আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

প্রচলিত গণতন্ত্রের সীমাবদ্ধতা ও ইসলামের শাশ্বত সমাধান

28 Mar, 2026 Super Admin 1218 ভিউ
প্রচলিত গণতন্ত্রের সীমাবদ্ধতা ও ইসলামের শাশ্বত সমাধান

ইমন হাসান দুর্জয়:
বতর্মান বিশ্বে এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। একদিকে যেমন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জয়জয়কার, ঠিক অন্যদিকে মানবিকতা ও মানবতা ভূলুণ্ঠিত। গোটা মানবজাতি আজ শান্তি ও নিরাপত্তার অভাবে ত্রাহি সুরে চেচাচ্ছে। আধুনিক বিশ্বের সবথেকে সমাদৃত জীবনব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’ মানবজাতিকে শান্তি, নিরাপত্তা ও সুবিচার তথা মুক্তি দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাহলে কি জীবনব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্র ব্যর্থ? যদি গণতন্ত্র আমাদের তথা মানবজাতিকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয় তবে এর বিকল্প কোন জীবনব্যবস্থা রয়েছে যার মধ্যমে আমরা সত্যিকার অর্থেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারব? একমাত্র ইসলাম হচ্ছে সে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা যার মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। ইতিহাস সাক্ষী, প্রকৃত ইসলামের মাধ্যমে তৎকালীন আরবে যে শান্তি, ন্যায় ও সুচিবার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল তা যে ধূ ধূ বালিকণার মধ্যে সবুজ উদ্যান তৈরি হওয়ার মত- অনাবিল শান্তির এক স্থান। তাই মানবজাতির মুক্তির একমাত্র পথ এখন শুধুমাত্র ইসলাম।

যদি দুটি ব্যবস্থার মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখা যাবে প্রচলিত গণতন্ত্র আমাদের সবদিক থেকে বঞ্চিত করে এসেছে। যেমন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো ‘জনগণের শাসন’ যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতকে প্রাধান্য দেয়া হয়। এখানে একজন বিজ্ঞ জ্ঞানী ও মূর্খ উভয়য়ে মতামতকে একই পাল্লায় মাপা হয়, যা স্পষ্টতই এক অযৌক্তিক আচরণ। এখানে ন্যায়সংগত কথার থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠের কথাকে প্রাধান্য দেয়া হয় বলে এ ব্যবস্থায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা বেশ কষ্টসাধ্য। কারণ ন্যায়-অন্যায়ের মাপকাঠি এখানে সংখ্যার আধিপত্য, শাশ্বত কোনো নীতি নয়। যেখানে ইসলামে ন্যায় ও অন্যায়ের মাপকাঠি নির্দিষ্ট। আল্লাহর হুকুমসমূহ, পবিত্র আল কোর’আন, ন্যায় ও নীতির মূল ভিত্তি। তাই গণতন্ত্রের মত এখানে সংখ্যাকে নয়, বরং সত্যিকার অর্থেই শাশ্বত সে সত্ত্বাকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক বলে বিবেচনা করা হয় যিনি একইসাথে ন্যায়বান ও পরম দয়ালু। তাই গণতন্ত্রের তুলনায় ইসলাম অধিক আধুনিক ও যুক্তিযুক্ত।

