আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

প্রকৃত ইসলামে মসজিদের চিত্র: মসজিদ: পৃথিবীতে আল্লাহর প্রশাসনিক দপ্তর

22 May, 2015 Super Admin 1229 ভিউ
প্রকৃত ইসলামে মসজিদের চিত্র: মসজিদ: পৃথিবীতে আল্লাহর প্রশাসনিক দপ্তর

000রাকিব আল হাসান:

‘মসজিদ’ একটি আরবি শব্দ যার উৎপত্তি ‘সেজদা’ থেকে। সেজদা বোলতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ভূমিতে মাথা ঠেকানোকে বোঝানো হোলেও এর অর্থ আরও ব্যাপক। প্রকৃতপক্ষে সেজদা হোল স্রষ্টার হুকুমসমূহের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের চিহ্ন। আল্লাহ যে বিধি-ব্যবস্থা, নিয়ম-কানুন, আইন-বিধান নির্ধারণ কোরে দিয়েছেন সৃষ্টিকূল যদি তা মেনে নেয় তাহোলে সেটাই হবে স্রষ্টাকে সেজদা করা। গাছ, নদী, চন্দ্র, সূর্য ইত্যাদি সকল সৃষ্টিজগতই আল্লাহ তা’আলার বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কাজ কোরে যাচ্ছে- অর্থাৎ তারা সর্বদাই সেজদাবনত হোয়ে আছে। ঠিক তেমনিভাবে মানবজাতির জন্য স্রষ্টা যে কাজ নির্ধারণ কোরে দিয়েছেন সেই কাজ যখন মানবজাতি কোরবে তখনই কেবল তারা সেজদাবনত হিসেবে গণ্য হবে। সেই কাজ হোল আল্লাহর সত্যদীন দ্বারা পৃথিবীকে পরিচালনা করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যে স্থানটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের সর্বাধিক চর্চা ও পরিচর্যা করার জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট তাই মসজিদ নামে আখ্যায়িত। মসজিদ আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আল্লাহ বলেন- মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য। সুতরাং আল্লাহর সহিত অন্য কাউকে আহ্বান কোরো না (৭২ঃ১৮)। অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের চর্চাকেন্দ্র মসজিদ। এখান থেকে আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের, সার্বভৌমত্বের যাবতীয় কর্মকাণ্ড মানুষ তাঁর খলিফা-প্রতিনিধি হিসাবে পরিচালিত কোরে থাকে।
মদিনায় হেজরতের পর রসুলাল্লাহ সর্বপ্রথম যে কাজটি কোরেছিলেন তাহোল একটি মসজিদ নির্মাণ। তাঁর মদিনা জীবনের প্রতিটি কর্মকাণ্ড ছিলো মসজিদকেন্দ্রিক। উম্মতে মোহাম্মদীর চরিত্র সৃষ্টির প্রশিক্ষণ পাঁচ ওয়াক্ত সালাহ কায়েমের পাশাপাশি মসজিদে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক, সামরিক ও বিচারিক ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হোল। শুধু তাই নয় পরবর্তীতে মসজিদ যাবতীয় বিচার আচার নিষ্পত্তির কেন্দ্র অর্থাৎ বিচারালয়ে পরিণত হোল, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য কেন্দ্রীয় কোষাগারে পরিণত হোল, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে পরামর্শ সভার স্থানে পরিণত হোল। রাজনৈতিক বিষয়াদির মধ্যে বিভিন্ন রাজা বাদশা ও গোত্রপতিদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে দূত প্রেরণ ও বৈদেশিক দূতদের সাক্ষাৎকার প্রদান, তাদের