আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

উগ্রবাদী ধর্মান্ধ ও দুর্নীতিবাজ সুশীল

17 Sep, 2021 Super Admin 542 ভিউ
উগ্রবাদী ধর্মান্ধ ও দুর্নীতিবাজ সুশীল

মোহাম্মদ আসাদ আলী

কোনো উগ্রবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী যখন কোনো দেশে প্রভাব বিস্তার করে কিংবা রাষ্ট্রক্ষমতায় যায়, তখন তাদের আচরণ কেমন হয়, শাসনব্যবস্থা কেমন হয়, বিচারব্যবস্থা কেমন হয় ও সমাজব্যবস্থা কেমন হয় তা আমাদের মোটামুটি জানা। এসব নিয়ে সমালোচনার অন্ত নেই। কিন্তু যারা সেই সমালোচনায় সবচেয়ে মুখর থাকেন, সেই সুশীলদের অবস্থাও একটু বিচার করা দরকার। ধর্মান্ধদের নিন্দার পাশাপাশি এদিকটাও খতিয়ে দেখা দরকার যে, দেশে লক্ষ লক্ষ পশ্চিমা শিক্ষিত সুশীল নাগরিক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠী শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং ক্ষমতার শীর্ষে আরোহন করতে পারে। গলদটা কোথায়?
আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে প্রথম ও প্রধান যে গলদটা দেখতে পাই তাহলো উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা তাদের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত থাকলেও কথিত শিক্ষিত ও সুশীল গোষ্ঠী একবিন্দু ত্যাগও স্বীকার করতে চায় না ধর্মান্ধতা মোকাবেলার জন্য। এটাই তথাকথিত সুশীলদের খুঁটিকে নড়বড়ে করে দেয় অনেকাংশে।
কথিত এই সুশীলদের চরিত্র হলো- তারা লিখবে, গাইবে, ছবি আঁকবে, ফিল্ম তৈরি করবে, ফূর্তি করবে আর একদল বেতনভুক্ত সৈন্য পালবে তাদেরকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য, ব্যাস! তারপর সেই সৈন্যরা পরাজিত হলে সুশীল সাহেবরা উগ্রবাদীদের হাতে দেশ সঁপে দিয়ে টাকা পয়সা নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাবে। কেঁদে কেঁদে বলবে- অমুক দেশ আমাদের কেন বাঁচালো না, অমুক সরকার আমাদের কেন নিরাপত্তা দিতে পারল না! অথচ তাদের চোখের সামনেই সবকিছু ঘটেছে, যখন তারা স্বার্থপরের মত দিন কাটিয়েছে। তাদের সামনেই উগ্রবাদের জন্ম হয়েছে, বিস্তার লাভ করেছে, শক্তিশালী হয়েছে এবং পুরো দেশকে গ্রাস করে ফেলেছে, কিন্তু তথাকথিত সুশীল শ্রেণির সেদিকে মনোযোগ ছিল না, যতটা মনোযোগ ছিল দুর্নীতি ও লুটপাট করার দিকে, কিংবা ভোগ বিলাসী জীবন যাপনের দিকে।
যখন উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা তাদের বিকৃত মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দেয়, তখন এরা ঘরে বসে বসে গান গায়, ছবি আঁকে, খেলা দেখে, সিনেমা দেখে। যখন উগ্রবাদীরা বিষাক্ত মতবাদ ছড়িয়ে দিয়ে দরিদ্র বঞ্চিত ছেলেদেরকে একটু একটু করে বিপথগামী করতে থাকে তখন এরা নিজেদের সন্তানদেরকে বিদেশে পড়াশোনা করে সেটেল হতে পাঠায়। যখন দেশের বিভিন্ন অংশে উগ্রবাদীরা অবহেলিত মানুষের সমর্থন আদায় করে নেয়, তখন এরা শহুরে বিলাসবহুল প্রাসাদে এসি কামরায় বসে প্রেমের কবিতা লেখে, গল্প লেখে, উপন্যাস লেখে।
তারপর একদিন শুরু হয় পরিণতি ভোগের পালা। শুরু হয় কান্নাকাটি, আহাজারি। তারা করুণ কণ্ঠে প্রতিবেশী দেশ বা আন্তর্জাতিক পরাশক্তিদের সাহায্য ভিক্ষা করেন আর বলেন- প্লিজ আমাদেরকে বাঁচান, ওই দেখুন শিল্পির কণ্ঠ থামিয়ে দিচ্ছে, সুরের গিটার ভেঙে দিচ্ছে, নারীর অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা গুড়িয়ে দিচ্ছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করছে ইত্যাদি ইত্যাদি!
