হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

dasotto_book_cover

জোরপূর্বক শ্রমব্যবস্থাই দাসত্ব

বিষয়বস্তু

ইসলামের উপর অপবাদ দেওয়া হয় যে, ইসলামে নাকি দাসপ্রথাকে উৎসাহিত করা হোয়েছে, এখানে নাকি যুদ্ধবন্দীদের দাস-দাসীরূপে ব্যবহার করা যায়। অপবাদআরোপকারীরা এ প্রসঙ্গে কোর’আনের কিছু আয়াতও তুলে ধরেন। এসব আয়াতের সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধোরতে ব্যর্থ আমাদের সমাজের আলেম সাহেবরা দুর্বল প্রতিবাদ করেন যে, ‘হ্যাঁ, দাসপ্রথা আছে, কিন্তু ইসলাম দাসদেরকে অনেক অধিকারও দিয়েছে।’ অথচ প্রকৃত সত্য হোল, ইসলাম দাসপ্রথা বিলুপ্ত কোরেছে আর ইহুদি খ্রিস্টান বস্তুবাদী ‘সভ্যতা’ তথা দাজ্জাল এর বিশ্বায়ন কোরেছে। প্রকৃত ইসলামের সমাজব্যবস্থা হোচ্ছে সেবাভিত্তিক। সেখানে মানুষ মানুষকে ভালোবেসে সেবা কোরে যায়, অন্যকে সাহায্য কোরে, দান কোরে, খাইয়ে তৃপ্তি লাভ করে। অপরপক্ষে দাজ্জাল সর্বপ্রকার সেবাকেই দাসত্বে এবং পণ্যে রূপান্তরিত কোরেছে। ফলে গোটা সমাজব্যবস্থা হোয়ে গেছে চরম স্বার্থকেন্দ্রিক। রাস্তায় কেউ মরে পড়ে থাকলেও কেউ ফিরে তাকায় না। যে শ্রমব্যবস্থা অনুসরণের ফলে এমন রাষ্ট্রনায়ক সৃষ্টি হোয়েছে যিনি দীর্ঘ মরুপথের অর্ধেক রাস্তা ভৃত্যকে উটের পিঠে বসিয়ে রশি ধোরে হেঁটে চোলেছেন, সেই শ্রমব্যবস্থার রূপরেখা মানবজাতিকে উপহার দেওয়াই এই বইটির লক্ষ্য।

