হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

system_paltai_book_cover

আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই

বিষয়বস্তু

প্রচলিত সিস্টেম আমাদের সমাজকে আজ ধ্বংসের একেবারে শেষপ্রান্তে নিয়ে গেছে। পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে আজ কোথাও শান্তি নেই। তাই এই অকার্যকরী সিস্টেমকে বাদ দিয়ে যারা প্রকৃত শান্তিময় সমাজব্যবস্থা রচনা করতে চান, তাদের জন্য এই বইটি পড়া উচিৎ।

jug_sondhikhone_amra_book_cover

যুগসন্ধিক্ষণে আমরা

বিষয়বস্তু

সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্বই মানবজাতির প্রকৃত ইতিহাস। যখন আলো আসে তখন অন্ধকার দূর হয়। যুগে যুগে মানবসমাজে সত্যের আলো জ্বালিয়েছেন মহামানবগণ। বর্তমানের এই যুগসন্ধিক্ষণে সেই সত্যের মশাল জ্বালিয়েছেন যামানার এমাম। সত্যের আলোয় মিথ্যাকে চিনে নিন।

sammobad-book-cover

শ্রেণিহীন সমাজ, সাম্যবাদ ও প্রকৃত ইসলাম

বিষয়বস্তু

সমাজতান্ত্রিকদেরকে গড়পড়তায় নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। বস্তুত তাদের অধিকাংশই ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব থেকে নিজেদের মননকে মুক্ত করতে সচেষ্ট। বর্তমানে পৃথিবীতে বিরাজিত সবগুলো ধর্মই যখন সঠিক রূপ হারিয়ে বিকৃত হয়ে ধর্মব্যবসায়ীদের পণ্যে পরিণত হয়েছে, যেগুলোকে অপব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধাবাদী গোষ্ঠী মানুষের সমাজকে পশুর সমাজে পরিণত করছে, সেই বিকৃত ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াই স্বাভাবিক। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীরা ব্যক্তিজীবনে যে অতুলনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং যে দুঃসাহসী সংগ্রামে জীবনপাত করেছেন, এটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক ছিল যে, তারা সর্বযুগে পূজনীয় থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় নি। কারণ সমাজতান্ত্রিক আদর্শ মানুষকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এককালের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র আজ ঘোর পুঁজিবাদী দেশে পরিণত হয়েছে, আর নেতারা মার্কস লেনিনের আদর্শ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে পরিণত হয়েছেন গণতান্ত্রিক পুঁজিপতি বুর্জোয়ায়।
সর্বত্যাগী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমরা হেযবুত তওহীদ বলতে চাই, আমরাও মানবতার কল্যাণে নিজেদের সকল সম্পদ, জীবন, পরিবার, পুত্র-পরিজন ত্যাগ করেছি। তবে আমাদের জীবন ধন্য যে, আমরা সঠিক প পেয়েছি যা পরীক্ষিত সত্য। তাই ঘুঁণে ধরা সমাজটিকে যারা পুনর্নির্মাণ করতে চান, সর্বপ্রকার অবিচার, অত্যাচার, ধর্মব্যবসা, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও শোষণের প্রতিবাদে যার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে ওঠে, মহাসত্যের আহ্বানে যাদের হৃদয়তন্ত্রীতে ঝংকার খেলে যায়, সেই মানবধর্মের অনুসারীদের প্রতি আমাদের আহ্বান- আসুন, পথ পাওয়া গেছে।

sammobad-book-cover

শ্রেণিহীন সমাজ, সাম্যবাদ ও প্রকৃত ইসলাম (সংক্ষেপিত)