আমার প্রশ্ন হলো- ধর্মান্ধ উগ্রবাদীরা এতদূর আসতে পারল কীভাবে? তারা ক্ষমতায় এলে সঙ্গীত নিষিদ্ধ করে দেয়, খেলাধুলা নিষিদ্ধ করে দেয়, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস করে দেয়, টিভি দেখা নিষিদ্ধ করে দেয়, নারী অধিকার হরণ করে নেয়, ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে- এসব তো আগে থেকেই জানা কথা। এসব যদি মানতে না পারেন তাহলে ক্ষমতায় আসতে দিলেন কেন? প্রতিরোধ গড়লেন না কেন? কেন লক্ষ লক্ষ মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান? এর অর্ধেকও যদি উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতেন তাহলে উগ্রবাদীরা পালানোর রাস্তা খুঁজে পেত কি? দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তারাই তো যথেষ্ট যে কোনো দেশের উগ্রবাদী নারীবিদ্বেষীদের মোকাবেলার জন্য। কয়েক কোটি নারী যদি শুধু ঝাড়ু হাতে নিয়ে রাস্তায় বের হয় তাহলে উগ্রবাদীদের কী দশা হবে ভেবে দেখেছেন? অবাক করা বিষয় হলো- তারা বিমানের চাকায় চড়ে দেশ ছাড়তে গিয়ে জীবন দেন, কিন্তু উগ্রবাদীদের মোকাবেলা করতে জীবন দিতে চান না। তাহলে যেই যুদ্ধ তারা নিজেরা করতে চান না, সেই যুদ্ধ আমেরিকা এসে করবে কেন? ভারত করবে কেন? চীন করবে কেন? তারা নিজেরা কেন দাঁড়াতে চায় না?
কারণ একটাই- তাদের সেই মনোবল নাই। আর মনোবল নাই তার কারণ তাদের কোনো আদর্শ নাই। এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয় উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা বিকৃত হলেও কিন্তু “ধর্ম” দিয়ে উদ্বুদ্ধ। তাদের নৈতিক শক্তি টনটনে- কারণ তারা বিশ্বাস করে তারা আল্লাহর পথে লড়াই করছে, তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা হলে মানুষ শান্তি পাবে, মুক্তি পাবে (যদিও বাস্তবে বিকৃত মতাদর্শ চর্চার কারণে শান্তি অধরাই থেকে যায়)। তারা এটাকে ভাবে বিপ্লব। অন্যদিকে পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত কথিত সুশীল নাগরিকদের “আদর্শ” বলতে কিছুই নেই। পশ্চিমা গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি মতাদর্শ তাদের কাছে কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র। ক্ষমতায় যেতে পারলেই কিসের গণতন্ত্র আর কিসের ধর্মনিরপেক্ষতা- ওসব শিকেয় তুলে রাখা হয় আর দেশে চলে বিশুদ্ধ লুটপাটতন্ত্র। কাজেই আদর্শিকভাবে এই নেটিজেন সিটিজেনরা সর্বদাই দেউলিয়া হয়ে থাকে।
দ্বিতীয় যে বিষয়টা নৈতিক শক্তি তৈরি করতে পারত তা হলো সততা। এক্ষেত্রেও দেখা যায় সুশীলদের ভরাডুবি। তারা দেশের ক্ষমতার অংশীদার হয়ে যুগের পর যুগ গরীব-দুঃখী মেহনতী মানুষের রক্ত চুষে খান, বিদেশে সম্পদ পাচার করেন, দেশটাকে গরু ছাগলের চারণভূমি বানিয়ে রেখে নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়তে পাঠান। যে দেশের মানুষ পেটপুরে খেতে পায় না, সেই দেশে তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বিলাসবহুল প্রাসাদ বানান। আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হন। এভাবে তারাই তৈরি করে দেন বিপ্লবের পটভূমি। তাদের দুর্নীতি ও লুটপাট থেকেই মূলত উগ্রবাদীরা অক্সিজেন পায়। তাহলে তারা কীভাবে উগ্রবাদের মোকাবেলা করবে? না আছে আদর্শ, না আছে সততা। অগত্যা পালিয়ে জীবন বাঁচানোই উপায় হয়ে দাঁড়ায়।
এই যখন অবস্থা, তখন উগ্রবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী ও পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত কথিত সুশীল গোষ্ঠী উভয়ের মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হয় দেশের জনগণকে। সেটা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। আমরা দেখতে পাই একপক্ষ উগ্রবাদীদের বিরোধিতা করতে গিয়ে দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীকে সমর্থন দিতে বাধ্য হয়, আবার আরেকপক্ষ দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীর বিরোধিতা করতে গিয়ে উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে ফেলে। তবে কি সত্য অবাঞ্ছিত ও অবহেলিতই থেকে যাবে?
[মতামতের জন্য যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫]

