ছাত্র ও যুব সম্মেলন

ছাত্র, তুমি কার হাতিয়ার?

20 Sep, 2026 Admin User 9 ভিউ
ছাত্র, তুমি কার হাতিয়ার?

রাদ উল ইসলাম

মানুষের জানমাল, অধিকার ও মর্যাদা আজ বহুমুখী সংকটে বিপন্ন ও বিপর্যস্ত। এই সংকট থেকে ছাত্রসমাজও বিচ্ছিন্ন নয়। বরং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আজকের ছাত্রদের চিন্তা, চরিত্র ও কর্মের ওপর। তাই তোমার জীবনের লক্ষ্য শুধু নিজের ভবিষ্যৎ কিংবা সুখ-সুবিধা নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। তুমি কেবল ছাত্র নও, তুমি একজন মানুষ, তুমি একজন তরুণ। তোমার তারুণ্যশক্তি কোন কাজে নিয়োজিত করবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনই।

মানুষকে আল্লাহ কেন সৃষ্টি করেছেন?

প্রতিটি জীবকেই বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আহার, নিদ্রা ও বংশবিস্তার করতে হয়। কিন্তু মানুষ অন্য সকল প্রাণীর মতো সাধারণ সৃষ্টি নয়। আল্লাহ মানুষকে তাঁর প্রতিনিধি বা খলিফা হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ যেমন তাঁর অসীম সৃষ্টিজগতকে নিখুঁত নিয়ম ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালনা করেন, তেমনি মানুষের দায়িত্ব হলো আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর দেওয়া নিখুঁত জীবনব্যবস্থার মাধ্যমে মানবজাতিকে শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করা, পৃথিবীতে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রতিটি মানুষের জানমাল, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা।

কিন্তু আজ আমাদের আসল পরিচয় শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে মানুষ শিক্ষিত হচ্ছে, কিন্তু মনুষ্যত্বের দিক দিয়ে বড় হচ্ছে না। সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত মানুষও দেশের কোটি কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করছে, মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে স্বার্থ হাসিল করছে। যে শিক্ষা মানুষকে ডিগ্রি দেয়, কিন্তু ন্যায়-অন্যায়ের বোধ জাগায় না, সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল করে না, সেই শিক্ষা দিয়ে আমরা কীভাবে মানবিক সমাজ গড়ে তুলব?

বিভক্ত শিক্ষাব্যবস্থা - বিভক্ত জাতি

ধরুন, এক পরিবারের তিনটি সন্তান। একজন সাধারণ স্কুলে, একজন মাদ্রাসায়, আরেকজন ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ছে। তারা একই পরিবারের সন্তান, একই দেশের নাগরিক। অথচ তিন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থায় বেড়ে ওঠার কারণে তাদের চরিত্র, রুচি-অভিরুচি, চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি হয়ে যাচ্ছে সম্পূর্ণ আলাদা। একসময় তারা একে অপরকে অবজ্ঞা করছে, মতবিরোধে জড়িয়ে পড়ছে, এমনকি পরস্পরকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখতে শুরু করছে। পুরো জাতিকে যদি একটি বৃহৎ পরিবার হিসেবে কল্পনা করি, তাহলে এই বিভক্তি কীভাবে জাতির ঐক্যকে ধ্বংস করছে তা সহজেই স্পষ্ট হবে।

এই বিভাজন শুধু সাধারণ শিক্ষা, মাদ্রাসা ও ইংলিশ মিডিয়ামের মধ্যে নয়। মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যেও রয়েছে আলিয়া, কওমি, সালাফি বা আহলে হাদিস, ক্যাডেট মাদ্রাসাসহ নানা ধারা ও মত। ফলে একই ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে নানা বিভাজন। একদিকে একটি অংশ শুধু ধর্মীয় জ্ঞান পাচ্ছে, কিন্তু কর্মমুখী ও আধুনিক জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে, কথিত আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একটি অংশ শুধু দুনিয়াবি জ্ঞান ও অর্থ উপার্জনের পেছনে ছুটছে। স্রষ্টা কে, জীবনের উদ্দেশ্য কী, ন্যায়-অন্যায় কী, মানুষের প্রতি দায়িত্ব কী, এসব প্রশ্ন তাদের শিক্ষায় অনুপস্থিত। এই দুই বিপরীতমুখী শিক্ষাব্যবস্থা মানুষকে এক করার বদলে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। জন্ম নিচ্ছে দ্বন্দ্ব, অবিশ্বাস, হিংসা ও বিদ্বেষ। এর পরিণতিতে জাতীয় জীবনেও তৈরি হচ্ছে গভীর সংকট।