এছাড়াও প্রচলিত গণতন্ত্রে নৈতিক সংকট এর চিত্র বহুলভাবে দেখা যায়। প্রচলিত গণতন্ত্রে ‘জবাবদিহিতা’ জনগণের উপর ন্যস্ত থাকে। কিন্তু এত বিশাল জনগোষ্ঠী যার প্রায় সবাই নিজেদের পরিবার-পরিজন ও জীবিকা নির্বাহে ব্যস্ত তাদের পক্ষে এ জবাবদিহিতার বিষয়টি খেয়াল রাখা সম্ভব না এবং তা যৌক্তিকও নয়। কিন্তু ইসলামে ‘জবাবদিহিতা’র বিষয়টি স্বয়ং মহান আল্লাহর হাতে। ইসলামী ব্যবস্থায় আমির বা নেতা মহান আল্লাহ কাছে দায়বদ্ধ তাই তিনি চাইলেও অন্যায় করতে পারেন না। পরকালের ভয় ও ইহকালে অপমানিত হওয়ার শঙ্কা তাকে নৈতিকভাবে দৃঢ় রাখে। তিনি একদিকে যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার তেমনি ন্যায় ও হকের কাছে নতশীর। তাই গণতন্ত্রের তুলনায় প্রকৃত ইসলামের আদর্শ উত্তম নেতা তৈরি করতে পারে ও জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারে।

তাছাড়া গণতন্ত্র নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও শুধু জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দেয়। কিন্তু একজন নেতা হওয়ার জন্য যে সকল যোগ্যতা প্রয়োজন সেগুলোকে খুব একটা যাচাই করা হয় না। নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে প্রয়োজন হয় সে এলাকার মানুষের সমর্থন বা স্বাক্ষর। এর ফলে যারা প্রভাবশালী তারাই নেতৃত্বের দিকে এগিয়ে তাকে কিন্তু অন্যদিকে জাতি যোগ্য নেতৃত্বের সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হয়। কিন্তু ইসলাম যোগ্য নেতৃত্বকে সমর্থন করেন। জনগণ অবশ্যই তার নেতা নির্বাচনের অধিকার রাখে আর ইসলাম তা পূর্ণ মাত্রায় সমর্থন করে। কিন্তু ইসলাম সবাইকে নেতা হওয়ার সুযোগ দেয় এবং এরই সাথে দায়িত্ব সম্পর্কেও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে। ইসলামের স্বর্ণযুগের ইতিহাসে এ নৈতিকতা উদাহরণের অভাব নেই।

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.) এর একটি কথা আমার এ কথার প্রতিধ্বণিস্বরুপ উল্লেখ করছি। তিনি বলেছিলেন, “ ফোরাত নদীন তীরে যদি একটি কুকুরও না খেয়ে মরে তবে আমি ওমর এ জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য।”- এমন কোনো কথা কী আজ পর্যন্ত প্রচলিত ধারার গণতান্ত্রিক রাজনীতির কোনো নেতা বলতে পেরেছেন? আর তার এ উক্তি শুধুমাত্র বর্তমানে প্রচলিত ধারার গণতান্ত্রিক রাজনীতিক দলগুলোর নেতাদের মত অযৌক্তিক আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়। বরং এটিই ছিল তাঁর শাসনের মূল ভিত্তি। আজকের প্রচলিত ধারার দুর্নীতিগ্রস্থ নেতারা যখন জনগণের থেকে প্রাপ্ত করের টাকায় জনকল্যাণের বদলে বিলাসিতায় মত্ত থাকেন তখন ইসলামের উজ্জ্বল নক্ষত্র তৎকালীন অর্ধেক বিশ্বের খলিফা বা শাসক হযরত ওমর (রা.) সাধারণ মানুষের মত জীবনযাপন করতে। দায়িত্বের প্রতি সবসময় সজাগ থাকার ফলে তিনি রাতের আঁধারে ছদ্মবেশে মানুষদের অভাব অনটন জানা ও তা দূর করার জন্য বের হতেন। এ শিক্ষা একমাত্র ইসলাম থেকেই সম্ভব, আর কোনো জীবনব্যবস্থাই কোনো মানুষের এ ধরনের গুণাবলী অর্জনের বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত করতে পারবে না।

