অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি

জনতার প্রশ্ন – আমাদের উত্তর

03 Mar, 2023 Super Admin 792 ভিউ
জনতার প্রশ্ন – আমাদের উত্তর

হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যমের নীরবতার কারণ কী ?

প্রশ্ন: মাননীয় এমাম, আমার কাছে অনেকেই প্রশ্ন করে, হেযবুত তওহীদকে মাঠে ময়দানে কাজ করতে দেখি। লক্ষ লক্ষ জনসচেতনমূলক অনুষ্ঠান আপনারা দেশজুড়ে করে থাকেন। কিন্ত গণমাধ্যমে এসবের সংবাদ আমরা পাই না কেন?

উত্তর: প্রশ্নটা এ সময়ের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সারা দেশে আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মব্যবসা, মাদকব্যবসা ইত্যাদির বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ সভা, সমাবেশ, র‌্যালি, সেমিনার করে যাচ্ছি। কিন্ত আমাদের জাতির পক্ষে এমন নিঃস্বার্থ ও কল্যাণমূলক কাজের সেরকম প্রচারণা আমরা পাই না কেন?

এই ‘কেন’-র কতগুলো কারণ আছে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, দুঃখজনক হলেও সত্য গত ২৬ বছর থেকে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে একশ্রেণির ইসলামবিদ্বেষী গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়েছে যে হেযবুত তওহীদ জঙ্গি, সন্ত্রাসী, নিষিদ্ধ ইত্যাদি। এসব দেখে সাধারণ মানুষ প্রভাবিত হয়েছে এমনকি প্রশাসনের অনেকেও প্রভাবিত হয়েছেন। প্রভাবিত হয়ে আমাদের হাজার হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে। আরেকটি বিষয় হল আমাদের গণমাধ্যমগুলি দুঃখজনকভাবে তাদেরকে অনুসরণ করছে যারা দুনিয়াকে কন্ট্রোল করে। দুনিয়ার বড় বড় মিডিয়াগুলো দুনিয়ার মানুষরা কী ভাববে, কী চিন্তা করবে সেই চিন্তাশক্তি পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে। আপনারা জানেন বিশ্বের বড় বড় মিডিয়াগুলোর কী অবস্থা? মিডিয়ামোগলেরাই ঠিক করেন যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কে হবে, কার নামে কোন কেলেঙ্কারি হবে ইত্যাদি। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, হল্যান্ড এসব দেশের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন কীভাবে হবে, কীভাবে ঘটবে, রাশিয়াতে কী হবে, ইন্ডিয়াতে কী হবে, আরবে কী হবে, উন্নয়নশীল দেশে কী হবে ইত্যাদি সমস্তকিছুর রোডম্যাপ নির্ধারণ করে এ সমস্ত মিডিয়াগুলি।

বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ মিডিয়াই ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণে। তারা এককভাবে ইসলামকে টার্গেট করেছে। তারা দেখল যে সমস্ত তন্ত্রমন্ত্র ব্যবস্থা যখন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে, পুঁজিবাদী গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে, সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে, রাজতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। এই মুহূর্তে একটাই সভ্যতা বা আদর্শ রয়েছে যেটাকে কেন্দ্র করে জাগরণ সৃষ্টি করা হতে পারে। সেটা হচ্ছে ইসলাম। যেহেতু ইসলাম দিয়ে একসময় শান্তিপূর্ণ সমাজ কায়েম করা হয়েছে এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ সেই অনাবিল শান্তিময় পরিবেশ ও সমৃদ্ধ সভ্যতাকে লালন করেছে। সে ইতিহাস মানুষ বিস্মৃত হয় নি। মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমানী চেতনা আবার তাদেরকে অপমান-লাঞ্ছনাময় জীবন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা যোগাতে পারে। মানুষ আবারো ইসলামের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে পারে। সেটা করলে ইহুদি-খ্রিষ্টানদের কায়েম করে রাখা এই স্বার্থবাদী ব্যবস্থা, শোষণমূলক ব্যবস্থা আর টিকবে না। তারা টার্গেট করল ইসলামকে। তারা মিডিয়াগুলোকে ব্যবহার করে প্রচার করতে লাগল যে ইসলাম খারাপ, ইসলাম সন্ত্রাসের ধর্ম। মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী। ইসলামের নামে যত দল আছে সবগুলো এক, প্রত্যেকের গোড়া এক। তারা সকালবেলা আলাদা হলেও দিনের শেষে এক। তারা সন্ত্রাসী করবে, জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড করবে। তারা আবার আমাদেরকে সেই ১৪শ বছর পেছনে নিয়ে যাবে। আমরা কাজ করতে গিয়ে বহু প্রশাসনিক কর্মকর্তার মুখে একথা শুনেছি যে, “ঐ হিজবুত তাহরীর আর হেযবুত তওহীদ একই, সব এক”। কিন্তু এই কথার আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমি ঘৃণা করি এ কথাকে। ন্যায় অন্যায়, ডান বাম এক হতে পারে না, এক নয়। আমরা ইসলাম চাই, তারাও ইসলাম চায়। মানলাম একটা জঙ্গিবাদী দলও নামাজ পড়ে আমরাও নামাজ পড়ি, তারা আল্লাহ বিশ্বাস করে আমরাও করি, তারাও যে কোর’আনের আয়াতের কথা বলে আমরাও তাও বলি। এই কারণে আপনারা বলছেন ও-ই সব একই? তাহলে আমি বলব, আমাদের দেশে একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন নাম আব্দুর রহমান। আবার একজন জঙ্গি নেতাও ছিলেন যার নাম শায়েখ আব্দুর রহমান। তাহলে দুজনেই কি এক? আমার নামে ফেসবুকে একটি আইডি থেকে ভীষণভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল, আমি ঢাকার উত্তরা থানায় গেলাম জিডি করতে। থানা কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট সহযোগিতা করেছিলেন। আসার সময় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলছিলেন, “এমাম সাহেব, নামে নামে যমে টানে। নামটা বাদ দিলেই তো হয়। এই নামটার কারণেই তো আপনাদের ওপর এত হয়রানি, এত সন্দেহ। এই নাম না থাকলেও তো হতো।” আমি বললাম, প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান আর শায়েখ আব্দুর রহমান কি এক হলো? কোনটা ভাল, কোনটা মন্দ, কোনটা ন্যায়-অন্যায়, কোনটা সত্য-মিথ্যা এগুলো দেখার দায়িত্বই তো সরকারের, আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর, মিডিয়ার সবার।

‘সব এক’ এই অন্ধত্বের নীতিকে ধারণ করায় আমাদের দেশের মিডিয়াগুলো মনে করে হেযবুত তওহীদও খারাপ, হেযবুত তওহীদকে প্রমোট করব না, তাদের কোনো ভাল কাজই আমলযোগ্য নয়। তারা ওঁৎ পেতে বসে থাকে হেযবুত তওহীদের কোনো খারাপ কাজ আছে কিনা তা প্রচার করার জন্য, ওটা সঙ্গে সঙ্গে প্রচার হয়ে যায়। আপনারা জানেন নোয়াখালির সেই পৈশাচিক ঘটনার প্রতিবাদে আমরা সারা বাংলাদেশে সংবাদ সম্মেলন করেছিলাম কিন্তু একটি খবর পর্যন্ত তারা প্রচার করে নাই। আমি অবাক হলাম পাবনার একটি ঘটনায়। পাবনাতে একটি থানায় ওসি সাহেব অনুরোধ করলেন যে, আপনারা সংবাদ সম্মেলনটা এখানে না করে সদরে করেন। এখানে আপনাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী তাই একটু অসুবিধা আছে, তারা আপনাদের ক্ষতি করতে পারে। তাই আমি বললাম ঠিক আছে। তোমরা ওসি সাহেবের এই অনুরোধ রাখ, সদরে করো। সাংবাদিকদেরকে দাওয়াত দাও। পরের দিন পত্রিকায় পড়লাম; পত্রিকায় বড় করে হেডলাইন ‘পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে গিয়েছে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন’। কী গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ! এমন সংবাদ পেলেই মিডিয়া প্রচার করতে সদাপ্রস্তুত। তাদের প্রয়োজন নেগেটিভ সংবাদ। দেশের জন্য, মানুষের জন্য জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমরা জনসভা করলেও সেটা তাদের নজরে আসে না। কীরকম একচোখা বিচার করুন।

