হেযবুত তওহীদ

মানবতার কল্যাণে নিবেদিত

হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

Proposal-of-hezbut-tawheed

চলমান সঙ্কট নিরসনে হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবনা

বিষয়বস্তু

সমগ্র মানবজাতি আজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জড়িত। দুর্বরের উপর সবলের অত্যাচারে, দারিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনায় শোষণে, শাসিতের উপর শাসকের অত্যাচারে, ন্যায়ের উপর অন্যায়ের প্রতাপে আজ পৃথিবীর মানুষ অতিষ্ট। চারদিক থেকে আর্তমানবতার হাহাকার উঠছে- ‘শান্তি চাই, শান্তি চাই’। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত শান্তি মিলছে কি? হেযবুত তওহীদ বলছে, মানবতার এই চূড়ান্ত বিপর্যয়ের কারণ একটাই। তা হলো, জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে আল্লাহর হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করে ইবলিশ তথা মানুষের তৈরি জীবন ব্যবস্থাকে মেনে নেয়া।
সু সংবাদ এই যে, এই অন্যায় অশান্তি থেকে মুক্তির পথও আল্লাহ তার অশেষ করুণায় হেযবুত তওহীদকে দান করেছেন। তা হলো, আবারও পুরো মানবজাতিকে আল্লাহর দেওয়া সত্য দীনে প্রত্যাবর্তণ করতে হবে। এক আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নিয়ে জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই এই চলমান সঙ্কট থেকে মানবজাতির মুক্তি মিলবে।

Education System

ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষাব্যবস্থা

বিষয়বস্তু

আমরা যে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের নিজেদেরকে শিক্ষিত করছি সেই শিক্ষাব্যবস্থাটি আমাদের নিজেদের তৈরি করা নয়। এটা ব্রিটিশ আমলে তাদের নীতিনির্ধারকরা তৈরি করে দিয়ে গেছেন। আমরা ভৌগোলিক স্বাধীনতা পাওয়ার পর তাদের নির্মিত সেই ইমারতে দু একটা কামরা, দরজা জানালার রদবদল করেছি বলা যায়, কিন্তু মৌলিক কোনো পরিবর্তন আনি নি। যে শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল অন্য একটি জাতিকে উৎকৃষ্ট দাস বানানোর জন্য সেই শিক্ষা আমরা স্বাধীন হয়েও নিজেদের ও নিজেদের সন্তানদের জন্য বহাল রেখেছি। এর পরিণাম যা হওয়ার তা-ই হয়েছে, আজও আমরা মনে-মগজে এবং জীবনকাঠামোতে সেই পশ্চিমা প্রভুদের দাসত্বই করে যাচ্ছি। পার্থক্য এই যে, আগে তারা আমাদের জনগণকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করত, আর এখন আমাদের সরকাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।

book_sommanito_alemder_proti

সম্মানিত আলেমদের প্রতি

বিষয়বস্তু

পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো তাদের বন্দুকের নিশানা তাক করেছে ইসলাম ও মুসলিমদের দিকে। তারা প্রপাগান্ডা চালিয়ে মুসলিমদেরকে জঙ্গি, সন্ত্রাসী বলে বিশ্বময় নেতিবাচকধারণা সৃষ্টি করেছে। তারা যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে একটার পর একটা দেশ দখল করে নিচ্ছে, লক্ষ লক্ষ মুসলিম হত্যা করছে, কোটি কোটি নারী, শিশু, বৃদ্ধ, যুবা উদ্বাস্তু শিবিরে অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ নিয়েও চলছে গভীর ষড়যন্ত্র। মানুষের ঈমানকে ভুল খাতে প্রবাহিত করে মুসলিম জাতির জন্য ক্ষতিকর অনেক কাজই করা হয়েছে এবং হচ্ছে। মুসলিমপ্রধান এ দেশে যদি মধ্যপ্রাচ্যের মত অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে দেওয়া হয় তাহলে আমাদের দাঁড়ানোর কোনো জায়গা থাকবে না। সমগ্র পৃথিবীতে সংখ্যায় ১৬০ কোটি হয়েও আমরা তাদের ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে পারছি না কারণ আমরা অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। সমাজ, দেশ, বিশ্বের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। তাছাড়া আমরা এক আল্লাহ এক রসুল এক কোর’আনের অনুসারী হয়েও হাজারো দলে, উপদলে, মাজহাবে, ফেরকায়, রাজনৈতিক মতবাদে বিভক্ত হয়ে আছি। ঐক্যহীন জাতির পরাজয় অনিবার্য, তাই আল্লাহ বার বার ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আদেশ করেছেন এবং ঐক্য বিনষ্ট হয় এমন কাজ করতে নিষেধ করেছেন।

