আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

আমরা কেন আল্লাহর হুকুম মানব

09 Aug, 2017 Super Admin 350 ভিউ
আমরা কেন আল্লাহর হুকুম মানব

রাকীব আল হাসান:
প্রথমেই বলে নেই যে, আল্লাহর অস্তিত্বে অবিশ্বাসী অর্থাৎ নাস্তিকদের এই আলোচনা থেকে বাইরে রাখছি। কারণ সৃষ্টি আছে, নিখুঁত সৃষ্টি আছে কিন্তু তার স্রষ্টা নেই এমন কথায় বিশ্বাসী নিরেট, স্থূল, জড়বুদ্ধিদের কাছে আমার কোনো বক্তব্য নেই।
বাবা-মা সন্তানকে এমনভাবে ভালোবাসে যা পরিমাপ করার মতো কোনো যন্ত্র পৃথিবীতে নেই। তাদের স্বপ্ন, চাওয়া-পাওয়া সবকিছুতেই মিশে থাকে সন্তানের চিন্তা। নিজের খাবার না জুটলেও সন্তানকে না খাইয়ে রাখেন না। সন্তানের খাবার, পোশাক, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সবকিছুর যোগান দেন তার বাবা-মা। সন্তানদের সমস্ত চাওয়া-পাওয়া পূরণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেন তারা। অসুস্থ সন্তানের পাশে সারা রাত জেগে থেকে তার সেবা-সুশ্রুষা করেন, একটু জেগে উঠে সন্তান যদি একবার বাবা বলে ডাক দেন তাহলে বাবা দশবার সাড়া দেন, বলেন কী হয়েছে বাবা, কী লাগবে তোমার? এই সন্তান যদি বাবা-মায়ের হুকুম (আদেশ-নিষেধ) না শুনে তার বাবা-মায়ের সবচেয়ে বড় শত্রুর হুকুম মেনে চলে তবে সেটা কেমন হবে? নৈতিকভাবে সেটা কি উচিত হবে?
আমাদের বাবা-মা আমাদেরকে যেমন ভালোবাসেন তার চেয়েও অনেক বেশি ভালোবাসেন আমাদের স্রষ্টা আল্লাহ। আলো, বাতাস, পানি, খাদ্য, বাসস্থানসহ সমস্ত কিছু মূলত দিচ্ছেন আল্লাহ। আমাদেরকে সৃষ্টিই করেছেন আল্লাহ, আমাদেরকে জান্নাত দিবেন আল্লাহ, আমাদের সমস্ত ন্যায্য চাওয়া পূরণ করেন আল্লাহ। আমরা যদি আল্লাহকে একবার ডাকি তিনি শতবার সাড়া দেন, তিনি বলেন- হে আমার প্রিয় সৃষ্টি, আমার খলিফা বলো তুমি কী চাও? তাহলে যুক্তিসঙ্গতভাবেই কি তাঁর হুকুম (আদেশ-নিষেধ) মান্য করা আমাদের উচিত নয়? আমরা যদি তাঁর হুকুম মানার পরিবর্তে তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রু ইবলিসের হুকুম মান্য করি তবে সেটা কেমন হবে?
আমাদের স্রষ্টা মহান আল্লাহ চান তাঁর প্রিয় সৃষ্টি মানুষ যেন অন্যায়, অবিচার, অশান্তির মধ্যে পতিত না হয়। তারা যেন সুখ-শান্তির মধ্যে বসবাস করতে পারে। মানুষের জন্যই তিনি এই পৃথিবীকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সজ্জিত করেছেন আর নিয়ামত স্বরূপ দিয়েছেন আলো, পানি, বাতাস, বৃক্ষরাজি, তরুলতা, পাহাড়-পর্বত, সমুদ্র, নদী, পশু-পাখি, ফুল-ফল, শস্য ইত্যাদি। মানুষের স্বাভাবিক প্রয়োজনীয় সমস্ত কিছু দেওয়ার পর এই পৃথিবীকে ন্যায়, সুবিচার, শান্তি ও শৃঙ্খলার মধ্যে রাখার দায়িত্ব আল্লাহ পাক এই মানুষকেই দিলেন। মানুষকে আল্লাহ বানালেন তার প্রতিনিধি, খলিফা। (সুরা বাকারা- ৩০)। কিন্তু এই পৃথিবী পরিচালিত হবে কীভাবে? কোন নীতি অনুসরণ করে চললে অন্যায়, অবিচার, অশান্তি হবে না? পৃথিবী পরিচালনার বিধান কী হবে? মানবসমাজ পরিচালনার বিধান কি মানুষ নিজেই তৈরি করে নেবে, নাকি আল্লাহ পাক এই পৃথিবী পরিচালনার জন্য মানুষকে একটি নিখুঁৎ বিধান দিবেন? এ কথা সকল যুক্তির ঊর্ধ্বে যে, কোনো জিনিসের স্রষ্টাই ঐ জিনিসের ন্যায়সঙ্গত বিধাতা। কারণ যিনি সেটা সৃষ্টি করেছেন তার চেয়ে ঐ জিনিসের রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যবহার, পরিচালনা-পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালোভাবে জানা আর কারও পক্ষে সম্ভব নয়। এইজন্য তিনি