এছাড়াও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার রাজনীতিক স্বাধীনতার নামে রাজনীতিকর দলাদলি আর একটি বড় সমস্যা। এরফলে রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার আগে তাদের মতভেদ দিয়ে জাতিকে বিভক্ত করে ফেলে। বিভিন্ন ধরনের দলের কারণে সৃষ্ট এ অনৈক্য শুধু যে একটি দেশের উন্নতি ও প্রগতির পথেই বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাই নয়, বরং এরই সাথে সাথে তা ভয়ংকর বিবাদ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামারও জন্ম দেয়। এছাড়া পাঁচ বছরের জন্য একটি দল ক্ষমতায় গেলে তাকে নামানোর জন্য অন্যান্যদলগুলো আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে। এর ফলে পাঁচ বছরে জনগণের যে উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল তা ব্যহত হয় এবং সরকারি দল তার ক্ষমতার পাঁচবছর বিরোধীদলকে সামাল দিতেই ব্যস্ত থাকে।

কিন্তু ইসলামের এ ধরনের বিভেদ সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই। ইসলামে জনগণ যখন তাদের সিদ্ধান্ত অনুসারে নেতা নির্বাচিত করবে তার পর সে নেতার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা ফরজ। ইসলামে গ্রুপিং করে বা আলাদা দলকে সে নেতার পিছনে উঠে-পড়ে লাগার কোনো সুযোগ নেই। নেতা যদি জনগণের প্রত্যাশা তথা ন্যায়, শান্তি ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হন তখন তিনি দার্য়িত্ব হস্তান্তর করবেন। প্রচলিত গণতন্ত্র যতটা না বিক্ষিপ্ত, বিশৃঙ্খল ও স্বার্থপর, প্রকৃত ইসলমের নীতি ঠিক ততটাই ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল ও উদার। তাই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার তুলনায় ইসলামিক ব্যবস্থা সর্বোপরী উত্তম।

আর অর্থনীতিক ব্যবস্থার কথা যদি বলি তাহলে পুঁজিবাদী অর্থনীতির ঋণাত্মকতা নিয়েই আরেকটি প্রবন্ধ লেখা সম্ভব। সুদভিত্তিক এ অর্থনীতির ফলে একদিকে ধনী আরো ধনী হচ্ছে ও দরিদ্ররা দিনকেদিন হতদরিদ্রে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু ইসলামের সুদবর্জিত ও বণ্টনের নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতির ফলে অর্থ ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার হয়। ইসলাম সম্পদ কুক্ষিগত করার বদলে সম্পদের অবাধ গতিশীলতাকে উৎসাহিত করে। আর তাই পুরো সমাজ উপকৃত হয়। ইতিহাস সাক্ষী, আল্লাহ প্রদত্ত নীতি অনুসারে প্রতিষ্ঠিত ইসলামের অর্থনীতি মুসলিম জাহানকে এমন এক অবস্থায় নিয়ে দাঁড় করিয়েছিল যে যাকাত দেয়ার লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। তাই প্রচলিত ধারার গণতন্ত্র থেকে জীবনব্যবস্থা হিসেবে ইসলাম সবদিক থেকেই উত্তম ও যুগোপযোগী।

পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক বিশ্ব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অভাবনীয় উন্নতি করলেও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা ও আত্মার শান্তি নিশ্চিত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী, মানবরচিত যে কোনো তন্ত্র-মন্ত্রই শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিস্বার্থ আর শোষণের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে প্রচলিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যেখানে সংখ্যাতত্ত্বের দোহাই দিয়ে ন্যায়বিচারকে বলি দেয় এবং সমাজকে বিভেদে জর্জরিত করে, সেখানে আল্লাহ প্রদত্ত পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থাকে গ্রহণ করা ছাড়া শান্তি আসা অসম্ভব।

অতএব, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করার জন্য, সে শান্তি, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য, মানুষকে তার প্রকৃত অধিকার ফিরিয়ে দিতে- আল্লাহর দেয়া শেষ জীবনবিধান, প্রকৃত ইসলামকে গ্রহণ করতে হবে। অন্যাথায় প্রচলিত ধারার গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা আমাদের মুক্তির পথকে ধ্বংস করে দিয়ে আমাদের দেশ ও জাতিকে অন্ধকার আস্তাকুঁড়ে পৌঁছে দিবে। তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এখনই।