book_bagh_bon_bonduk

বাঘ-বন-বন্দুক

বিষয়বস্তু

ইংরেজিতে অসংখ্য শিকার কাহিনী রচিত হলেও বাংলাদেশে শিকারের সত্য ঘটনা নিয়ে লেখা সম্ভবত এটিই প্রথম বই। ১৯৬৪ সালের গোড়ার দিকে ‘মুক্তধারা’ থেকে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। সে সময় বইটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে আদৃত হয়। তৎকালীন শিক্ষাবোর্ড বইটিকে দশম শ্রেণির সহপাঠ হিসেবে মনোনীত করে। শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনির চৌধুরী, সৈয়দ আব্দুল মান্নান, অধ্যাপিকা আনোয়ারা খাতুনসহ আরো অনেক বরেণ্য লেখক, ব্যক্তিবর্গ ও পত্র-পত্রিকা বইটি সম্পর্কে তাদের সপ্রশংস অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়া পকিস্তান বেতার থেকেও বইটির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
বাঘ-বন-বন্দুক বইটিতে লেখক তাঁর নিজ প্রজন্মের এমন একটি অপ্রকাশিত দিক উন্মোচন করেছেন, যে দিকটি নব প্রজন্মের পাঠকদের কাছে নতুন এবং একেবারে অনাস্বাদিত। অর্ধশতাব্দি আগেও বাংলাদেশের অনেক এলাকা জুড়ে ব্যাপ্ত ছিল গভীর বনভূমি। অনেক শখের শিকারীই তখন এসব বনে চিতা বাঘ, হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বন্য মহিষ, শুকর ইত্যাদি বন্যপ্রাণী শিকার করতেন। হিংস্র পশুর সথে জীবন বাজি রেখে ভয়কে জয় করার মধ্যে যারা আনন্দ খুঁজে পান যৌবনে তাদেরই একজন ছিলেন লেখক। নগরায়ণের হিংস্র থাবার শিকার সেই ভয়ঙ্কর বন আজ ইতিহাসের পাতায় আশ্রয় খুঁজছে। এখন নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সুবিশাল অরণ্যের কথা কেবল অবিশ্বাস্যই নয়, কল্পনাতীত।
বিপজ্জনক শিকার পন্নী বংশের একটি বৈশিষ্ট্য; তাই ছোট বেলা থেকেই লেখক বন-জঙ্গলে শিকার করে বেড়িয়েছেন। এ বইয়ের পাতায় পাতায় রয়েছে লেখকের সেইসব দুঃসাহসিক অভিযানের সত্য বর্ণনা। শিকারের উপকরণ ও আয়োজন, অরণ্যের সৌন্দর্য ও রহস্য, জন্তুর ভাষা ও আচরণ, বন্দুকের ব্যবহার ও প্রকরণ, শিকারীর শিড়্গা ও সাধনা প্রতিটি বিষয়ে লেখক এ বইয়ে আকর্ষণীয় তথ্য পরিবেশন করেছেন। শিকার কাহিনীর শিহরণমূলক আবেদনকে ড়্গুণ্ণ না করেও তিনি বাঘ, বন, বন্দুক ও মানুষ সম্পর্কে অনেক কৌতুহলোদ্দীপক সত্য উদ্ঘাটন করেছেন। পাশাপাশি শিকারীদের সম্পর্কে মানুষের মনে প্রতিষ্ঠিত থাকা কিছু ভুল ধারণার অসারতাও তিনি প্রমাণ করেছেন। আশা করা যায় অর্ধশতাব্দীর ব্যবধানে এবং সম্পূর্ণ পরিবির্তিত সময়ে এ বইটির পুনরাবির্ভাব পাঠকবর্গকে রোমঞ্চিত করবে।

gonomaddhomer_koronio

পাশ্চাত্যের মানসিক দাসত্ব দূরীকরণে গণমাধ্যমের করণীয়

বিষয়বস্তু

গণমাধ্যমকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। জনমত গঠণের অন্যতম মাধ্যম। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, চাওয়া-পাওয়া, দাবি, চাহিদার প্রকাশ ঘটে এই গণমাধ্যমের মাধ্যমে। যুগে যুগে বহু আন্দোলন, সংগ্রাম, সংস্কার ইত্যাদির সূত্রপাত ও পরিচালনার অগ্রপথিক ছিল এই গণমাধ্যম। সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যম রাখতে পারে অগ্রণী ভূমিকা। বর্তমানে সীমাহীন অন্যায়, অশান্তিতে পরিপূর্ণ এই সমাজের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন অত্যাবশকীয়। সমস্ত অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য বিদূরিত হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গণমাধ্যমকর্মীরা হতে পারেন সেই রেনেসাঁ সৃষ্টিকারী ব্যক্তিবর্গ। এজন্য আগে তাদের নিজেদেরকে হতে হবে সেই সত্য-নির্মল আদর্শের ধারক। সেজন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনার লিখিত সংযোজন এই বইটি।

