হিজরি দ্বিতীয় সনে সংঘটিত বদরের যুদ্ধে মহানবী (স.) আল্লাহ পাকের দরবারে সাহায্য চেয়ে ফরিয়াদ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর প্রিয় হাবীবের সেই ফরিয়াদ কবুল করে নেন এবং
‘ধর্মবিশ্বাস’ – পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন অথচ এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রভাবশালী ধারণা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কত আদর্শ, কত চেতনা, কত বিশ্বাস, কত বিপ্লব, কত তত্ত্বের
আল্লাহ তাঁর রসুলের (সা.) উপর দায়িত্ব দিয়েছেন মানবজীবনে হেদায়াহ ও সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করার (সুরা ফাতাহ-২৮, সুরা সফ ৯, সুরা তওবা ৩৩)। কেননা কেবল আল্লাহর দেওয়া
শিরোনাম দেখে অনেকে হয়তো অবাক হচ্ছেন এবং ভাবছেন আসলেই কি ফেরেশতারা মানুষ সৃষ্টির পক্ষে ছিলেন না? হ্যাঁ পাঠক, আসলেই তাই। যে সময়ের কথা বলছি তখন
ইসলামী পরিভাষায় মো’জেজা হলো অলৌকিক ঘটনা (গরৎধপষব), যা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সংঘটন করতে পারে না। যেমন- মৃতকে জীবিত করা, নবজাতককে দিয়ে কথা বলানো
আমাদের দেশের অনেক আলেম ও মুফতির দৃষ্টিতে চৈত্র সংক্রান্তি, পহেলা বৈশাখ, নবান্ন ইত্যাদি আঞ্চলিক উৎসব পালন করা প্রকৃতপক্ষে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির অনুসরণ। সুতরাং এগুলো শেরক। তাদের
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রসুলাল্লাহ (সা.) বলেছেন, “পাঁচটি স্তম্ভের উপর ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত। (১) এ সা¶্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো
হেযবুত তওহীদ বাংলাদেশভিত্তিক একটি সংস্কারমূলক অরাজনৈতিক আন্দোলন। এই আন্দোলনটি প্রতিষ্ঠা করেন উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী জমিদার পন্নী পরিবারের উত্তরসূরি এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। ১৯৯৫ সালের
বিশ্বময় মুসলিম জাতির দুর্গতির কারণ কী, কেন একদা শ্রেষ্ঠ জাতি আজ সর্বত্র অপমানিত লাঞ্ছিত ও সর্ববিষয়ে নিকৃষ্ট তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। যারা শিক্ষিতমনা
একই তো পৃথিবী, একটাই মানবজাতি। কিন্তু কোথাও দেখি আদিগন্ত জনহীন প্রান্তর আবার কোথাও কাঁটাতারের সীমানায় বন্দী লক্ষ লক্ষ মানুষ; পা রাখবার জায়গাটি নেই। সেখানে অন্ন