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 188 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 102 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4
জনপ্রিয় ট্যাগ
#আইয়্যামে জাহেলিয়াত #অর্থনীতি #শিক্ষাব্যবস্থা #চলমান সঙ্কট #জীবনব্যবস্থা #ঐক্য #৫ দফা কর্মসূচি #ইসলাম #তাকওয়া #সাম্প্রদায়িকতা #তওহীদ #লানত #পর্দা #সংস্কৃতি #প্রকৃত ইসলাম #শহীদ #খেলাধুলা #এমামুযযামান #হেযবুত তওহীদ #ধর্মব্যবসা #নারী #নারী স্বাধীনতা #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদের নারী #উগ্রবাদ #গুজব #রাজনীতি #ঈমান #আকিদা #মোনাফেক #বিস্ময়কর আন্দোলন #রিজিক #অপপ্রচার #দাজ্জাল #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #কর্মজীবন #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #গণজোয়ার #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #বাস্তব সমস্যা #মণীষীদের জীবনী #প্রশ্নোত্তর #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #প্রশ্ন #রাগ #কর্মফল #মুসলিমদের ইতিহাস #রাজনৈতিক ইসলাম #ইসলামের ইতিহাস #মানবজীবন #দোয়া #জান্নাতি ফেরকা #প্রশ্ন উত্তর #মহানবীর (সা.) #বাঙালি #সুফিবাদ #ধর্মজীবিকা #হারাম #পুঁজিবাদ #মার্কস #ইসলামের অপব্যাখ্যা #তারেক বিন যিয়াদ #ওমর (রা.) #খলিফা #ধর্মবিশ্বাসী #ঔপনিবেশিক যুগ #চরমোনাই #ইতিহাস ও ইসলাম #দাসপ্রথার #ইসলামবিদ্বেষী #নবুয়তপূর্ব জীবন #কোর’আন #শিক্ষা #উম্মতে মোহাম্মাদি #বাংলাদেশ #স্বাধীনতা #বিশ্ব মুসলমান #ইসলামি ইতিহাস #সাম্যবাদ ও ইসলাম #মানুষ সৃষ্টি #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #হজ #মহানবীর লড়াই #জ্ঞান-বিজ্ঞান #ধর্ম #নির্বাচন #আইনের উৎস #দৈনিক বজ্রশক্তি #পাকিস্তান #শান্তি #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #ইসলাম অর্থ #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #গণমাধ্যম #বাংলার সুলতানী যুগ #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #যোদ্ধাসুফি #মসজিদে নারী #খোলাফায়ে রাশেদীন #বস্তুবাদী সভ্যতা #সংগীত #জেহাদ #দাউদ খান পন্নী #মাননীয় এমাম #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #ইমাম মাহদী #জ্ঞান #জঙ্গিবাদ #রিয়াদুল হাসান #আশুরা #কবিতা #বাণী #আমল #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #কোরবানি #ত্যাগ #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #democratic system #economic system #politics #হেযবà§�ত তওহীদ #religious extremists #workplace #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #hossain mohammad salim #islam world #lifestyle ##MarathonHT #Marathon #hezbuttawheed #Resolving the Global Crisis #Students #হেযবুত তওহীদের #civilized’ #deterrent #world #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #মো’জেজা: #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #দাজ্জালকে চিনতে হবে #মো’মেনদের #দেশকে রক্ষা #মদিনার #রাকীব আল হাসান #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #লা’নত নাকি পরীক্ষা #আদিবা ইসলাম #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #মুখলেছুর রহমান সুমন #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #মুস্তাফিজ শিহাব #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #নোয়াখালীত #কোরবানি কখন কবুল হবে? #muchleka #মামলার অব্যাহতি #হাইকোর্টের রায় #গোলটেবিল বৈঠক #সংবাদ-সম্মেলন