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 188 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 102 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#আইয়্যামে জাহেলিয়াত #অর্থনীতি #শিক্ষাব্যবস্থা #চলমান সঙ্কট #জীবনব্যবস্থা #ঐক্য #৫ দফা কর্মসূচি #ইসলাম #তাকওয়া #সাম্প্রদায়িকতা #তওহীদ #লানত #পর্দা #সংস্কৃতি #প্রকৃত ইসলাম #শহীদ #খেলাধুলা #এমামুযযামান #হেযবুত তওহীদ #ধর্মব্যবসা #নারী #নারী স্বাধীনতা #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদের নারী #উগ্রবাদ #গুজব #রাজনীতি #ঈমান #আকিদা #মোনাফেক #বিস্ময়কর আন্দোলন #রিজিক #অপপ্রচার #দাজ্জাল #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #কর্মজীবন #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #গণজোয়ার #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #বাস্তব সমস্যা #মণীষীদের জীবনী #প্রশ্নোত্তর #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #প্রশ্ন #রাগ #কর্মফল #মুসলিমদের ইতিহাস #রাজনৈতিক ইসলাম #ইসলামের ইতিহাস #মানবজীবন #দোয়া #জান্নাতি ফেরকা #প্রশ্ন উত্তর #মহানবীর (সা.) #বাঙালি #সুফিবাদ #ধর্মজীবিকা #হারাম #পুঁজিবাদ #মার্কস #ইসলামের অপব্যাখ্যা #তারেক বিন যিয়াদ #ওমর (রা.) #খলিফা #ধর্মবিশ্বাসী #ঔপনিবেশিক যুগ #চরমোনাই #ইতিহাস ও ইসলাম #দাসপ্রথার #ইসলামবিদ্বেষী #নবুয়তপূর্ব জীবন #কোর’আন #শিক্ষা #উম্মতে মোহাম্মাদি #বাংলাদেশ #স্বাধীনতা #বিশ্ব মুসলমান #ইসলামি ইতিহাস #সাম্যবাদ ও ইসলাম #মানুষ সৃষ্টি #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #হজ #মহানবীর লড়াই #জ্ঞান-বিজ্ঞান #ধর্ম #নির্বাচন #আইনের উৎস #দৈনিক বজ্রশক্তি #পাকিস্তান #শান্তি #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #ইসলাম অর্থ #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #গণমাধ্যম #বাংলার সুলতানী যুগ #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #যোদ্ধাসুফি #মসজিদে নারী #খোলাফায়ে রাশেদীন #বস্তুবাদী সভ্যতা #সংগীত #জেহাদ #দাউদ খান পন্নী #মাননীয় এমাম #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #ইমাম মাহদী #জ্ঞান #জঙ্গিবাদ #রিয়াদুল হাসান #আশুরা #কবিতা #বাণী #আমল #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #কোরবানি #ত্যাগ #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #democratic system #economic system #politics #হেযবà§�ত তওহীদ #religious extremists #workplace #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #hossain mohammad salim #islam world #lifestyle ##MarathonHT #Marathon #hezbuttawheed #Resolving the Global Crisis #Students #হেযবুত তওহীদের #civilized’ #deterrent #world #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #মো’জেজা: #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #দাজ্জালকে চিনতে হবে #মো’মেনদের #দেশকে রক্ষা #মদিনার #রাকীব আল হাসান #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #লা’নত নাকি পরীক্ষা #আদিবা ইসলাম #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #মুখলেছুর রহমান সুমন #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #মুস্তাফিজ শিহাব #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #নোয়াখালীত #কোরবানি কখন কবুল হবে? #muchleka #মামলার অব্যাহতি #হাইকোর্টের রায় #গোলটেবিল বৈঠক #সংবাদ-সম্মেলন