আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

নির্দিষ্ট কোন পোশাক ইসলামের মানদণ্ড নয়

06 Jun, 2015 Super Admin 740 ভিউ
নির্দিষ্ট কোন পোশাক ইসলামের মানদণ্ড নয়

^0245273963B5415B28B70562EE48AC5C0497282A18CB6C5CF1^pimgpsh_fullsize_distrরিয়াদুল হাসান:

আদম (আ:) থেকে শুরু কোরে শেষ নবী মোহাম্মদ (দ:) পর্যন্ত ইসলামের অর্থাৎ দীনুল কাইয়্যেমার মর্মবাণী তওহীদ- এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো তৈরি জীবন-বিধান মানি না, স্বীকার করি না। এই সেরাতাল মোস্তাকীম, সহজ-সরল পথ ছেড়ে মহাপণ্ডিতরা দীনের চুলচেরা বিশ্লেষণ কোরে এই কোরলেন যে, সহজ-সরল পথটি হোয়ে গেলো একটি অত্যন্ত দুর্বোধ্য জীবন-ব্যবস্থা, খুঁটিনাটি মাসলা-মাসায়েলের জটিল জাল। এই জটিল জালে আটকা পড়ে সমস্ত জাতিটাই মাকড়সার জালে আটকা পড়া মাছির মতো অসহায়, স্থবির হোয়ে গেলো। ঐ স্থবিরতার অবশ্যম্ভাবী ফল হোয়েছে শত্র“র ঘৃণিত গোলামি ও বর্তমান অবস্থা; যেখানে অজ্ঞানতায়, অশিক্ষায়, কুশিক্ষায় ইসলামের আগের জাহেলিয়াতের অবস্থাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই জাতির এক শ্রেণির ধর্মব্যবসায়ী আলেম সমাজ আজ কুয়োর ব্যাঙ। দুনিয়ার খবর যারা রাখেন তাদের চোখে এরা অবজ্ঞার পাত্র, হাসির খোরাক। আসমানের মতো বিরাট উদাত্ত দীনকে এরা তাদের লম্বা কোর্তার পকেটে পুরে মিলাদ পড়ে, বাড়ি বাড়ি দাওয়াত খেয়ে আর সুর কোরে ওয়াজ কোরে বেড়ান। তবু যদি তাদের ওয়াজের মধ্যে অন্তত কিছু সার কথা থাকতো! তাও নেই, কারণ দীনের মর্মকথা, এর উদ্দেশ্য, প্রক্রিয়া এ সবের কিছুই তাদের জানা নেই। আসল দিক অর্থাৎ জাতীয় জীবনের দিকটাকে সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দিয়ে ব্যক্তি দিকটার সামান্য যে বাহ্যিক অংশকে এরা আঁকড়ে ধোরে আছেন তা পর্যন্ত ভুল। দাড়ি রাখা, বাহ্যিক পোষাক-পরিচ্ছদ ইত্যাদি এই দীনের বুনিয়াদী কোন ব্যাপার নয় এবং বুনিয়াদী নয় বোলেই কোর’আনে আল্লাহ কোথাও দাড়ি বা নির্দিষ্ট ধরণের কাপড়-চোপড় সম্বন্ধে কোন নির্দেশ দেন নি। বরং রসুলাল্লাহ বোলেছেন- আল্লাহ মানুষের কাপড়-চোপড়, পোশাক-পরিচ্ছদ দেখেন না, দেখেন মানুষের অন্তর এবং তার কাজ [আবু হোরায়রা (রা:) থেকে মোসলেম]। আসলে এই শেষ দীনে কোন নির্দিষ্ট পোষাক হোতে পারে না, কারণ এটা এসেছে সমস্ত পৃথিবীর মানুষের জন্য। পৃথিবীর মানুষ প্রচণ্ড গরমের দেশে, প্রচণ্ড শীতের দেশে, নাতিশীতোষ্ণ দেশে, অর্থাৎ সর্বরকম আবহাওয়ায় বাস করে, এদের সবার জন্য এক রকম পোষাক নির্দেশ করা অসম্ভব। তা কোরলে এ দীন সমস্ত মানব জাতির জন্য প্রযোজ্য হোতে পারতো না, সীমিত হোয়ে যেতো। তাই আল্লাহ ও তাঁর রসুল (দ:) তা করেনও নি। বিশ্বনবীর (দ:) সময়ে তার নিজের এবং সাহাবাদের পোষাক-পরিচ্ছদ ও তখনকার আরবের মোশরেক ও কাফেরদের পরিচ্ছদ একই ছিলো। বর্তমানেও আরবে মুসলিম আরব, খ্রিস্টান আরব ও ইহুদি আরবদের একই পোষাক-পরিচ্ছদ। দেখলে বলা যাবে না কে মুসলিম, কে খ্রিস্টান আর কে ইহুদি। মানব জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ বিশ্বনবীর (দ:) যে দৈহিক বিবরণ হাদিসে ও ইতিহাসে পাওয়া যায় তা লক্ষ্য কোরলে আমরা পাই একটি মানুষ- অতি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পরা, তাতে সুগন্ধ, খোশবু, আতর লাগানো (সুগন্ধি ও ফুল তাঁর অতি প্রিয় ছিলো) পরিপাটি কেশ, ঠিক মাথার মাঝখান থেকে সিঁথির দু’পাশ দিয়ে নেমে এসেছে কানের নিচে, কাঁধের একটু উপর পর্যন্ত, সুন্দর কোরে দাড়ি-মোচ ছাটা, সুন্দর দেখাবার জন্য চোখে সুরমা দেওয়া, মাঝে মাঝে গায়ে ইয়ামেনের প্রসিদ্ধ জোব্বা (Robe)। সব মিলিয়ে যাঁকে পাচ্ছি, তাঁকে যারা দেখেছেন তারা প্রভাতে উদিয়মান সূর্যের সাথে, পূর্ণ চন্দ্রের সাথে তুলনা কোরেছেন, তাঁকে কি কোনভাবেই একটি দুনিয়া বিমুখ, সংসার বিমুখ বৈরাগী বলা চলে? মোটেই না। কিন্তু বর্তমানের ‘ধার্মিক’দের মানসিকতা তাই- একেবারে উল্টো। এদের বাইরেও উল্টো, ভেতরেও উল্টো। ভেতরে উল্টো এই জন্য যে, ঐ বিশ্বনবীর (দ:) মাধ্যমে আল্লাহর দেয়া রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা, বিচার ও দণ্ডবিধিকে বাদ দিয়ে অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার কোরে মানুষের তৈরি এই সব ব্যবস্থার মধ্যে বাস কোরে কার্যতঃ মোশরেক হোয়ে মাথা ন্যাড়া কোরে, মোচ কামিয়ে, টুপি পাগড়ী মাথায় দিয়ে কাঁধে চেক রুমাল ফেলে, টাখনুর উপর পাজামা পরে আর পাঁচবার মসজিদে
দৌড়ে এরা আত্মপ্রসাদ লাভ কোরছেন এই ভেবে যে, তারা শুধু উম্মতে মোহাম্মদী নন, একেবারে নায়েবে নবী। তুচ্ছ মসলা-মাসায়েল নিয়ে সীমাহীন তর্কাতর্কি বাদানুবাদ কোরে কোরে এরা এই জাতির ঐক্য টুকরো টুকরো কোরে দিয়েছেন, যে ঐক্য ছাড়া একটা জাতি ধ্বংস হোয়ে যায়, এমন কি দুর্বল শত্র“র হাতেও পরাজিত হোয়ে যায়। আর তাই গিয়েছিলোও। কিন্তু তাতেও বোধোদয় হয় নি, অসীম অজ্ঞতায় তারা আজও ঐ খুঁটিনাটি মসলা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি কোরতে ব্যস্ত। টাখনুর উপরে পাজামা পরা নিয়েও বর্তমানের বিকৃত ইসলামে অতি বাড়াবাড়ি করা হয়। বলা হয় যে টাখনুর (গোড়ালি) নিচে পাজামা পরলে পায়ের গোড়ালির নিচের অংশ আগুনে পোড়ানো হবে। এর অর্থ ঐ ব্যক্তি জাহান্নামী। অবশ্য যারা মনে কোরছেন একজন জান্নাতি ব্যক্তির পায়ের গোড়ালি থেকে কেটে নিয়ে জাহান্নামে ফেলা হবে তাদের মতো বে-আক্কেলদের প্রতি আমার কিছু বলার নেই। আসলে বিষয়টি কি তা বোঝার জন্য এ সংক্রান্ত হাদিসগুলি পড়ুন। (১) যে ব্যক্তি অহঙ্কারবশে তার কাপড় ঝুলিয়ে দেয়, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি তাকাবেন না। আবু বকর (রা) বলেন, ইয়া রসুলাল্লাহ! আমার লুঙ্গি তো প্রায়ই ঝুলে যায়, যদি না আমি সচেতন থাকি। রসুলাল্লাহ তাঁকে বলেন: তুমি তাদের মধ্যে শামিল নও, যারা অহঙ্কার বশে কাপড় ঝুলিয়ে থাকে (আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বোখারী ও মোসলেম)। (২) তিনজন লোকের সাথে আল্লাহ কেয়ামতের দিন কথা বোলবেন না, তাদের প্রতি তাকাবেন না এবং তাদের পবিত্র কোরবেন না। উপরন্তু তাদের জন্য রোয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি। রসুলাল্লাহ কথাগুলো তিন তিনবার বলেন। আবু যার (রা) বলেন, হে আল্লাহর রসুল! এসব বিফল মনোরথ ও ক্ষতিগ্রস্ত লোক কারা? তিনি বলেনঃ (ক) যে ব্যক্তি অহঙ্কারবশে কাপড় ঝুলিয়ে দেয়, (খ) যে ব্যক্তি উপকার করে খোঁটা দেয় বা বলে বেড়ায় এবং (গ) যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথ করে তার পণ্য বিক্রয় করে [আবু যার (রা) থেকে মোসলেম]। (৩) পাজামা, জামা ও পাগড়ীই ঝুলিয়ে দেয়া হয়। যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশে এরূপ কিছু ঝুলিয়ে দিবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি তাকাবেন না [আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকেআবু দাঊদ ও নাসায়ী]। এই তিনটি হাদিসেই রসুলাল্লাহ বোললেন, ‘অহঙ্কারবশত’ কাপড় ঝুলিয়ে দেয়। এখানে অহঙ্কারই হোচ্ছে মূল বিষয়। কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া কোন অপরাধ নয়, অপরাধ হোচ্ছে অহঙ্কার। দারিদ্র্যের কারণে অধিকাংশ আরবের পক্ষেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত দীর্ঘ পোশাক পরার সামর্থ্য ছিলো না। কেবল ধনী ও অভিজাত লোকদের মধ্যে কাপড় ঝুলিয়ে পরার রেওয়াজ ছিলো, ইউরোপের অভিজাত বংশীয় নারীরা এখনও বিশেষ অনুষ্ঠানে এত দীর্ঘ পোশাক পরে যে, কয়েক জন দাসীকে সেই লম্বিত অংশ বহন কোরতে হয়। এটা হোচ্ছে অহঙ্কারের প্রকাশ। একইভাবে তৃতীয় হাদিস মোতাবেক জামা, পাগড়িও যদি অহঙ্কার প্রকাশের উদ্দেশ্যে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তবে সেটাও নিষেধ। অহঙ্কারী ব্যক্তি যে জাহান্নামী সেটা তো কোর’আনের বহু আয়াত ও হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত, তাই অহঙ্কারবশত পোশাক ঝুলিয়ে দিলে যে কেউ জাহান্নামে যাবে এতে আর আশ্চর্য কি? আবু বকর (রা:) যেহেতু অহঙ্কারমুক্ত ছিলেন তাই তাঁর কাপড় ঝুলিয়ে পরায় কোন অপরাধ হয় নি। এখন কথা হোল, টাখনুর ‘উপরে’ কাপড় পরে কেউ যদি ভাবে যে, আমি মহা-পরহেজগার, রসুলের প্রকৃত উম্মত, নায়েবে নবী তবে এই ‘অহঙ্কারের কারণে’ সেও নিঃসন্দেহে জাহান্নামে যাবে। আমাদের সমাজে আলেম দাবিদার অনেকেই আরবিয় ধাঁচের পোশাক পরেন, দাড়ি রাখেন আলেম হিসাবে মানুষের কাছে সম্মান পাওয়ার উদ্দেশ্যে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর রসুল বোলেছেন, যে ব্যক্তি খ্যাতির জন্য দুনিয়াতে বস্ত্র পরিধান কোরবে, কেয়ামতে আল্লাহ তাকে অপমানের বস্ত্র পরিধান করাবেন। [আব্দাল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) থেকে তিরমিজী, আবু দাউদ, ইবনে মাযাহ]।

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 188 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 102 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#আইয়্যামে জাহেলিয়াত #অর্থনীতি #শিক্ষাব্যবস্থা #চলমান সঙ্কট #জীবনব্যবস্থা #ঐক্য #৫ দফা কর্মসূচি #ইসলাম #তাকওয়া #সাম্প্রদায়িকতা #তওহীদ #লানত #পর্দা #সংস্কৃতি #প্রকৃত ইসলাম #শহীদ #খেলাধুলা #এমামুযযামান #হেযবুত তওহীদ #ধর্মব্যবসা #নারী #নারী স্বাধীনতা #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদের নারী #উগ্রবাদ #গুজব #রাজনীতি #ঈমান #আকিদা #মোনাফেক #বিস্ময়কর আন্দোলন #রিজিক #অপপ্রচার #দাজ্জাল #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #কর্মজীবন #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #গণজোয়ার #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #বাস্তব সমস্যা #মণীষীদের জীবনী #প্রশ্নোত্তর #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #প্রশ্ন #রাগ #কর্মফল #মুসলিমদের ইতিহাস #রাজনৈতিক ইসলাম #ইসলামের ইতিহাস #মানবজীবন #দোয়া #জান্নাতি ফেরকা #প্রশ্ন উত্তর #মহানবীর (সা.) #বাঙালি #সুফিবাদ #ধর্মজীবিকা #হারাম #পুঁজিবাদ #মার্কস #ইসলামের অপব্যাখ্যা #তারেক বিন যিয়াদ #ওমর (রা.) #খলিফা #ধর্মবিশ্বাসী #ঔপনিবেশিক যুগ #চরমোনাই #ইতিহাস ও ইসলাম #দাসপ্রথার #ইসলামবিদ্বেষী #নবুয়তপূর্ব জীবন #কোর’আন #শিক্ষা #উম্মতে মোহাম্মাদি #বাংলাদেশ #স্বাধীনতা #বিশ্ব মুসলমান #ইসলামি ইতিহাস #সাম্যবাদ ও ইসলাম #মানুষ সৃষ্টি #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #হজ #মহানবীর লড়াই #জ্ঞান-বিজ্ঞান #ধর্ম #নির্বাচন #আইনের উৎস #দৈনিক বজ্রশক্তি #পাকিস্তান #শান্তি #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #ইসলাম অর্থ #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #গণমাধ্যম #বাংলার সুলতানী যুগ #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #যোদ্ধাসুফি #মসজিদে নারী #খোলাফায়ে রাশেদীন #বস্তুবাদী সভ্যতা #সংগীত #জেহাদ #দাউদ খান পন্নী #মাননীয় এমাম #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #ইমাম মাহদী #জ্ঞান #জঙ্গিবাদ #রিয়াদুল হাসান #আশুরা #কবিতা #বাণী #আমল #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #কোরবানি #ত্যাগ #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #democratic system #economic system #politics #হেযবà§�ত তওহীদ #religious extremists #workplace #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #hossain mohammad salim #islam world #lifestyle ##MarathonHT #Marathon #hezbuttawheed #Resolving the Global Crisis #Students #হেযবুত তওহীদের #civilized’ #deterrent #world #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #মো’জেজা: #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #দাজ্জালকে চিনতে হবে #মো’মেনদের #দেশকে রক্ষা #মদিনার #রাকীব আল হাসান #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #লা’নত নাকি পরীক্ষা #আদিবা ইসলাম #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #মুখলেছুর রহমান সুমন #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #মুস্তাফিজ শিহাব #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #নোয়াখালীত #কোরবানি কখন কবুল হবে? #muchleka #মামলার অব্যাহতি #হাইকোর্টের রায় #গোলটেবিল বৈঠক #সংবাদ-সম্মেলন