বিষয়বস্তু

সমাজতান্ত্রিকদেরকে গড়পড়তায় নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। বস্তুত তাদের অধিকাংশই ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব থেকে নিজেদের মননকে মুক্ত করতে সচেষ্ট। বর্তমানে পৃথিবীতে বিরাজিত সবগুলো ধর্মই যখন সঠিক রূপ হারিয়ে বিকৃত হয়ে ধর্মব্যবসায়ীদের পণ্যে পরিণত হয়েছে, যেগুলোকে অপব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধাবাদী গোষ্ঠী মানুষের সমাজকে পশুর সমাজে পরিণত করছে, সেই বিকৃত ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াই স্বাভাবিক। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীরা ব্যক্তিজীবনে যে অতুলনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং যে দুঃসাহসী সংগ্রামে জীবনপাত করেছেন, এটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক ছিল যে, তারা সর্বযুগে পূজনীয় থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় নি। কারণ সমাজতান্ত্রিক আদর্শ মানুষকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এককালের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র আজ ঘোর পুঁজিবাদী দেশে পরিণত হয়েছে, আর নেতারা মার্কস লেনিনের আদর্শ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে পরিণত হয়েছেন গণতান্ত্রিক পুঁজিপতি বুর্জোয়ায়।
সর্বত্যাগী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমরা হেযবুত তওহীদ বলতে চাই, আমরাও মানবতার কল্যাণে নিজেদের সকল সম্পদ, জীবন, পরিবার, পুত্র-পরিজন ত্যাগ করেছি। তবে আমাদের জীবন ধন্য যে, আমরা সঠিক প পেয়েছি যা পরীক্ষিত সত্য। তাই ঘুঁণে ধরা সমাজটিকে যারা পুনর্নির্মাণ করতে চান, সর্বপ্রকার অবিচার, অত্যাচার, ধর্মব্যবসা, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও শোষণের প্রতিবাদে যার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে ওঠে, মহাসত্যের আহ্বানে যাদের হৃদয়তন্ত্রীতে ঝংকার খেলে যায়, সেই মানবধর্মের অনুসারীদের প্রতি আমাদের আহ্বান- আসুন, পথ পাওয়া গেছে।

akidah-book-cover

মোমেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদীর আকিদা

বিষয়বস্তু

একটি কথায় সবাই একমত হবেন যে, আকিদাবিহীন ঈমান মূল্যহীন। তাই আমাদেরকে আগে এই দ্বীনের আকিদা সম্পর্কে সম্মক ধারণা লাভ করতে হবে। মো’মেন, মুসলিম, উম্মতে মোহাম্মদীর আকিদা কী- তা জানতে হলে এই পুস্তিকাটি পড়ুন।

hedayah_taqwah_book_cover

তাকওয়া ও হেদায়াহ

বিষয়বস্তু

চৌদ্দশ’ বছর আগে মহানবী (দ.) পৃথিবীর মানুষের জন্য যে দীন, জীবনব্যবস্থা নিয়ে এসে সমস্ত জীবনের সাধনায় আরবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তাঁর নিজের হাতে গড়া জাতির উপর সেটাকে সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীময় প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব অর্পণ করে আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছিলেন, সেই দীনটি আর আজ আমরা যে দীন অনুসরণ করি এই দু’টি দীন শুধু যে একই দীন নয় তাই না, এ দুটি পরস্পরবিরোধী, বিপরীতমুখী দুটো দীন। এই দুইটি দীনের মধ্যে মিল শুধু দৃশ্যত বাইরের; ভেতরে এ দু’টি বিপরীতধর্মী। কারা এই সত্য গ্রহণ করে সেই প্রকৃত দীন তাদের জীবনে আবার প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা, ‘জেহাদ’ করবেন, কারা এ সত্য প্রত্যাখ্যান করবেন তা আমি জানি না। আমার হাতে হেদায়াতের শক্তি নেই, হেদায়াতের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর কাছে।

