আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

চলমান অন্ধকার যুগ পাল্টে দিবে হেযবুত তওহীদ

17 May, 2023 Super Admin 501 ভিউ
চলমান অন্ধকার যুগ পাল্টে দিবে হেযবুত তওহীদ

বর্তমানে সমগ্র মুসলিম জাতির জীবনে নেমে এসেছে ভয়াবহ সঙ্কটকাল। এই জাতিকে ধ্বংস করতে বহুমুখী আক্রমণ চলছে। একটির পর একটি মুসলিম প্রধান দেশ ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিও এ ষড়যন্ত্রের বাইরে নেই। এই ষড়যন্ত্র যদি সফল হয় তাহলে আর কিছুই থাকবে না। আমাদের সেই দশা হবে যেটা ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তন, লিবিয়া, ইয়েমেনের হয়েছে। বস্তুত এই সঙ্কট উপলব্ধি করেই আমরা হেযবুত তাওহীদ ঐক্যের ঝাণ্ডা হাতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ছুটে চলেছি। সকল মানুষের সামনে তুলে ধরছি আসন্ন সঙ্কট ও এই সঙ্কট থেকে মুক্তির উপায়। আমরা সেই আদর্শ তুলে ধরছি যেটা ধারণ করে আমরা ১৬ কোটি বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হতে পারি।

আজ থেকে ১৪শ বছর আগে আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগ কেমন ছিলো সে কথা সবাই জানেন। সেই সমাজে আবির্ভূত হয়েছিলেন আল্লাহর শেষ রসুল। যেই সমাজে কন্যা শিশুকে কবর দেয়া হতো, নারী মানেই পরিবারের জন্য বোঝা মনে করা হতো। যতই মেধা থাকুক না কেনো তাদেরকে একটা বোঝা বলেই গণ্য করা হতো। এর বেশি তাদের কিছু ভাবাই হতো না। নারীদেরকে মনোরঞ্জনের উপাদান, বিনোদনের সামগ্রী মনে করা হতো। সেই সময় মদ্যপান ছিলো প্রকাশ্য আর অবারিত। গোত্রে গোত্রে চলতো যুদ্ধ। ক্ষুধা-দারিদ্র, অজ্ঞতা ছিলো জাতীয় বৈশিষ্ট। তখন আল্লাহর রসূল ভাবতে লাগলেন কিভাবে মানুষের মুক্তি সম্ভব? তিনি পথ খুুজঁতে লাগলেন। তারপর আল্লাহ তাকে পথ দেখালেন। সে পথ হলো- হেদায়াহ, তওহীদ অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। এক আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানি না- এই কথার উপর ধীরে ধীরে ঐ আরবের মানুষগুলোকে আল্লাহর রসুল ঐক্যবদ্ধ করলেন। তারপর পুরো আরবের চিত্রটাই পাল্টে গেলো।

তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ আরবজতি তখন শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হলো। যারা নিজেরা নিজেরা কলহ-বিবাদ ও রক্তারক্তি করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল, তারাই ঐক্য ভ্রাতৃত্ব ও শৃঙ্খলায় দৃষ্টান্তস্থানীয় হয়ে উঠল। অজ্ঞতার অন্ধকার কেটে গিয়ে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হলো সমাজ। যাদের পেটে খাবার ছিল না, পরনে পর্যাপ্ত বস্ত্র ছিল না তারা অর্থনৈতিক সচ্ছলতায় এমন পর্যায়ে পৌঁছালো যে, মানুষ দান করার জন্য সম্পদ, খাদ্যদ্রব্য নিয়ে পথে পথে ঘুরত, কিন্তু গ্রহণ করার মত লোক পেত না। রসুলাল্লাহ সমস্ত নারীদের আদর্শিক শিক্ষা দিয়ে তাদের জীবনের গতি ধারা পাল্টে দিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য উদ্দীপনা দিলেন। যে নারীরা ছিল সমাজের সবচাইতে অবহেলিত অংশ, যাদেরকে মনে করা হত বোঝা, সত্যদীনের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে তারা হয়ে উঠল বীরাঙ্গনা। তারা রোমান ও পারস্য সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনল। এই যে যুগের পরিবর্তন সাধিত হলো, এটি সম্ভব হয়েছিল যে বাক্যটির দ্বারা সেটাই ইসলামের কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ তওহীদ। একটি সাধারণ অঙ্গীকার যে আমাদের জীবনে আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম বিধান মানবো না। এই সিদ্ধান্তই সমাজকে সর্ববিষয়ে অগ্রণী করেছিল। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো আমরা আজকে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে গেছি। আমরা মুখে মুখে কলেমা তওহীদ পাঠ করছি কিন্তু বাস্তব জীবনে হুকুম বিধান মানছি দাজ্জাল তথা ইহুদি খ্রিষ্টান বস্তুবাদী সভ্যতার। তওহীদ যদি থাকত তাহলে বর্তমানে মুসলিম জাতির যে ভয়াবহ চিত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি, তার বদলে আমরা ভিন্ন চিত্র দেখতে পেতাম।

আল্লাহর রসুলের প্রকৃত ইসলামের একটাই রূপ ছিল। সবার আকিদা ছিলো একরকম। কিন্তু বর্তমানে আমাদের মধ্যে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। হাজার হাজার দল-ফেরকা-মাজহাব-তরিকায় বিভক্ত আজকের মুসলিম জাতি। তারা আজ আল্লাহর তৈরী জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে পশ্চিমা সভ্যতার তৈরী জীবনব্যবস্থা মেনে চলছে। যার কারণে পৃথিবীতে আজ কোথাও শান্তি নেই। অন্যায় অবিচার যুদ্ধ রক্তপাতে নিমজ্জিত আজ পুরো পৃথিবীর মানুষ। এই যখন অবস্থা, তখন আল্লাহর রসুলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে হেযবুত তওহীদ জাতিকে তওহীদের ভিত্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে নেমেছে। চারিদিক আজ হতাশার ঘুটঘুটে অন্ধকার, আর এরই মাঝে হেযবুত তওহীদ এক খণ্ড আলো। হেযবুত তওহীদের বক্তব্য হলো- শান্তি, ন্যায়, সুবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর দেয়া জীবন ব্যবস্থাকে সমষ্টিগত জীবনে কার্যকর করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