থাকা খাওয়া ইত্যাদির ব্যবস্থাদি সম্পন্ন করার স্থান হিসাবে মসজিদ এক দূতাবাসে ও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে পরিণত হোল। আবার সামরিক বিষয়াদির আলোচনা, সিদ্ধান্ত, যুদ্ধ সামগ্রী-তলোয়ার, বল্লম, তীর, নেজা ইত্যাদির মজুদাগার হিসাবেও ব্যবহৃত হোত। যতদিন প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠিত ছিলো ততোদিন মোসলেম জাতির জাতীয় কার্যাবলীর সাথে এভাবে মসজিদ ওতোপ্রোতভাবে জাড়িয়ে ছিলো।
অতঃপর কালের বিবর্তনে দীন নিয়ে অতিব্যাখ্যা-অপব্যাখ্যা, দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং জাতির নেতৃত্বের পথভ্রষ্টতার ফলে মসজিদ তার কার্যকারিতা হারাতে শুরু করে। জাতির ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদ। অথচ আমাদের সমাজে অনৈক্য, ঝগড়া বিবাদের রেশ ধোরে, অপরের জমি দখল কোরে বহু মসজিদ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানের মসজিদগুলির সঙ্গে প্রকৃত ইসলামের মসজিদসমূহের যে পার্থক্য সুস্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয় তার কয়েকটি আমরা উল্লেখ কোরলাম।
১. মসজিদের প্রাণ: জাতির প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয়, প্রাণপ্রাচুর্যপূণ কর্মমুখর মসিজদ বর্তমানে প্রাণহীন উপাসনালয়মাত্র, জাতীয় কর্মকাণ্ডের সাথে এর এখন কোন সম্পর্ক নেই, এখন সেখানে নোটিশ ঝোলানো হয় ‘মসজিদে দুনিয়াবি কথা বলা হারাম’।
২. প্রকৃত ইসলামে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে যাকাত ফেতরা উসর ইত্যাদি জনগণের মাঝে মসজিদ থেকে বণ্টন করা হতো। আর আজ যাকাত ফেৎরা ইত্যাদি বিভিন্ন রকম দান খয়রাত এমাম মোয়াজ্জেনের বেতন-ভাতাসহ মসজিদের নানাবিধ উন্নয়নের কথা বোলে জনগণ থেকে অর্থ গ্রহণ করা হয়। এমনকি মসজিদের এমাম সাহেব ও তার সহকারীরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে, মাইকে করুণ সুরে ওয়াজ কোরে, হাত পেতে মসজিদের জন্য ভিক্ষা করেন।
৩. প্রকৃত ইসলামে মসজিদই ছিলো রাষ্ট্রীয় বিচারালয়। অথচ এখন চুরির ভয়ে সেখানকার দরজা তালাবন্ধ কোরে রাখা হয়। নামাজের সময় নোংরা জুতাজোড়া সেজদার জায়গায় রাখতে হয়।
৪. মেহরাব: প্রকৃত ইসলামের যুগে মসজিদের মেহরাবে যুদ্ধ সরঞ্জাম- তীর ধনুক নেজা বল্লম তলোয়ার ইত্যাদি রাখা হত। আজও কেবলা নির্দেশক হিসাবে এবং পুরাতন ঐতিহ্য রক্ষার জন্য মেহরাব নির্মাণ করা হয়। কিন্তু উম্মতে মোহাম্মদীর সেই যোদ্ধা জীবনও নেই, যুদ্ধাস্ত্ররও কোন প্রয়োজন হয় না। তাই আজ মেহরাবে রাখা হয় মসজিদের চাটাই, দেয়াশলাই মোমবাতি আর এমাম সাহেবের কফ- থুতু ফেলার পিকদানী।
৫. মসজিদের এমাম: প্রকৃত ইসলামে প্রধান মসজিদের সালাতের এমাম হতেন আল্লাহর তা’আলার সার্বভৌমত্বের প্রতিনিধিত্বকারী, যিনি জাতির এমাম কর্তৃক নিয়োজিত। বর্তমানে একজন বেতনভুক্ত লোককে নিয়োগ দেওয়া হয় এমামতি তথা নামাজ পড়ানোর জন্য, সেই কর্মচারীকেই এমাম বোলে ডাকা হয়। এই ধর্মজীবীরা প্রায়ই হাদিস বর্ণনা করেন, এবাদত কবুলের পূর্বশর্ত হোচ্ছে হালাল রুজি। অথচ তাদের নিজেদের রুজি কেবল হারামই নয়, আল্লাহর ভাষায় দীনের কাজ কোরে পার্থিব বিনিময় গ্রহণকারী আগুন ছাড়া কিছুই খায় না (২ঃ১৭৪)।