book_sommanito_alemder_proti

সম্মানিত আলেমদের প্রতি

বিষয়বস্তু

পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো তাদের বন্দুকের নিশানা তাক করেছে ইসলাম ও মুসলিমদের দিকে। তারা প্রপাগান্ডা চালিয়ে মুসলিমদেরকে জঙ্গি, সন্ত্রাসী বলে বিশ্বময় নেতিবাচকধারণা সৃষ্টি করেছে। তারা যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে একটার পর একটা দেশ দখল করে নিচ্ছে, লক্ষ লক্ষ মুসলিম হত্যা করছে, কোটি কোটি নারী, শিশু, বৃদ্ধ, যুবা উদ্বাস্তু শিবিরে অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ নিয়েও চলছে গভীর ষড়যন্ত্র। মানুষের ঈমানকে ভুল খাতে প্রবাহিত করে মুসলিম জাতির জন্য ক্ষতিকর অনেক কাজই করা হয়েছে এবং হচ্ছে। মুসলিমপ্রধান এ দেশে যদি মধ্যপ্রাচ্যের মত অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে দেওয়া হয় তাহলে আমাদের দাঁড়ানোর কোনো জায়গা থাকবে না। সমগ্র পৃথিবীতে সংখ্যায় ১৬০ কোটি হয়েও আমরা তাদের ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে পারছি না কারণ আমরা অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। সমাজ, দেশ, বিশ্বের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। তাছাড়া আমরা এক আল্লাহ এক রসুল এক কোর’আনের অনুসারী হয়েও হাজারো দলে, উপদলে, মাজহাবে, ফেরকায়, রাজনৈতিক মতবাদে বিভক্ত হয়ে আছি। ঐক্যহীন জাতির পরাজয় অনিবার্য, তাই আল্লাহ বার বার ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আদেশ করেছেন এবং ঐক্য বিনষ্ট হয় এমন কাজ করতে নিষেধ করেছেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ হবো কিসের ভিত্তিতে? হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী তওহীদের ভিত্তিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামের বিভিন্ন আকিদাগত বিষয় নিয়ে ফেরকা-মাজহাবের আলেমদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও কলেমা তওহীদের ভিত্তিতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হতে পারি। তওহীদের মর্মবাণী হচ্ছে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, আইন-কানুন, অর্থনীতি, দণ্ডবিধি এক কথায় জীবনের যে অঙ্গনেই হোক যে বিষয়ে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের কোনো বক্তব্যথাকবে, সে বিষয়ে আমরা আর কারো বক্তব্য গ্রহণ করব না। মুসলিম জাতি বর্তমানে ব্যক্তিগত আমল কমবেশি করলেও তাদের জাতীয় সামষ্টিক জীবন পরিচালিত হচ্ছে পাশ্চাত্য সভ্যতার বিধি বিধান দিয়ে। এভাবে তারা শেরক ও কুফরের মধ্যে ডুবে আছে, পরিণতিতে তাদের জীবন কাটছে ঘোর অশান্তিতে। এমন পরিস্থিতিতে সম্মানিত আলেমদেরকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার উপর জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে এগিয়ে আসতে হবে। এ পুস্তিকায় জাতির দিক-নির্দেশনা দানকারী সত্যনিষ্ঠ আলেমদের প্রতি হেযবুত তওহীদের বক্তব্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে।

the_lost_islam_book

The Lost Islam

বিষয়বস্তু

The world today is rife with injustice, anarchy, warfare, bloodshed, killings, rape, unemployment, poverty – in one word, turmoil. The oppressed of the world cry Peace! Peace!! It has become unbearable to live in this world with oppression of the weak by the powerful, the deprivation of the poor by the rich, the injustice carried out on the ruled by the rulers, the victory of falsehood over truth and the deception of the innocent by the sly. Despite the fact that the entire of human race is the progeny of one couple, is one family, people have drawn lines and borders on the face of the earth according to their whims thereby giving rise to prolonged causes of enmity, division among humans and bloodshed. Showing total disregard for the way of life prescribed by the Creator, people have invented various different ways of life to govern themselves by. Little do they realize that for as long as they do not abandon the ways of life of their own making and espouse the system sent by the Creator, there is no way that these conflicts among races, warfare and bloodshed will cease. No matter how efficient law-enforcing agencies or how much efforts are made to restore peace, all will be in vain.