এই বক্তব্য নিয়ে হেযবুত তওহীদ যখন এগিয়ে চলেছে, তখন পরিতাপের বিষয় হলো- সমাজের সেই শ্রেণিটি যারা ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে, তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। কারণ ধর্মব্যবসা হারাম- এ সত্যটি হেযবুত তওহীদ কোর’আন, হাদিস, ইতিহাসের দলিল যুক্তি তথ্য উপাত্ত দিয়ে মানুষের সামনে তুলে ধরছে। কায়েমী স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখতে তারা হেযবুত তওহীদের বিরোধিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। এটি হলো প্রধান কারণ। এছাড়াও তাদের বিরোধিতার অন্যতম কারণ হলো- হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম নারীদের সম্পর্কে বলেছেন নারীদের মেধা আছে, যোগ্যতা আছে, শক্তি আছে, জ্ঞান আছে, তারাও জাতির জন্য সমাজের জন্য মানবজাতির জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। উম্মতে মোহাম্মদীর বীরাঙ্গণা নারীরা পুরুষদের থেকে কোনো অংশেই কম ছিলেন না, তারা রসুলাল্লাহর সাথে থেকে স্বীয় মেধা ও যোগ্যতা মোতাবেক সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে ভূমিকা রেখেছেন।

বস্তুত সমাজের অর্ধেকই হচ্ছে নারী, তাদেরকে যখন বন্দী রাখা হয় সে জাতি কখনো উন্নতি সাধন করতে পারে না। নারীদের নিয়ে হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমামের এই বজ্রকণ্ঠ যখন বাংলার আকাশ-বাতাসে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, উপেক্ষিত নির্যাতিত নারীদের দৃষ্টি খুলে যাচ্ছে, তখন ধর্মান্ধতা ও নারীবিদ্বেষের ব্যাধিতে আক্রান্ত ধর্মব্যবসায়ীরা বুঝতে পারছে এতদিন ধর্মের নামে তারা যে বিকৃত প্রথাগুলোকে জাতির উপর চাপিয়ে রেখেছে সেগুলোর দিন ফুরিয়ে আসছে। হেযবুত তওহীদের কারণে তাদের অপব্যাখ্যার অসারতা প্রমাণিত হচ্ছে। আর তা দেখে ধর্মব্যবসায়ীরা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, এমনকি বহু জায়গায় হামলা চালিয়ে হেযবুত তওহীদের সদস্যদেরকে আহত-নিহত পর্যন্ত করছে। ধর্মব্যবসায়ীদের এই আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয় মক্কায় আল্লাহর রসুলের দুঃসহ রক্তক্ষরা দিনগুলোর কথা, তওহীদের ডাক দেওয়ার কারণে তাঁর উপর কতই না ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছে আবু জাহেল, উতবা, শায়বাসহ তৎকালীন ধর্মব্যবসায়ী নেতারা। প্রশ্ন হলো, এই অপপ্রচার কি সত্যের অগ্রাযাত্রাকে রুদ্ধ করতে পেরেছিল?

না, কখনই পারেনি। ইনশা’আল্লাহ হেযবুত তওহীদকেও অপপ্রচারের বালির বাঁধ দিয়ে আটকে রাখতে পারবে না। যে সত্য ১৪০০ বছর আগের আরব সমাজকে পাল্টে দিতে পেরেছিল, সে একই সত্য আজ হেযবুত তওহীদ মানুষের সামনে তুলে ধরছে। কাজেই এ যুগেরও পরিবর্তন হবে। কেটে যাবে অমানিশার ঘোর অন্ধকার। শত্রুতা-বিদ্বেষ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হবে সমগ্র জাতি। নারীরা ফিরে পাবে তাদের হারানো সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার। আজকে নারীদেরকে ধর্মের নামে কার্যত গৃহবন্দী করে রাখা হয়, কিন্তু আল্লাহর রসুলের প্রকৃত আদর্শকে ধারণ করলে নারীরা তাদের মেধাকে আল্লাহর জন্য, দীনের জন্য, মানুষের জন্য উৎসর্গ করতে পারবে। তারা শালীনতা বজায় রেখে জাতীয়, রাষ্ট্রীয়, সামষ্টিক জীবনের সকল কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে অর্থাৎ প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে পাবে। স্বাধীনতার নামে ইউরোপীয় বস্তুবাদী সভ্যতা নারীদেরকে যে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে সেদিকে তাদেরকে যেতে হবে না। তারা সমাজের প্রতিটি অঙ্গনে শালীনতার সাথে পুরুষের পাশাপাশি সকল কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে। হেযবুত তওহীদ টাকা-পয়সা চায় না। ভোটের রাজনীতিও করে না। এ আন্দোলনের কোনো পার্থিব স্বার্থও নেই। হেযবুত তওহীদ কেবল দেশটাকে বাঁচাতে চায়, মানুষকে রক্ষা করতে চায়, পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে এই জাতিকে বাঁচানোর জন্যই হেযবুত তওহীদের সদস্যরা নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করে মানুষকে সচেতন করে চলছে নতুন যুগের আগমনী বার্তা নিয়ে।

ট্যাগসমূহ:

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1652 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 189 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 103 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 20 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 25 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 61 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি #সংবাদ-সম্মেলন