sokol-dhormer-mormokotha

সকল ধর্মের মর্মকথা – সবার ঊর্ধ্বে মানবতা

বিষয়বস্তু

পৃথিবীতে নানা ধর্মের মানুষের বসবাস। কিন্তু যে যেই ধর্মেরই হোন না কেন সকল ধর্মেরই মূল কথা হচ্ছে- মানবতা। মানবতার কল্যাণই সকল ধর্মের অভিপ্রায়। সকল ধর্মই বলে মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিতে। মানবতার বিপর্যয় কোনো ধর্মেরই অভিপ্রায় নয়। এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই এই পুস্কিকার রচনা।

jehad-ketal-sontras-book-cover

জেহাদ কেতাল ও সন্ত্রাস

বিষয়বস্তু

বর্ত্তমানে দুনিয়াময় জেহাদ কেতাল ও সন্ত্রাস এই তিনটি বিষয়কে একই অর্থে ব্যবহার করা হোচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, ভৌগোলিক স্বাধীনতার জন্য, কোথাও কোথাও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য অর্থাৎ বিভিন্নভাবে পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে দুনিয়াময় জেহাদ বা কেতাল হিসাবে প্রচার করা হোচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে এই তিনটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা। ইসলামে সন্ত্রাসের তো কোন স্থানই নেই, জেহাদ ও কেতালের অর্থ প্রেক্ষাপটও সম্পূর্ণ আলাদা। এ সংক্রান্ত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য এই পুস্তিকাটি পড়া প্রত্যেক সচেতন পাঠকের জন্য অতি জরুরী। হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে যে ভুল ধারণা সাধারণ মানুষের মনে বদ্ধমূল কোরে দেওয়া হোয়েছে এবং হোচ্ছে তার বিরাট এবং গভীর কারণ আছে। সেই কারণ উদ্ঘাটিত হোয়েছে এ পুস্তিকাটিতে।

3

পর্দাপ্রথার গোড়ার কথা

বিষয়বস্তু

রসুলাল্লাহ (সা.) আরবের আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যে সমাজে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেই সমাজে নারীদের কোনো সম্মান ছিল না, ইজ্জত ছিল না। কোনো পরিবারে কন্যাশিশু জন্মগ্রহণ করলে সেই পরিবারের সকলের মুখ কালো হয়ে যেত। আর কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়া ছিল নিত্য দিনের ব্যাপার। গোত্রে গোত্রে নারীদের নিয়ে কোন্দল হত, শক্তিশালী গোত্রের লোকেরা দুর্বল গোত্রে কোনো সুন্দরী নারী থাকলে তাকে ভোগ করার জন্য আক্রমণ করত। এ ভয়েও অনেকে কন্যাসন্তান হত্যা করত। নারীদের দেহপসারিনী বাঈজী হিসাবে ব্যবহার করা হত। এমনকি পবিত্র কাবায় উলঙ্গ হয়ে হজ করতেও বাধ্য করা হত। এমন অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে রসুলাল্লাহ (সা.) এসেছিলেন সমাজকে আলোকিত করতে।

lokkho_uddhessho_book_cover

হেযবুত তওহীদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

বিষয়বস্তু

মানুষ কি ব্যবস্থায় শান্তি ও নিরাপত্তায় পৃথিবীতে বসবাস কোরতে পারবে তা সবচেয়ে ভালো জানেন মানবজাতির স্রষ্টা মহান আল্লাহ। তাই তিনি ১৪০০ বছর আগে পুরো মানবজাতির জন্য প্রযোজ্য এবং অপরিবর্ত্তনীয় প্রাকৃতিক নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল একটি দীন তাঁর শেষ রসুলের মাধ্যমে প্রেরণ করেন। সেই দীনটি যখন আল্লাহর রসুল ও তাঁর উম্মাহ কঠোর সংগ্রামের মাধ্যমে অর্দ্ধ-পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করেন তখন সেখানে এমন শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয় যার দৃষ্টান্ত মানব ইতিহাসে অনন্য। হেযবুত তওহীদের লক্ষ্য হোচ্ছে মানবজাতিকে সেই অকল্পনীয় শান্তি ও নিরাপত্তার আস্বাদ দেওয়া। অতি প্রাঞ্জল ও যুক্তিপূর্ণ ভাষায় যামানার এমাম এ প্রসঙ্গটি পুস্তিকাটিতে তুলে ধোরেছেন। বইটি পড়লে আরও জানা যাবে, কেন আল্লাহ এই দীনের নাম প্রাকৃতিক দীন রেখেছেন এবং সারা দুনিয়ার সমগ্র মানবজাতির জীবনে এই জীবনব্যবস্থা কিভাবে কার্য্যকরী।

