আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

রসুলাল্লাহর (দ:) ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক জান্নাতি ফেরকা কারা? (২য় পর্ব)

12 Jul, 2015 Super Admin 517 ভিউ
রসুলাল্লাহর (দ:) ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক  জান্নাতি ফেরকা কারা? (২য় পর্ব)

এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী:

একদিন মহানবী (দ:) বোললেন, ইহুদি জাতি একাত্তর ভাগে বিভক্ত হোয়েছিল যার একটি ভাগ জান্নাতি আর সত্তরভাগ জাহান্নামী। খ্রিস্টান জাতি বাহাত্তর ভাগে বিভক্ত হোয়েছিল যার মধ্যে একাত্তর ভাগই জাহান্নামী একভাগ জান্নাতি। তাঁর শপথ যার হাতে মোহাম্মদদের (দ:) প্রাণ, আমার উম্মাহ তেহাত্তর ভাগে বিভক্ত হবে যার মধ্যে একটি মাত্র ভাগ জান্নাতে যাবে, বাকি বাহাত্তর ভাগই জাহান্নামে যাবে।” রসুলাল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হোল, “তারা (জান্নাতি) কারা?” তিনি জবাব দিলেন, “যারা আমাদের (অর্থাৎ আমি এবং আমার সাহাবীগণ) পথে আছে”। [আবু হোরায়রা (রা.) থেকে আবু দাউদ, আউফ বিন মালেক (রা:) থেকে ইবনে মাজাহ]
আজ দুনিয়াময় মোসলেম বোলে পরিচিত যে জাতিটি আছে তারা বহু ভাগে, ফেরকায় বিভক্ত। প্রত্যেক ভাগ অর্থাৎ প্রত্যেক ফেরকা বা মাযহাব বিশ্বাস করে যে, তারাই শুধু প্রকৃত মোসলমান, তাদের মাযহাব বা ফেরকাই ঠিক বাকি সব ফেরকা পথভ্রষ্ট। এই বিভ্রান্তিকর পরিবেশ থেকে সত্যিকার জান্নাতি ফেরকাকে চিনে নেওয়ার উপায় কি? এ প্রশ্নেরই জবাব আমরা ধারাবাহিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা কোরছি। এই ফেরকা মাজহাবের দেওয়াল কতখানি সাংঘাতিক এবং কঠিন যে, যুক্তি-তর্ক দিয়ে বুঝিয়ে একজন খ্রিস্টান বা হিন্দু বা বৌদ্ধকে ধর্মান্তরিত করা যতখানি প্রায় অসম্ভব বা কঠিন, একজন শিয়াকে সুন্নী বানানো বা একজন সুন্নীকে শিয়া বানানো, বা কাউকে এক ফেরকা থেকে অন্য ফেরকায় বদলানো ততখানি কঠিন, ততখানিই প্রায় অসম্ভব। তা হোলে এই জাতির এই উম্মাহর ঐক্যের উপায় কি? উপায় আছে। জান্নাতি ফেরকাকে মাঠে নামতে হবে। তারপর বাহাত্তর ফেরকাকে বোলতে হবে- ভাই! তোমাদের মধ্যে মসলা-মাসায়েল নিয়ে যতো মতভেদই থাক, তোমরা তো অন্ততঃ এক আল্লাহয়, এক রসুলে আর এক কোর’আনে বিশ্বাস কর। মেহেরবানী কোরে শুধু এর উপর তোমরা ঐক্যবদ্ধ হও। বাকি যতো মতভেদ আছে সেগুলি তোমাদের ব্যক্তিগত জীবনে ওমনি থাক, আপত্তি নেই, ওগুলি নিয়ে মতান্তর সৃষ্টি করোনা। যেখানে আল্লাহর নবী (দ:) বহুবার বোলেছেন যে আল্লাহকে একমাত্র এলাহ (জাতীয় ও ব্যক্তিগত জীবনে) বোলে গ্রহণ কোরে নিলেই জাহান্নামের আগুন আর স্পর্শ কোরতে পারবে না, জান্নাতে প্রবেশ কোরবে, সেখানে অনাব্যশ্যক খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে মতান্তর কোরে ধ্বংস হোয়ে যাওয়া কতখানি বোকামি কতখানি নির্বুদ্ধিতা। যে জাতিকে আল্লাহ আদেশ কোরেছেন সমস্ত মতভেদ ত্যাগ কোরে সকলে ইস্পাতের মতো কঠিন ঐক্যবদ্ধ হোয়ে আল্লাহর দেয়া রজ্জু অর্থাৎ তার দেয়া জীবন-বিধানকে আঁকড়ে ধরে রাখতে, কোন বিচ্ছিন্নতাকে প্রশ্রয় না দিতে (কোর’আন-সুরা আল-ইমরান ১০৩)। সে জাতি তুচ্ছ খুঁটিনাটি মসলা-মাসায়েলের তর্ক নিয়ে শতধা বিচ্ছিন্ন, আল্লাহর পরিষ্কার সরাসরি আদেশ লংঘনকারী। যে মসলা-মাসায়েল মাকড়শার জালে এই জাতি নিজেকে জড়িয়ে ফেলে স্থবির হোয়ে গেছে, অথর্ব হোয়ে গেছে, সেই মসলা-মাসায়েল থেকে নিজেদের মুক্ত কোরতে বোললে এই হতভাগ্য জাতি তা শুনবে না, মানবে না, কারণ আজ মহা নবীর (দ:) প্রকৃত সুন্নাহ জেহাদের চেয়ে, পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের চেয়ে, দাড়ি, মোচ কতখানি লম্বা হবে তা তাদের কাছে অনেক বেশি দরকারী, অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। কাজেই তাদের বোলতে হবে, যার যতটুকু খুশি দাড়ি, মোচ রাখো, যার যে পাশে ইচ্ছা শোও, যার যতটুকু ইচ্ছা টাখনুর উপর পাজামা পর, কিন্তু ওগুলো নিয়ে কোন মতান্তর সৃষ্টি না কোরে শুধু আল্লাহর ওয়াহদানীয়াতে আর মোহাম্মদের (দ:) নবুয়তের উপর একত্র হও, অন্য কোন কথা উত্থাপন কোরো না। আল্লাহ ও রসুলের (দ:) উপর দৃঢ় বিশ্বাস ঈমান থাকা সত্ত্বেও আকিদার বিকৃতির ফলে কার্যতঃ শেরক ও কুফরের মধ্যে নিমজ্জিত জাতিকে মনে করিয়ে দিতে হবে দাড়ি, মোচ, পাজামা, নফল এবাদতের কথা বাদ দিন, একেবারে খোদ কোর’আনেরও কোন আয়াতের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে কোন মতভেদ, মতান্তর কুফর। বোলেছেন স্বয়ং রসুলাল্লাহ (দ:) এবং বোলেছেন রাগান্বিত হোয়ে (হাদিস আব্দাল্লাহ বিন ওমর (রা:) থেকে-মোসলেম, মেশকাত)। রাগান্বিতের কারণ এই মতভেদই হোল কোন জাতির অনৈক্য ও পরিণামে ধ্বংসের কারণ। শুধু জাতি কেন, যে কোন প্রতিষ্ঠান, সমিতি বা দলকে এমন কি একটা পরিবারকেও ধ্বংস কোরে দেবার জন্য মতভেদ অনৈক্য যথেষ্ট।
