ উপলক্ষে দেশের অন্যান্য পত্র-পত্রিকা বন্ধ থাকলেও বন্ধ ছিল না ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর’ স্লোগানে উদ্দীপ্ত ‘দৈনিক বজ্রশক্তি’র প্রকাশনা। হেযবুত তওহীদের একঝাঁক প্রাণোদ্...
হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
হেযবুত তওহীদ সমাজ পরিবর্তনের জন্য যে আদর্শটি প্রস্তাব করছে তা হচ্ছে প্রকৃত ধর্ম। সুতরাং প্রতিষ্ঠিত বিকৃত ধর্মের ধ্যান ধারণায় বিশ্বাসীরা আমাদের স¤পর্কে জানার আগ্রহ থেকে অনেক প্রশ্ন করে থাকেন। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করি তাদের সবার উত্তর দিতে। এই প্রশ্নকারীদের মধ্যে হেযবুত তওহীদের অনেক সদস্যও যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন হেযবুত তওহীদের বাইরের অনেক মানুষ। আমি এই লেখার মধ্যে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেব যেগুলো অনেকের মনেই রয়েছে। হেযবুত তওহীদের একজন সমর্থক আমাকে বলেছিলেন যে-
প্রশ্ন:...
আমি কুরআন প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িয়েছি, কুরআনের উচ্চারণতত্ত্ব নিয়ে দাঁড়াইনি
[yotuwp type=”videos” id=”Up7xoESEgpU” pagination=”off” column=”1″]
না, হেযবুত তওহীদ সম্পূর্ণ একটি অরাজনীতিক, অসাম্প্রদায়িক ও সংস্কারমূলক সামাজিক আন্দোলন। এটি কোনো
নির্বাচনে অংশ নেয় না এবং ক্ষমতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। এর একমাত্র উদ্দেশ্য সমাজে নৈতিক ও
সামাজিক সংস্কার ঘটানো এবং ধর্মের অপব্যাখ্যা দূর করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
ডানপন্থী, বামপন্থী কিংবা প্রচলিত কোনো
রাজনৈতিক ক্ষমতার মেরুকরণের সাথে হেযবুত তওহীদের কোনো সম্পর্ক নেই।
আমাদের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, নির্দিষ্ট জাতি বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়। আমাদের লড়াই অন্যায়ের
বিরুদ্ধে, অনৈক্যের বিরুদ্ধে, ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে, উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এবং সমাজের
সর্বগ্রাসী নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে।
হেযবুত তওহীদ বিশ্বাস করে, সকল হিংসা ও
রক্তপাত পরিহার করে সত্য ও ঐক্যের মাধ্যমে মানবজাতির মধ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরানো সম্ভব।
আন্দোলনের সদস্যরা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাপ্রদত্ত দানের (এয়ানত) মাধ্যমে এর ব্যয়ভার
বহন করেন। কোনো দেশি-বিদেশি কালো তহবিল বা অনৈতিক রাজনৈতিক অনুদান গ্রহণ করা হয় না। এছাড়া আন্দোলনের
নিজস্ব নিরপেক্ষ প্রকাশনা, বই ও পত্রিকা বিক্রয়ের আয়ের মাধ্যমে এর কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এম. এ. বায়জীদ খান পন্নী (১৬ই জানুয়ারি ১৯২৫ - ১৬ই জানুয়ারি ২০১২)। তিনি
টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারের সন্তান ছিলেন। বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা ও সত্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে
তিনি সমাজের সর্বস্তরে ধর্মব্যবসা ও বিকৃতির অবসান ঘটাতে ১৯৯৫ সালে এই আন্দোলনের সূচনা করেন।
সমগ্র মানবজাতিকে এক স্রষ্টার হুকুমের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করে অশান্তিময় পৃথিবীকে শান্তিময় সমাজে
রূপান্তরিত করা। ধর্মকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার না করে, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করা
আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
না, হেযবুত তওহীদ কোনো নির্দিষ্ট তরিকাপন্থা বা পীর-মুরিদী ব্যবস্থার অংশ নয়। আমরা মুসলিম উম্মাহর
বিভিন্ন ফেরকা বা তরিকতভিত্তিক অনৈক্যের বিপরীতে রসুলের দেখানো প্রকৃত ইসলামের সোনালী যুগের বৈশ্বিক
ঐক্য পুনরুদ্ধারে কাজ করি।
হেযবুত তওহীদ যে কোনো ধরণের সহিংসতা, বোমাবাজি বা সশস্ত্র চরমপন্থাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে।
আসল জেহাদ হলো সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার অহিংস আদর্শিক প্রকাশ। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ইসলামের
বিধান নয়; সশস্ত্র যুদ্ধ শুধুমাত্র একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রই অনুমোদন করতে পারে।
উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে হেযবুত
তওহীদ সারা বাংলাদেশে হাজার হাজার সেমিনার ও সচেতনতামূলক সভা পরিচালনা করে আসছে।
ইসলামে শালীনতা বজায় রেখে নারীরা সমাজ ও দেশ গঠনের সকল ক্ষেত্র—শিক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা ও দাপ্তরিক
কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন। রসুলাল্লাহর যুগেও নারী আসহাবগণ জ্ঞানচর্চা, জনসেবা ও
গঠনমূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন।
কোনো প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি!
আপনার অনুসন্ধান পদটির সাথে মিল রেখে কোনো প্রশ্ন পাওয়া যায়নি। অনুগ্রহ করে বানান পরিবর্তন করে অথবা অন্য কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করে দেখুন।
আরো কিছু জানার আছে?
আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নের উত্তর এখানে পাননি?
আমাদের পরিচিতি, গবেষণা সাহিত্য কিংবা যে কোনো স্পষ্টীকরণের জন্য সরাসরি কেন্দ্রীয় অফিসে যোগাযোগ করুন অথবা অনলাইনে মতামত জানান।