বিভাজনের ইতিহাস

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা ভারতবর্ষ দখল করার পর শুধু ভূখণ্ড শাসন করেনি, শিক্ষা ও প্রশাসনের কাঠামোর মধ্য দিয়েও মানুষের চিন্তা ও সমাজব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়েছে। ১৭৮০ সালে কলকাতায় বড়লাট ওয়ারেন হেস্টিংস আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদেরকে জাতীয় জীবনে আল্লাহর হুকুম-বিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামী চেতনা থেকে সরিয়ে ব্রিটিশদের আনুগত্য মেনে নিয়ে ব্যক্তিগত ধর্মচর্চায় ব্যস্ত রাখা এবং সে উদ্দেশ্যে একটি বিকৃত ইসলাম শিক্ষা দেওয়া। ১৪৬ বছর ধরে সেখানে খ্রিষ্টান পণ্ডিতরা তাদের তৈরি সিলেবাসভিত্তিক একটি ইসলাম শিক্ষা দেয়। অন্যদিকে, ব্রিটিশরা তাদের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য একটি কেরানি শ্রেণি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটাল। সেখানে ইংরেজি ভাষা, বিজ্ঞান, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল ও প্রশাসনিক জ্ঞানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলো। ফলে আমাদের সমাজ ধর্মীয় ও দুনিয়াবি শিক্ষায় শিক্ষিত দুটি আলাদা শ্রেণিতে বিভক্ত হয়ে পড়ল।

মানবরচিত ব্যবস্থা কি সংকট সমাধান করতে পেরেছে?

ভারতবর্ষ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা বিদায় নিয়েছে প্রায় আশি বছর আগে। ১৯৪৭ সালের বিভাজনের পর পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয় এবং ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও কেন দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না, বৈষম্য কমছে না? কেন অন্যায়, শোষণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, মব-সহিংসতা ও মানবাধিকার হরণ রোজকার ঘটনায় পরিণত হয়েছে?

এর কারণ হলো, একটি সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নির্ভর করে তার জীবনব্যবস্থা বা সিস্টেমের ওপর। ঔপনিবেশিক যুগের রাজনৈতিক পদ্ধতি, বিচারব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা, আমলাতন্ত্র ও শিক্ষাব্যবস্থা আজও আমাদের সমাজে রয়ে গেছে। এখানে চলছে পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা। ফলে দেশের অধিকাংশ সম্পদ গুটিকয়েক পুঁজিপতির হাতে কুক্ষিগত, আর বাকি মানুষ বেঁচে থাকার ন্যূনতম অর্থ জোগাড় করতে সেই গুটিকয়েক পুঁজিপতির “দাসত্ব” করে যাচ্ছে। সমাজে শুধু অর্থনৈতিক বৈষম্যই চরম আকার ধারণ করেনি, হুমকির মুখে পড়েছে মানুষের জীবন ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার।

বস্তুত, মানুষের তৈরি মতবাদ, তন্ত্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা দিয়ে কখনওই শান্তি আসতে পারে না। কারণ মানুষ স্বার্থ, ক্ষমতার লড়াই ও জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না। তাই মানুষের পক্ষে সকলের জন্য ন্যায়সঙ্গত কোনো ব্যবস্থা প্রণয়ন করা অসম্ভব। এটা সম্ভব শুধু তাঁর পক্ষেই, যিনি এই মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তাই মানুষের জীবনের সব ক্ষেত্র - ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও বিচারব্যবস্থা - আল্লাহর হুকুমের বাইরে রেখে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

মানুষের জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু শাসক বা সরকার পরিবর্তন যথেষ্ট নয়। কারণ সমাজের অশান্তির মূল কারণ মানুষের চিন্তা, চরিত্র, মূল্যবোধ ও জীবনদৃষ্টির মধ্যেও নিহিত। মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের বিশ্বাস ও আদর্শগত পরিবর্তন হওয়াও অপরিহার্য। মানুষের চিন্তা, চরিত্র ও জীবনদৃষ্টির পরিবর্তন না হলে শুধু শাসক বদলালেও সমাজের মৌলিক সমস্যাগুলো থেকেই যায়। আর একটি জাতির চিন্তা ও চরিত্রে এই পরিবর্তন ঘটানোর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে ছাত্রসমাজ।

ছাত্রশক্তি আজ কোথায় যাচ্ছে?