Proposal-of-hezbut-tawheed

চলমান সঙ্কট নিরসনে হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবনা

বিষয়বস্তু

সমগ্র মানবজাতি আজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জড়িত। দুর্বরের উপর সবলের অত্যাচারে, দারিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনায় শোষণে, শাসিতের উপর শাসকের অত্যাচারে, ন্যায়ের উপর অন্যায়ের প্রতাপে আজ পৃথিবীর মানুষ অতিষ্ট। চারদিক থেকে আর্তমানবতার হাহাকার উঠছে- ‘শান্তি চাই, শান্তি চাই’। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত শান্তি মিলছে কি? হেযবুত তওহীদ বলছে, মানবতার এই চূড়ান্ত বিপর্যয়ের কারণ একটাই। তা হলো, জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে আল্লাহর হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করে ইবলিশ তথা মানুষের তৈরি জীবন ব্যবস্থাকে মেনে নেয়া।
সু সংবাদ এই যে, এই অন্যায় অশান্তি থেকে মুক্তির পথও আল্লাহ তার অশেষ করুণায় হেযবুত তওহীদকে দান করেছেন। তা হলো, আবারও পুরো মানবজাতিকে আল্লাহর দেওয়া সত্য দীনে প্রত্যাবর্তণ করতে হবে। এক আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নিয়ে জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই এই চলমান সঙ্কট থেকে মানবজাতির মুক্তি মিলবে।

dan-book-cover

দান: ইসলামের অর্থনীতির চালিকাশক্তি

বিষয়বস্তু

ইসলাম হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। জীবনের ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক- সকল বিষয়েই মহান আল্লাহ মানুষকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। অর্থনীতি একটি জীবন ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক। সেই অর্থনীতি সম্বন্ধেও আল্লাহ দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। তা হলো- ইসলামের অর্থনীতির ভিত্তি হলো সম্পদের দ্রুত থেকে দ্রুততর আবর্তন অর্থাৎ পুঁজিবাদের ঠিক উল্টো। যেখানে থাকবে না কোনো বৈষম্য, পুঁজিবাদ। কেউ টাকার পাহাড় গড়বে আর কেউ ঠিকমতো তিনবেলা খেতেই পারবে না- এমন অর্থনৈতিক পরিবেশ আল্লাহর অভিপ্রায় নয়। তাইতো তিনি দান-কে গুরুত্ব দিয়েছেন। দান হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক সামঞ্জস্য নিশ্চিত হয়। সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বিদ্যমান রাখার অন্যতম মাধ্যম হলো দান। এ বিষয়েই এই পুস্তিকাটি রচিত।

sokol-dhormer-mormokotha

সকল ধর্মের মর্মকথা – সবার ঊর্ধ্বে মানবতা

বিষয়বস্তু

পৃথিবীতে নানা ধর্মের মানুষের বসবাস। কিন্তু যে যেই ধর্মেরই হোন না কেন সকল ধর্মেরই মূল কথা হচ্ছে- মানবতা। মানবতার কল্যাণই সকল ধর্মের অভিপ্রায়। সকল ধর্মই বলে মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিতে। মানবতার বিপর্যয় কোনো ধর্মেরই অভিপ্রায় নয়। এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই এই পুস্কিকার রচনা।