soumer_uddesho

সওমের উদ্দেশ্য

বিষয়বস্তু

সওম শব্দের অর্থ আত্মসংযম, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ (Self Control) করা, বিরত থাকা। রোযা তথা সওমের উদ্দেশ্য এই যে, মো’মেন ব্যক্তি সারাদিন পানাহার ও জৈবিক চাহিদা পূরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন, নিজের আত্মাকে শক্তিশালী করবেন। তিনি অপচয় করবেন না, পশুর ন্যায় উদর পূর্তি করবেন না। তিনি হবেন নিয়ন্ত্রিত, আত্মত্যাগী। বঞ্চিত, ক্ষুধার্ত, দরিদ্র মানুষের দুঃখ অনুভব করে তিনি তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেবেন। আল্লাহর হুকুম মানার ক্ষেত্রে যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবেন অর্থাৎ তিনি হবেন তাকওয়াবান। তার এই চরিত্রেরপ্র তিফলন ঘটবে সামাজিক ও জাতীয় জীবনে। গড়ে উঠবে এমন এক সমাজ যেখানে সবাই একে অপরের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে উৎসাহী হবে, বিরাজ করবে পরস্পর সহমর্মিতা, সহানুভূতি, ভ্রাতৃত্ব। প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি।
কিন্তু আজকের বাস্তবতা এই যে, বর্তমানে এই মৌলিক শিক্ষা হারিয়ে সওম বা রোযা যেন হয়ে গেছে কেবল ‘না খেয়ে থাকা’র নামান্তর। দেখা যায়, রমজান আসলেই মুসলিমদের মধ্যে হুলুস্থুল পড়ে যায়। নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে হয়ে ওঠে আকাশছোঁয়া। সংযমের মাস এলেই মুসলিমদের সংযমের সব বাঁধ যেন ভেঙে যায়। মানুষ আত্মকেন্দ্রিকতা এবং স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে ওঠতে পারে না। ক্ষুধার্ত, হতদরিদ্র মানুষের দুঃখ অন্যরা অনুভব করে না। ফলে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনেও তারা সচেষ্ট হয় না। কেবল সওয়াব ও আত্মপ্রচারের আশায় কিছু দান-খয়রাত করতে দেখা যায়। সমাজে অন্যায়-অবিচার আগের মতোই চলমান থাকে। সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়ের বোধ অর্থাৎ তাকওয়া সৃষ্টি করতে ব্যর্থ আজকের এই রোযা বা সওম।
প্রশ্ন হচ্ছে, আল্লাহ যেখানে কোরআনে বলেছেন, তাকওয়া সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই তিনি সওমকে ফরজ করেছেন (সুরা বাকারা- ১৮৩), সেখানে এই উদ্দেশ্যই যখন বাস্তবায়িত হচ্ছে না, তখন আল্লাহর কাছে আমাদের সারাদিন না খেয়ে থাকার মূল্য কতটুকু? আল্লাহর রসুল (স.) বলেছেন, “এমন এক সময় আসবে যখন মানুষ সওম রাখবে কিন্তু সেটা হবে কেবল না খেয়ে থাকা (অর্থাৎ সওমের উদ্দেশ্যই পূরণ হবে না)।” তবে কি আজ সেই সময় উপস্থিত? বিস্তারিত জানতে বইটি পড়ুন। বইটির অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সওমের খুঁটিনাটি মাসলা-মাসায়েলের বিবরণী নয়, বরং এর মূল উদ্দেশ্য (আকিদা) কী সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। কেন বর্তমানে সমাজে সওমের শিক্ষার প্রতিফলন নেই আর কিভাবে সওমকে তার প্রকৃত অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যায়, কোরআন-হাদিস, ইসলামের প্রকৃত আকিদার আলোকে অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে তা উপস্থাপন করা হয়েছে। একজন সচেতন মুসলিমের কোনোভাবেই উচিত হবে না বইটি এড়িয়ে যাওয়া।