সুনামগঞ্জে একলোক হেযবুত তওহীদে যোগ দিয়েছে। সে মানুষের কাছ থেকে টাকাপয়সা ঋণ করে আমি শুনেছি, মানুষ তার নামে বদনাম করে। আমি বলেছি ওকে হেযবুত তওহীদ থেকে বের করে দাও, যদি এভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে তাহলে ও হেযবুত তওহীদের কেউ নয়। সে অনেক তওবা করে বলেছে, “আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমি অন্যায় করেছি, আর মানুষের কাছ থেকে এভাবে টাকা নেব না।” আমি বলেছি যদি ভাল হও তবে থাকো। তার ব্যক্তিগত লেনদেনের ঝামেলার কারণে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। এটা স্বাভাবিক ঘটনা নয় কি? যে কোনো দলেই এ ধরনের লোক থাকতে পারে, তাদের এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। আশ্চর্যের বিষয়, পত্রিকায় হেডলাইন করা হয়েছে, ‘হেযবুত তওহীদের সদস্য গ্রেফতার’। এখানে হেযবুত তওহীদের সদস্য গ্রেফতারের প্রসঙ্গ কেন আসলো? সেকি হেযবুত তওহীদের প্রচারকাজ করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছে? সুনামগঞ্জের হেন পত্রিকা নেই যেখানে এ সংবাদ আসে নি। জাতীয় পত্রিকাতেও এসেছে হয়ত। এই হচ্ছে বিষয়।

তবে মিডিয়ার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনেকটাই পাল্টানো শুরু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্। আমাদের গণমাধ্যমগুলোর যারা ইতিমধ্যেই ভুল ধারণা থেকে মুক্ত হয়েছেন আমি তাদেরকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই। আমি তাদেরকে বলবো আপনারা ওই ধর্মব্যবসায়ী কূপমণ্ডূকদের অপপ্রচারে প্রভাবিত হবেন না, আর ইসলামবিদ্বেষী কিছু শয়তান আছে তাদের অপপ্রচারেও প্রভাবিত হবেন না। হেযবুত তওহীদ একটি ন্যয়সঙ্গত আন্দোলন, মানবতার কল্যাণকামী আন্দোলন। কাজেই হেযবুত তওহীদকে প্রত্যক্ষভাবে জানুন, বুঝুন। যে পরিমাণ সভা সমাবেশ আমরা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে করছি এ এক বিস্ময়কর ব্যাপার। সরকার মহোদয় কয় হাজার কোটি টাকা দিয়ে বেসরকারিভাবে এরকম কাজ করাতে পারতেন? কিন্তু আমরা আমাদের মেয়েদের সোনা দানা বিক্রি করে, ভাইদের রক্ত পানি করে সেই অর্থ দিয়ে নিজেরা কষ্ট করে জাতির জন্য এ কাজ করেছি। এটা যদি প্রচারিত হতো, জাতির এক বিরাট কল্যাণ হতো। এটা গণমাধ্যমগুলো যত দ্রুত এ কথাটি বুঝতে পারবেন ততই মঙ্গল।

ট্যাগসমূহ:

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 188 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 102 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি #সংবাদ-সম্মেলন