soumer_uddesho

সওমের উদ্দেশ্য

বিষয়বস্তু

সওম শব্দের অর্থ আত্মসংযম, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ (Self Control) করা, বিরত থাকা। রোযা তথা সওমের উদ্দেশ্য এই যে, মো’মেন ব্যক্তি সারাদিন পানাহার ও জৈবিক চাহিদা পূরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন, নিজের আত্মাকে শক্তিশালী করবেন। তিনি অপচয় করবেন না, পশুর ন্যায় উদর পূর্তি করবেন না। তিনি হবেন নিয়ন্ত্রিত, আত্মত্যাগী। বঞ্চিত, ক্ষুধার্ত, দরিদ্র মানুষের দুঃখ অনুভব করে তিনি তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেবেন। আল্লাহর হুকুম মানার ক্ষেত্রে যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবেন অর্থাৎ তিনি হবেন তাকওয়াবান। তার এই চরিত্রেরপ্র তিফলন ঘটবে সামাজিক ও জাতীয় জীবনে। গড়ে উঠবে এমন এক সমাজ যেখানে সবাই একে অপরের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে উৎসাহী হবে, বিরাজ করবে পরস্পর সহমর্মিতা, সহানুভূতি, ভ্রাতৃত্ব। প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি।
কিন্তু আজকের বাস্তবতা এই যে, বর্তমানে এই মৌলিক শিক্ষা হারিয়ে সওম বা রোযা যেন হয়ে গেছে কেবল ‘না খেয়ে থাকা’র নামান্তর। দেখা যায়, রমজান আসলেই মুসলিমদের মধ্যে হুলুস্থুল পড়ে যায়। নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে হয়ে ওঠে আকাশছোঁয়া। সংযমের মাস এলেই মুসলিমদের সংযমের সব বাঁধ যেন ভেঙে যায়। মানুষ আত্মকেন্দ্রিকতা এবং স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে ওঠতে পারে না। ক্ষুধার্ত, হতদরিদ্র মানুষের দুঃখ অন্যরা অনুভব করে না। ফলে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনেও তারা সচেষ্ট হয় না। কেবল সওয়াব ও আত্মপ্রচারের আশায় কিছু দান-খয়রাত করতে দেখা যায়। সমাজে অন্যায়-অবিচার আগের মতোই চলমান থাকে। সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়ের বোধ অর্থাৎ তাকওয়া সৃষ্টি করতে ব্যর্থ আজকের এই রোযা বা সওম।
প্রশ্ন হচ্ছে, আল্লাহ যেখানে কোরআনে বলেছেন, তাকওয়া সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই তিনি সওমকে ফরজ করেছেন (সুরা বাকারা- ১৮৩), সেখানে এই উদ্দেশ্যই যখন বাস্তবায়িত হচ্ছে না, তখন আল্লাহর কাছে আমাদের সারাদিন না খেয়ে থাকার মূল্য কতটুকু? আল্লাহর রসুল (স.) বলেছেন, “এমন এক সময় আসবে যখন মানুষ সওম রাখবে কিন্তু সেটা হবে কেবল না খেয়ে থাকা (অর্থাৎ সওমের উদ্দেশ্যই পূরণ হবে না)।” তবে কি আজ সেই সময় উপস্থিত? বিস্তারিত জানতে বইটি পড়ুন। বইটির অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সওমের খুঁটিনাটি মাসলা-মাসায়েলের বিবরণী নয়, বরং এর মূল উদ্দেশ্য (আকিদা) কী সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। কেন বর্তমানে সমাজে সওমের শিক্ষার প্রতিফলন নেই আর কিভাবে সওমকে তার প্রকৃত অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যায়, কোরআন-হাদিস, ইসলামের প্রকৃত আকিদার আলোকে অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে তা উপস্থাপন করা হয়েছে। একজন সচেতন মুসলিমের কোনোভাবেই উচিত হবে না বইটি এড়িয়ে যাওয়া।

Islam_keno_abedon_haracche

ইসলাম কেন আবেদন হারাচ্ছে?

বিষয়বস্তু

আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, আরব, ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া ও ভারত উপমহাদেশের অনেক আলেম, তাত্ত্বিক, ইসলামী চিন্তাবিদ গত শতাব্দীর বিভিনড়ব সময়ে নিজেদের পছন্দনীয় ইসলামের উত্থান ঘটানোর জন্য বিভিনড়ব সংগঠন ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন কিন্তু সফল হন নি। এর মধ্যে কোনোটি গণতান্ত্রিক ধারার রাজনৈতিক আন্দোলন, কোনোটি চরমপন্থী। রাজনৈতিক ধারার আন্দোলনগুলো শুরুতে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করলেও বর্তমান সময়ে এসে সেগুলো একে একে মুখ থুবড়ে পড়ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাদের এই যে ব্যর্থতা এর প্রকৃত কারণ কী?