 

eslamer_prokrito_ruprekha_book_cover

ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা

বিষয়বস্তু

ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা- এই পুস্তিকাটি মূলত যুগসন্ধিক্ষণে আমরা, ইসলামের প্রকৃত আকীদা ও ইসলামের প্রকৃত কর্মসূচি নামক তিনটি প্রবন্ধের সঙ্কলন। এতে এমামুযযামান ১৪০০ বছর আগের উম্মতে মোহাম্মদীর সঙ্গে বর্তমানের ১৫০ কোটির মো’মেন, মোসলেম দাবীদার এই জনসংখ্যার বৈপরিত্যগুলি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। তিনি কোর’আনের আলোকে প্রমাণ কোরেছেন যে, এই জনসংখ্যাটি মো’মেন, মোসলেম, উম্মতে মোহাম্মদী কিছুই নয় বরং আল্লাহর ক্রোধের ও অভিশাপের পাত্র। আল্লাহর দৃষ্টিতে এরা প্রকৃতপক্ষে মোশরেক ও কাফের। এ ছাড়াও এ বইতে উল্লেখিত হোয়েছে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ৫ দফার সেই কর্মসূচি যা আল্লাহ তাঁর রসুলকে দান কোরেছিলেন। গত ১৩০০ বছর এই কর্মসূচি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল, আবার সেটি আল্লাহ হেযবুত তওহীদের এমামকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এই কর্মসূচিটি প্রকৃতপক্ষে বহুল পঠিত একটি হাদীস। 

holy-artijan-book

হলি আর্টিজানের পর…

বিষয়বস্তু

গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার এক বছর পেরিয়ে গেল। ঘটনাটি এখনও নানা কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে আছে। কারণ ঐদিন বাংলাদেশের মানুষ প্রমবারের মত এই ধরনের নৃশংস হামলার কবলে পড়ে, খবরের শিরোনাম হয় বিশ্বব্যাপী। হলি আর্টিজানের মর্মান্তিক ঐ ঘটনার পর বেশ কিছুদিন দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় অনেকে ভেবেছিলেন জঙ্গিবাদের হুমকি বোধহয় মোকাবেলা করাই গেল। কিন্তু বলা বাহুল্য, কিছুদিন স্তিমিত থাকার পর পুনরায় জঙ্গিবাদের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে জঙ্গিরা ‘আত্মঘাতী’ হামলার পথ বেছে নিয়েছে, যেমনটা সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন ইত্যাদি দেশের প্রাত্যহিক ঘটনা। একের পর এক জঙ্গি হামলা, জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযান এবং হতাহতের ঘটনায় সারা দেশের মানুষ আজ বিস্মিত, হতবাক।

jongidab_songkot_somadhan

জঙ্গিবাদ সঙ্কট: উত্তরণের একমাত্র পথ

বিষয়বস্তু

জঙ্গিবাদ বর্তমানে মানবজাতির সর্বপ্রধান সমস্যা। এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে পৃথিবীর পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো। সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পশ্চিমা ভাবধারার গণমাধ্যমগুলো জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জনসমর্থন সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। তারা যেভাবে এ প্রচারণা চালাচ্ছে, তাতে কেবল জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নয় খোদ ইসলামের বিরুদ্ধে মানুষের মনে ঘৃণার বোধ জন্ম নিচ্ছে। এ লড়াই যতটা না সামরিক তারচেয়ে বহুগুণ বেশি সভ্যতার সংঘাত (Clash of civilizations), ইসলাম বনাম পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতা।

dhormobebsar-faade

ধর্মব্যবসার ফাঁদে

বিষয়বস্তু

আজকের বৈশ্বিক ভয়াবহ সঙ্কটে মুসলিম দাবিদার জনগোষ্ঠীটি নিপতিত। এমন কি তাদেরকে ধরাপৃষ্ঠ থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলার জন্য পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো টার্গেট করেছে। এমতাস্থায় জাতির সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ঐক ̈বদ্ধ হওয়া। এই ঐক ̈গঠনের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হচ্ছে ̄ স্বর্থকেন্দ্রিক ধর্মব্যবসা। এ মহাসংকট থেকে উদ্ধার পেতে হলে ধর্মব্যবসার বিষবৃক্ষকেই উপড়ে ফেলতে হবে। তা না হলে ধর্মের অনাবিল রূপ, প্রকৃত রূপ মানুষ কোনোদিন দেখতে পাবে না, ঐক ̈বদ্ধও হতে পারবে না। তাই ধর্মব্যবসার বিষয়ে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা প্রত্যেক মানবকল্যণকামী, সত্যনিষ্ঠ মো’মেন, মুসলিমের কর্তব্য। সে লক্ষ্যেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।

Screenshot 2022-12-14 212813

ধর্মব্যবসায়ীদের ভয়াবহ জালিয়াতি!