৬. নারীদের অংশগ্রহণ: মহানবীর সময়ে মসজিদে নববীতে নারী পুরুষ একই সঙ্গে মহানবীর পেছনে সালাহ কায়েম কোরতেন। আজকের বিকৃত ইসলামের সমাজে মহিলাদের মসজিদে যাওয়াকে এতটাই নিরুৎসাহিত করা হয় যে কার্যত মসজিদে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই।
৭. খোতবা: প্রকৃত ইসলাম যখন ছিলো তখন প্রতি শুক্রবার সামাজিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উদ্ভূত সমস্যাদি সম্পর্কে ও তার সমাধানমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণকে অবহিত করা হতো। বক্তব্য হতো জাতির জন্য দিক-নির্দেশনামূলক। বর্তমানে এসবের কোন বালাই নেই। খোতবার বিষয়টি যেহেতু বাদ দেয়া যাচ্ছে না, তাই প্রতি শুক্রবার জুমা সালাতের পূর্বে বই দেখে অন্তত ৫০০ বছর পূর্বের তৈরি করা গতবাঁধা কিছু দোয়া কালাম পাঠ করা হয়, আরবী ভাষাভাষীরা এর কিছু বুঝে থাকতে পারলেও অনাবর মুসুল্লিদের মধ্যে অধিকাংশই মর্মার্থ বুঝতে না পেরে তন্দ্রাচ্ছন্ন হোয়ে পড়েন ও ঝিমোতে থাকেন।
৮. মিনার ও আজান: সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর-এ ঘোষণার এক স্থাপত্য প্রতীক হোচ্ছে সুউচ্চ মিনার। এ মিনার থেকে দৈনিক পাঁচবার আজানের মাধ্যমে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ঘোষণাও করা হয়। প্রকৃত ইসলামের সময়ে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও জাতীয় অঙ্গন সর্বত্র এক আল্লাহর সার্বভৌমত্বের বাস্তবায়ন ছিলো। আজও আযানে ‘আশহাদু আল্লাহ এলাহা এল্লা আল্লাহ’ আল্লাহ ব্যতীত এলাহ-আইন বিধান দাতা, সার্বভৌমত্বের মালিক নাই বোলে সাক্ষ্য দেওয়া হয় কিন্তু বাস্তবে সার্বভৌমত্ব মানুষের হাতে। যারা আজানের এ ঘোষণা শুনে উত্তর দিচ্ছেন, সালাহ কায়েম কোরতে ছুটে আসছেন তারা ব্যক্তিগতভাবে আল্লাহকে মাবুদ হিসাবে মেনে নিলেও পারিবারিক সামাজিক রাষ্ট্রীয় আইন কানুন অর্থনীতি দণ্ডবিধি ইত্যাদিতে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব মানছেন না। এ সকল ক্ষেত্রে তারা মানুষের তৈরি বিধি ব্যবস্থা গ্রহণ কোরে মোশরেক (অংশীবাদী) এবং কাফেরে (অস্বীকারকারী) পরিণত হোয়ে আছেন। তাদের এই মারাত্মক ভুল ভাঙ্গিয়ে দেওয়ার জন্যই এই লেখা। এতে যদি তারা সংশোধিত না হন, ওপারে গিয়ে তারা অবশ্যই তাদের ভুল বুঝতে পারবেন। তখন কি শোধরানোর কোন সুযোগ থাকবে?

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1652 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 189 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 103 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 25 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 61 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি #সংবাদ-সম্মেলন