মহানবী (সা.) অক্লান্ত পরিশ্রম আর কঠোর অধ্যবসায় করে উম্মতে মোহাম্মদী নামক একটি জাতি গঠন করলেন, যে জাতি এমন ঐক্যবদ্ধ ছিল যেন সীসা গলানো প্রাচীর। তাদের
চলতি বছরের কয়েকটি ঘটনা সর্বসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করেছে। প্রথম ঘটনাটি হলো- মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ। সামরিক জান্তা সরকার মিয়ানমারের ক্ষমতায় আসার পর থেকে আরাকান
আমাদের সংক্ষিপ্ত আহ্বান যারা এই মুহূর্তে আমার কথাগুলো পড়ছেন তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। মানুষের জীবন হাজারো সমস্যায় জর্জারিত। ব্যক্তি থেকে বিশ্ব সর্ব অঙ্গনে ভয়াবহ
পুণ্যের কাজ এই নয় যে তোমরা পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে। বরং পুণ্য হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, কিয়ামত দিবসের উপর, মালায়েকদের উপর
ধর্মের অপব্যাখ্যা নারী প্রগতির অন্তরায়: আল্লাহ তাঁর নাজিলকৃত জীবনব্যবস্থা ইসলামে নারী ও পুরুষকে একে অপরের সহযোগী ও বন্ধুরূপে সৃষ্টি করেছেন। তাদের উভয়কেই তাঁর প্রতিনিধিত্ব তথা
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না- মুসলিম বিশ্ব আজ আক্রান্ত। প্যালেস্টাইন থেকে মিয়ানমার, ইরাক থেকে আফগানিস্তান, সিরিয়া থেকে লিবিয়া, সবখানেই মুসলিমরা আজ নির্যাতনের শিকার। মুসলিম
আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে যত কল্যাণের আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সবই মো’মেনের সঙ্গে। আল্লাহ সুরা নূরের ৫৫ নম্বর আয়াতে বলেছেন, আল্লাহর ওয়াদা (ওয়াদাল্লাহ) হচ্ছে যারা ঈমান
হেদায়াতের জ্ঞান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য বিশেষ দান। পবিত্র কোর’আন হচ্ছে মুত্তাকিদের জন্য হেদায়াহ বা পথনির্দেশ (সুরা বাকারা ২)। তাই কোর’আন শিক্ষা দিয়ে তথা
পবিত্র রমজান মাসের মাঝামাঝি থেকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মূলধারার কিছু গণমাধ্যম দাজ্জাল প্রসঙ্গে ফিচার, প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশ করতে আরম্ভ করেছে। ইসরায়েল হামাস
ইসলামী পরিভাষায় মো’জেজা হলো অলৌকিক ঘটনা (গরৎধপষব), যা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সংঘটন করতে পারে না। যেমন- মৃতকে জীবিত করা, নবজাতককে দিয়ে কথা বলানো