একটি জীবনবিধান পাঠিয়েছেন। আল্লাহর প্রদত্ত এই জীবনব্যবস্থারই নাম হচ্ছে দীনুল হক বা সত্য দীন অর্থাৎ ইসলাম। ইসলামের সর্বশেষ সংস্করণ আল্লাহ পাঠিয়েছেন তাঁর সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মোহাম্মদ (সা.) এর মাধ্যমে। আল্লাহ তাঁকে এই দীনটি সমগ্র পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব অর্পণ করেন। তাঁকে এই দায়িত্ব অর্পণের পর ধারণাগতভাবে এই পৃথিবীতে প্রচলিত সকল জীবনব্যবস্থা, বিধি-বিধান মানবজাতির ন্যায়সঙ্গত বিধাতা আল্লাহ কর্তৃক বাজেয়াপ্ত ঘোষিত হয় এবং রসুলাল্লাহ হয়ে গেলেন পৃথিবীতে তখন আল্লাহ’র পক্ষ থেকে একমাত্র বৈধ কর্তৃপক্ষ। এজন্যই আল্লাহ তাঁর রসুলকে বলেছেন এই ঘোষণা দেওয়ার জন্য যে, ‘হে মানবজাতি, আমি তোমাদের সকলের জন্য আল্লাহর রসুল’ (সুরা আরাফ ১৫৮)। যেহেতু এই সৃষ্টি জগতের স্রষ্টা ও মালিক (রাজা) আল্লাহ, কাজেই এখানে স্রষ্টা ও মালিকের বিধানই কার্যকরী থাকবে এটাই স্বাভাবিক। যখনই মানুষ আল্লাহর বিধান প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের মনমতো চলবে, নিজেদের তৈরি করা বিধান দিয়ে সমাজ, রাষ্ট্র পরিচালনা করবে তখনই অন্যায়-অবিচার-অশান্তি সৃষ্টি হবে। যেমন আজ পৃথিবীব্যাপী হচ্ছে। তাহলে আপনার সামনে যদি দু’টি হুকুম থাকে যার মধ্যে একটি মান্য করলে শান্তি আর অন্যটি মান্য করলে অশান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে তবে যুক্তিসঙ্গতভাবে আপনি কোনটা মানবেন?
এত অকাট্য যুক্তি থাকা সত্তে¡ও যদি মানুষ আল্লাহর হুকুম মান্য না করে ইবলিসের হুকুম মান্য করতে থাকে তবে সমগ্র পৃথিবী অশান্তির অগ্নিগোলকে পরিণত হবে এবং এক সময় সমগ্র মানবজাতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে। তাই আল্লাহ মানুষকে তাঁর হুকুমের উপর নিয়ে আসার জন্য যুগে যুগে নবী-রসুল, পথ-প্রদর্শক পাঠিয়েছেন। এতদাসত্তে¡ও যারা আল্লাহর হুকুম না মেনে ইবলিসের হুকুম মানতে থাকবে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম।
মানুষের প্রতি মানুষের স্রষ্টা, প্রভু ও বিধাতা আল্লাহর কথা, ‘তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, তাঁর রসুলের আনুগত্য করো এবং আনুগত্য করো তোমাদের আদেশকারীর (আমীর)’ (সুরা নিসা ৫৯)। তাহলে, “তিনি তোমাদের আমল-আচরণ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য অর্জন করবে (সুরা আহযাব ৭১)”।
দ্বিতীয়ত আল্লাহ বলেন, “সৃষ্টি যার বিধান তার (সুরা আরাফ-৫৪)।” অতএব যারা আল্লাহর সৃষ্টি পৃথিবীতে বসবাস করে আল্লাহকে বিধাতা মানতে চায় না, তাদের প্রতি আল্লাহর কথা, “নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করো যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায় (সুরা রহমান ৩৩)। প্রভুর এই ঘোষণা মোতাবেক পৃথিবীতে আল্লাহ ছাড়া আর কারও বিধান বৈধ নয়। যেহেতু আল্লাহই সকলকে সৃষ্টি করে তাদের আহার, বাসস্থান, আলো, পানি, বায়ু সমস্তকিছু নিরন্তরভাবে যোগান দিয়ে যাচ্ছেন, তাই এখানে তিনি ছাড়া আর কারও বিধান বৈধ হতে পারে না। যারা অন্য কোন বিধান দিয়ে পৃথিবী চালাতে চায় তাদের উচিত নিজেরা একটি অনুরূপ নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করা, সেখানে মানবজাতির বিকাশ ঘটানো এবং তাদের লালন পালনের যাবতীয় বন্দোবস্ত করা, আলো, পানি, বায়ু, খাদ্য সরবরাহ করা, অতঃপর তাদের বিধাতা হিসাবে নিজেদের তৈরি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি দিয়ে তাদেরকে শাসন করা। এখানে যারা আল্লাহর হুকুম দিয়ে শাসন করবে না তারা আল্লাহর ভাষায় কাফের জালেম ও ফাসেক অর্থাৎ হুকুম অস্বীকারকারী, অন্যায়কারী, অবাধ্য (সুরা মায়েদা ৪৪, ৪৫, ৪৭)। একজন প্রতাপশালী সম্রাট তার হুকুম অমান্যকারী, অবাধ্য প্রজাদের বেলায় যে কাজটি করে থাকেন আল্লাহও সেটাই করবেন, সেটা হচ্ছে তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া। এটাই আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি যখন কোন জনপদ ধ্বংস করতে চাই তখন তার সমৃদ্ধশালী ব্যক্তিদেরকে সৎকর্ম (আল্লাহর বিধান মানা) করতে আদেশ করি, কিন্তু তারা সেখানে অসৎকর্ম (আল্লাহর বিধান অমান্য করা) করে; অতঃপর ঐ জনপদের প্রতি দণ্ড ন্যায়সঙ্গত হয়ে যায় এবং আমি সেটা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করি (সুরা বনী এসরাঈল ১৬)।
যারা বলে যে, ‘না। আমরা স্রষ্টার বিধান মানবো না’, স্রষ্টার ঘোষণা (সুরা রহমান ৩৩) মোতাবেক তাদের উচিত হবে এই পৃথিবীর অনুরূপ আরেকটি গ্রহ এবং আরেকটি মানবজাতি সৃষ্টি করে সেখানে গিয়ে তাদের তৈরি সব জীবনব্যবস্থা, আইন-কানুন, তন্ত্রমন্ত্র, মতবাদ ইত্যাদি কায়েম করা। এই সব তন্ত্রমন্ত্রের ধারকদের এই পৃথিবী শাসনের অধিকার নেই।
কারণ:
(১) যেহেতু তারা মানুষের স্রষ্টা নয়, একটি অনু পরমাণুরও স্রষ্টা নয়। [তারা কি এমন কাউকে শরীক সাব্যস্ত করে, যে একটি বস্তুও সৃষ্টি করেনি, বরং তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে (সুরা আরাফ ১৯১)। তারা একটি খেজুর বিচীর খোসারও মালিক নয় (সুরা ফাতির ১৩)]
(২) যেহেতু তারা এই সৃষ্টিকে লালন পালন করে না। [আমি তোমাদের জন্যে জীবিকার উপকরণ সৃষ্টি করছি এবং তাদের জন্যেও যাদের অন্নদাতা তোমরা নও।…আমিই জীবনদান করি, মৃত্যুদান করি এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী। (সুরা হেজর ২১-২৪)]
(৩) যেহেতু তারা তাদের তৈরি হুকুম ও বিধান দ্বারা মানবসমাজে আজ পর্যন্ত শান্তি আনতে পারে নি। বরং তাদের তৈরি বিধানগুলিই সকল অন্যায় ও অশান্তির কারণ। [তাদেরকে যখন বলা হয় তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না, তারা বলে, আমরা সংস্কারক মাত্র। সাবধান! তারাই হল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী অথচ তারা তা বুঝছে না।” – সুরা বাকারা (১১-১২), “জলে স্থলে যতো বিপর্যয়, এ সবই মানুষের নিজেদের কর্মের ফল” (সুরা রুম; আয়াত-৪১)।]
তাই বিধান দেওয়ার এখতিয়ার কেবলমাত্র আল্লাহরই (সুরা আহযাব ৪০)। কাজেই আমরা যদি চাই পৃথিবীকে শান্তিপূর্ণ করতে ও পরকালে জান্নাতে যেতে তবে অবশ্যই আল্লাহর হুকুম, বিধান দিয়ে পৃথিবী পরিচালনা করতে হবে, আল্লাহকে হুকুমদাতা হিসাবে মানতে হবে। আল্লাহকে হুকুমদাতা হিসাবে মানাই হলো কলেমার দাবি। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা (ইলাহ) নেই এবং মোহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রসুল। এটা কেবল যিকিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, সার্বিক জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এই কলেমার দিকে, তওহীদের দিকে, আল্লাহর হুকুম তথা সত্য ও ন্যায়ের দিকে আহ্বান করছে হেযবুত তওহীদ। এটাই মানবজাতির মুক্তির পথ।

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 189 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 103 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি #সংবাদ-সম্মেলন