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আমরা দেখেছি, আমাদের ছাত্ররা চাইলে দেশের গতিপথ বদলে দিতে পারে। কিন্তু এই অমিত শক্তি যদি রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হয়, তাহলে ছাত্রদের মেধা ও তারুণ্য ধ্বংস হয়ে যাবে। আমাদের দেশে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারে ছাত্রদের ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, ঈমানী চেতনা ও ইসলামের ভুল ব্যাখ্যাকে কাজে লাগিয়ে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোও তরুণদের সহিংসতার মধ্যে ঠেলে দেয়।

উগ্রবাদীরা যে শুধু মানুষের জানমালের জন্য হুমকি, তা কিন্তু নয়। তারা মানুষের স্বাধীন চিন্তা, সৃজনশীলতা ও শুদ্ধ সংস্কৃতিচর্চার পথেও বাধা সৃষ্টি করে। ধর্মের দোহাই দিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও চিন্তাশীল মানুষকে হুমকি দেওয়া, অনুষ্ঠান বন্ধ করা, ভাস্কর্য ও স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙা কিংবা ভিন্নমতকে দমন করা কোনো সভ্য জাতির কাজ হতে পারে না। একইভাবে ধর্মের নামে নারীদের শিক্ষা ও পেশা গ্রহণ, চলাফেরা বা সামাজিক অংশগ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়ারও কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। কিন্তু উগ্রবাদীরা নারীদের ওপর মনগড়া বিধিনিষেধ আরোপ করে সেগুলোকে ধর্মের নামে চালিয়ে দিতে চায়।

৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের তথ্য-উপাত্তে মব-সহিংসতা, ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক হামলা, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমে হামলার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। এই সময়ে মব-সহিংসতা ও গণপিটুনিতে কমপক্ষে ৪২৭ জন নিহত হয়েছেন। সুফি ও সাধকদের দরগাহে শতাধিক হামলা এবং দুই হাজারের বেশি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, বন্ধ করা হয়েছে দুই শতাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

কিন্তু শুধু মব ঠেকানো বা আইন প্রয়োগ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ যারা উগ্রতায় জড়াচ্ছে, তারা অনেক ক্ষেত্রেই ইসলামের অপব্যাখ্যা দ্বারা প্রভাবিত ও উত্তেজিত। তাদের ওপর বলপ্রয়োগ করলে তাদের উগ্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই তাদের ধর্মীয় অপব্যাখ্যার জবাবে ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। উগ্রবাদের প্রকৃত প্রতিষেধক হলো প্রকৃত ইসলামের শিক্ষাভিত্তিক কাউন্টার ন্যারেটিভ। এই আদর্শিক লড়াই পরিচালনার কাজে ছাত্রসমাজ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরাম কেন?

হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরাম কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন নয়। এটি প্রচলিত ছাত্ররাজনীতির ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় ছাত্রদের নামানোর জন্যও নয়। এর উদ্দেশ্য হলো ছাত্রদের সামনে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরা, তাদের চিন্তার স্বাধীনতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং রাজনৈতিক বা উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হাতিয়ার হওয়া থেকে তাদের রক্ষা করা। একজন ছাত্রকে জানতে হবে - সে শুধু একটি পরিবারের সন্তান বা ভবিষ্যতের চাকরিপ্রার্থী নয়। সে আল্লাহর সৃষ্টি, আল্লাহর খলিফা। তার মেধা ও শক্তির জবাবদিহি তাকে আল্লাহর কাছেই করতে হবে।

ছাত্র, এবার সিদ্ধান্ত তোমার

তোমার সামনে দুটি পথ। একদিকে ক্ষমতার রাজনীতি, দলাদলি, চাঁদাবাজি, সহিংসতা ও মানুষের তৈরি মতবাদের পেছনে ছুটে জীবন ও তারুণ্য নষ্ট করা, অন্যদিকে জ্ঞান, ন্যায়-অন্যায় বোধ এবং মানুষ হিসেবে আল্লাহর দেওয়া দায়িত্বকে বুঝে সেই অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তোলা। তুমি কোনো রাজনৈতিক দল বা উগ্রগোষ্ঠীর হাতিয়ার হয়ো না। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষাকে ধারণ করে উগ্রবাদ, অপরাজনীতি ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও। ইসলামকে ঘৃণা প্রচারকারীদের হাতে ছেড়ে দিও না।

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের বানানো তন্ত্র-মন্ত্রের ভরসায় থেকো না। সরকার পরিবর্তনের অপেক্ষায় থেকো না। সিস্টেম না পাল্টালে সব সরকারই ব্যর্থ হবে। তুমি ফিরে এসো তোমার স্রষ্টার দেওয়া জীবনব্যবস্থার কাছে। এক আল্লাহর হুকুমের ভিত্তিতে সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করো। তোমার মেধা ও তারুণ্যশক্তি শুধু তোমার নিজের জন্য নয়। এই শক্তি দিয়ে ন্যায়, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারো।

তোমার একটি সিদ্ধান্ত পাল্টে দিতে পারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। 

[লেখক: রাদ উল ইসলাম, ছাত্র সংগঠক]

 

ট্যাগসমূহ:

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 0 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 188 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 102 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4