বিষয়বস্তু

হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী আদর্শিকভাবে দাঁড়াতে না পেরে জালিয়াতির পথ বেছে নিচ্ছে। হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে তাদের শত শত জালিয়াতি থেকে কয়েকটি নমুনা এই পুস্তিকাটিতে তুলে ধরা হলো।

Towheed-jannater-chabi

তওহীদ জান্নাতের চাবি

বিষয়বস্তু

চৌদ্দশ’ বছর থেকে মুসলিম উম্মাহর ঘরে ঘরে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা চলে আসছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী বহু ইসলামী চিন্তাবিদ, জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিত্ব এবং আলেম মাওলানারা দাজ্জালকে নিয়ে অনেক বই লিখেছেন, গবেষণা করেছেন। দুর্ভাগ্যবশতঃ তারা রসুলাল্লাহর দাজ্জাল সম্পর্কিত রূপক বর্ণনাগুলোকেই বাস্তব হিসেবে ধরে নিয়ে এক মহা শক্তিশালী দানবের আশায় বসে আছেন। তাদের এই বিকৃত আকীদার ফলশ্রুতিতে তারা ইতোমধ্যেই পৃথিবীতে আসা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব অস্বীকারকারী এবং নিজেকে রব দাবিদার দাজ্জালকে চিনতে পারছেন না। তারা বুঝতে পারছেন না যে তাদের অজান্তেই মানবজাতির মহাবিপদের ঘণ্টা বাজিয়ে আজ থেকে ৪৮১ বছর আগেই দাজ্জালের জন্ম…

Shorbodhormiyo Pustika Front

মানবজাতি হোক এক পরিবার

বিষয়বস্তু

পৃথিবীতে আগত নবী-রসুলগণ স্রষ্টাকে হুকুমদাতা হিসেবে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে তাঁদের শিক্ষা বিকৃত হয়ে পৃথিবীতে বহু ধর্মমতের সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমারা Divide and Rule নীতি প্রয়োগ করে উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিমদের ও মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি-মুসলিমদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করেছে। এমতাবস্থায় সকলেই যে এক স্রষ্টার সৃষ্টি, আদম-হাওয়ার সন্তান, সকল ধর্মের মূল শিক্ষা মানবতা, এই বার্তা জানিয়ে সকল ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে দেশব্যাপী সহস্রাধিক সভা-সেমিনার করেছে হেযবুত তওহীদ। গত ৮ জুন ২০২৪ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে ধর্মীয় উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন যা এই পুস্তিকায় গ্রন্থিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সম্মেলন স্মারক ২০২২

বিষয়বস্তু

২১ অক্টোবর ২০২২ বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় আমির সম্মেলন। সম্মেলনটি ছিল সবদিক দিয়েই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অস্থিরতা, ক্রমাগত অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের এমন এক সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে হেযবুত তওহীদের করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। রাজধানীর গেণ্ডারিয়ায় ‘মেয়র সাঈদ খোকন কমিউনিটি সেন্টারে’ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশ থেকে আসা জেলা-উপজেলা পর্যায়ের আমির, নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, অতিথি ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ এতে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘আসন্ন দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় করণীয়’।

tobe-ki-jatir-shongso

তবে কি জাতির ধ্বংসই অনিবার্য?

বিষয়বস্তু

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ইতিহাসে হলি আর্টিজানে হামলা একটি মোড় ঘুরানো বিষয়। এতো বড় মাপের জঙ্গি হামলা এর আগে বাংলাদেশে কখনো হয়নি। ১লা জুলাই হলি আর্টিজানের ভয়ানক সেই জঙ্গি হামলার এক বছর পূর্ণ হলো। এ উপলক্ষে বহু মানুষ সেদিন নিহত ব্যক্তিদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে, জঙ্গিদের প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেছে, শান্তি সমাবেশ করেছে। বহু দল, সংস্থা, সংগঠন এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এসব করে কি জঙ্গিবাদ নির্মূল হচ্ছে বা হবে? জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপগুলো কি যথেষ্ট?