মহানবীর (দ:) সময়ে শিয়া ছিলো না, সুন্নী ছিলো না, কোন মাযহাব কোন ফেরকা ছিলো না এ কথা ইতিহাস। তার (দ:) সময়ে ইসলামে যা ছিলো না তেমন কিছু যোগ করা হোচ্ছে বেদা’ত এবং বেদা’তের এই সংজ্ঞা সর্বসম্মত। তা হোলে সমস্ত মাযহাব, সমস্ত ফেরকা বেদা’ত শেরকের সম পর্যায়ের গুনাহ, অমার্জনীয় অপরাধ, যে অপরাধ ক্ষমা না করার জন্য আল্লাহ প্রতিশ্র“তিবদ্ধ। কাজেই জান্নাতি ফেরকার অন্যতম কর্তব্য হবে এই জাতিকে বলা যে আকিদার বিকৃতির ফলে তুমি তওহীদেই নেই। গায়রুল্লাহর আইন-কানুনের মধ্যে বাস কোরে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ না কোরে শেরকে নিমজ্জিত অবস্থায় আছ, তোমার আবার মাযহাব কি? ফেরকা কি? একই সংজ্ঞায় প্রচলিত ভারসাম্যহীন বিকৃত সুফীবাদের তরিকাগুলিও বেদা’ত। কারণ, বিশ্বনবীর (দ:) সময় কোন তরিকা ছিলো না, এ কথা সর্বসম্মত ইতিহাস। তার সময়ে যেমন একটি মাত্র জাতি ছিলো, “উম্মতে মোহাম্মদী” তেমনি তরিকাও মাত্র একটিই ছিলো, “তরিকায়ে মোহাম্মদী”। ঐ তরিকা ছিল বিল্পবী, সংগ্রামী, জীবন উৎসর্গকারী, বহির্মূখী, বিস্ফোরণমুখী। আর এখন প্রচলিত বিভিন্ন তরিকাগুলি ঠিক বিপরীতমুখী, অন্তর্মুখী। তরিকায়ে মোহাম্মদীর হাতে ছিলো অস্ত্র, কর্মক্ষেত্র ছিলো উন্মুক্ত পৃথিবী। বর্তমানের তরিকাগুলির হাতে তসবিহ, কর্মক্ষেত্র খানকায়, হুজরায় চার দেয়ালের ভেতরে। তরিকায়ে মোহাম্মদী তাদের প্রাণ জেহাদে উৎসর্গ কোরে ঐ তরিকার সর্বশ্রেষ্ঠ পুরস্কার, সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান শাহাদাত ও আল্লাহর ভালোবাসা লাভ করার জন্য দেশ ছেড়ে দেশান্তর বছরের পর বছর যুদ্ধ কোরে কাটিয়ে দিতেন। বর্তমানের তরিকা প্রাণ উৎসর্গ দূরে থাক, সামান্যতম সংঘর্ষ, সামান্যতম বিপদের সম্ভাবনা যেখানে আছে, তা অতি সন্তর্পণে এড়িয়ে চলেন এক কথায় ঐ তরিকা আর এই তরিকা ঠিক বিপরীত মুখী। একটি পুর্বমূখী অন্যটা পশ্চিম মুখী; একটা উত্তর মুখী অন্যটা দক্ষিণ মুখী।
সুতরাং জান্নাতি ফেরকার কোন মানুষকে যদি বাহাত্তর ফেরকার কেউ প্রশ্ন করে আপনি শিয়া না সুন্নি, না আহলে সুন্নাত আল জামাত, না আহলে হাদিস, হানাফী না শাফেয়ী, না মালেকী, না হাম্বলী, না অন্য কিছু? তবে তার জবাব হবে- ভাই! আমি ওসবের কোনটাই নই। আমি তো শুধু প্রাণপণে চেষ্টা কোরছি মো’মেন ও উম্মতে মোহাম্মদী হোতে। একটা বিল্ডিং, ইমারতের মধ্যে প্রবেশ কোরলে তবে তো প্রশ্ন আসতে পারে আমি কোন কামরায় আছি? আমরা ইসলামের ইমারতের মধ্যেই নেই, কোন কামরায় থাকি সে প্রশ্ন তো অবান্তর! (চোলবে এনশা’ল্লাহ..)

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 188 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 102 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি #সংবাদ-সম্মেলন