sutrapur-jonosova-book

সূত্রাপুরে হেযবুত তওহীদের এমামের ভাষণ

বিষয়বস্তু

এক সময়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান, তথ্য-প্রযুক্তি, সম্পদ-সমৃদ্ধিতে, মানবিকতা, সভ্যতায় সবার উপরে অবস্থানকারী এই মুসলিম জাতি আজ সীমাহীন দুর্দশা, নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। মুসলিম নামধারী এ জনসংখ্যাটি এখন অন্যান্য জাতিগুলোর হাতে কার্যত পরাজিত ও লাঞ্ছিত। কিন্তু এর কারণ কী? এ থেকে উত্তরণের উপায়ই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে রাজধানীর সূত্রাপুরে এক জনসভায় হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের দেওয়ার ভাষণে। সেই ভাষণটিরই সম্পাদিত রূপ এই বই।

Screenshot 2024-01-03 132833

সকল ধর্মের মর্মকথা সবার ঊর্ধ্বে মানবতা

বিষয়বস্তু

পৃথিবীতে আগত নবী-রসুলগণ স্রষ্টাকে হুকুমদাতা হিসেবে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে তাঁদের শিক্ষা বিকৃত হয়ে পৃথিবীতে বহু ধর্মমতের সৃষ্টি হয়েছে। পশিমারা Divide and Rule নীতি প্রয়োগ করে উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিমদের ও মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি-মুসলিমদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করেছে। এমতাবস্থায় সকলেই যে এক স্রষ্টার সৃষ্টি, আদম-হাওয়ার সন্তান, সকল ধর্মের মূল শিক্ষা মানবতা, এই বার্তা জানিয়ে সকল ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে দেশব্যাপী সহস্রাধিক সভা-সেমিনার করেছে হেযবুত তওহীদ। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে সর্বধর্মীয় সম্প্রীতির লক্ষ্যে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে হেযবুত তওহীদ। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও, এন. রানা দাশগুপ্ত, অধ্যাপক ড. ফারজিন হুদাসগ বিশিষ্টজনদের বক্তব্যের চুম্বক অংশ, অন্যান্য ধর্মের সাথে ইসলামের বিশ্বসগত মিল, উগ্রবাদ মোকাবেলার পথ, হেযবুত তওহীদের আদর্শিক প্রবন্ধ, বঙ্গবন্ধু-নজরুলের চেতনা তুলে ধরা হয়েছে ম্যাগাজিনটিতে।

Islam_keno_abedon_haracche

ইসলাম কেন আবেদন হারাচ্ছে?

বিষয়বস্তু

আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, আরব, ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া ও ভারত উপমহাদেশের অনেক আলেম, তাত্ত্বিক, ইসলামী চিন্তাবিদ গত শতাব্দীর বিভিনড়ব সময়ে নিজেদের পছন্দনীয় ইসলামের উত্থান ঘটানোর জন্য বিভিনড়ব সংগঠন ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন কিন্তু সফল হন নি। এর মধ্যে কোনোটি গণতান্ত্রিক ধারার রাজনৈতিক আন্দোলন, কোনোটি চরমপন্থী। রাজনৈতিক ধারার আন্দোলনগুলো শুরুতে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করলেও বর্তমান সময়ে এসে সেগুলো একে একে মুখ থুবড়ে পড়ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাদের এই যে ব্যর্থতা এর প্রকৃত কারণ কী?

Cover Image Noakhali Handbill-2

Reasons for repeated attacks, arson and brutal killings on Hezbut Tawheed in Sonaimuri

বিষয়বস্তু

The ancestral home of Hossain Mohammad Salim, honorable leader of Hezbut Tawheed movement placed at Sonaimuri, Noakhali. He started preaching the true ideology of Islam, the Deen of Allah in that place after joining the movement. However, a self-interested and religion mongers group stood up as the main barrier in the way of that preaching. They started spreading propaganda among the mass that Hezbut Tawheed gets money from Christians, buries with black cloth, becomes a Christian with a seal on the thigh, and so on. The superstitious fanatics of the village got influenced by these lies. There, the house of honorable Emam of Hezbut Tawheed was repeatedly attacked, looted, and set on fire by creating religious insanity.

On March 14, 2016, a mosque, was under construction on the premises of the house of honorable Emam was attacked by spreading rumors that it was a church. Two members were slaughtered with sharp weapons. Houses were set on fire. 114 members were attempted to burn. Why this attack again and again? Which truth they are so desperate to hide?