potraboli_book_cover

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি যামানার এমামের পত্রাবলী

বিষয়বস্তু

হেযবুত তওহীদের সূচনালগ্নেই এমামুযযামান এর কয়েকটি মূল নীতি নির্দ্ধারণ করেন যার একটি হোচ্ছে, এই আন্দোলন দেশের প্রচলিত আইনবিরোধী কোন কাজ কোরবে না। এমামের এ নীতি হেযবুত তওহীদের প্রত্যেকে অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন। তাই ধর্মজীবি ও দাজ্জালের অনুসারী মিডিয়ার অপপ্রচারে প্রভাবিত হোয়ে প্রশাসন সন্দেহমূলকভাবে আজ পর্যন্ত ৩৬১ বার এই আন্দোলনের সদস্যদেরকে গ্রেফতার কোরেও তাদের আইনভঙ্গের কোন প্রমাণ পায় নি। তবু হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চোলছে, নির্যাতনও চোলছে। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে হেযবুত তওহীদ প্রশ্নে প্রশাসনের অবস্থান সঙ্গতিপূর্ণ নয়। প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে নিশ্চিন্ত কারণ তারা হেযবুত তওহীদের সম্পর্কে তদন্ত কোরে এর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জেনেছেন। কিন্তু প্রশাসনের উচ্চ ও নিু পর্যায়ের অনেকে এখনও প্রকৃত সত্য না জানার কারণে মিডিয়ার অপপ্রচার দ্বারা প্রভাবিত। প্রশাসনের মধ্যে এই দ্বিধাবিভক্তি থাকায় এবং কোন সুনির্দিষ্ট নীতি না থাকায় হেযবুত তওহীদের কর্মীরা প্রশাসন কর্তৃক নির্মম নির্যাতন ও হয়রানীর শিকার হোয়েই যাচ্ছেন, আবার আদালত থেকে নির্দোষ ঘোষিত হোচ্ছেন। এ অন্যায়ের নিরসনকল্পে মাননীয় এমামুযযামান ২০০৮ সনে গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে একটি সমঝোতায় আসার প্রস্তাব করেন। অপর এক চিঠিতে তিনি প্রমাণ উপস্থাপন করেন যে বল প্রয়োগে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ দমন করা সম্ভব নয়। তিনি এ বিষয়ে সরকারকে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এমন আরও বেশ কয়েকটি চিঠি তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন যেগুলি এ বইয়ে সংকলিত হোয়েছে।

Proposal-of-hezbut-tawheed

চলমান সঙ্কট নিরসনে হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবনা

বিষয়বস্তু

সমগ্র মানবজাতি আজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জড়িত। দুর্বরের উপর সবলের অত্যাচারে, দারিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনায় শোষণে, শাসিতের উপর শাসকের অত্যাচারে, ন্যায়ের উপর অন্যায়ের প্রতাপে আজ পৃথিবীর মানুষ অতিষ্ট। চারদিক থেকে আর্তমানবতার হাহাকার উঠছে- ‘শান্তি চাই, শান্তি চাই’। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত শান্তি মিলছে কি? হেযবুত তওহীদ বলছে, মানবতার এই চূড়ান্ত বিপর্যয়ের কারণ একটাই। তা হলো, জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে আল্লাহর হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করে ইবলিশ তথা মানুষের তৈরি জীবন ব্যবস্থাকে মেনে নেয়া।
সু সংবাদ এই যে, এই অন্যায় অশান্তি থেকে মুক্তির পথও আল্লাহ তার অশেষ করুণায় হেযবুত তওহীদকে দান করেছেন। তা হলো, আবারও পুরো মানবজাতিকে আল্লাহর দেওয়া সত্য দীনে প্রত্যাবর্তণ করতে হবে। এক আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নিয়ে জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই এই চলমান সঙ্কট থেকে মানবজাতির মুক্তি মিলবে।

adorshik-lorai

চলমান সংকট নিরসনে আদর্শিক লড়াইয়ের অপরিহার্যতা

বিষয়বস্তু

বর্তমানের বিশ্ব রাজনীতিতে ধর্ম প্রধান একটি ইস্যু (Prime Factor)। ধর্মনিরপেক্ষতা, মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানমনস্কতা, বাকস্বাধীনতা ইত্যাদি ধারণার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিন দিন চরম হয়ে উঠছে। যে সব দেশে যুদ্ধ চলছে সেখানে ধর্মবিদ্বেষই মূল ইন্ধনরূপে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশ্চাত্যে আজ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষণে ইসলামবিদ্বেষ বিস্তার করা হচ্ছে। এক মহাযুদ্ধের কালোমেঘ ঘনীভূত হয়ে উঠছে, এমন কি সেই যুদ্ধ টুইন টাওয়ার হামলার মাধ্যমে শুরু হয়ে গেছে বলাও অসংগত হবে না। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর রাজনীতিতেও ধর্ম প্রধান ইস্যু। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সবগুলো দেশেই ধর্মীয় সন্ত্রাস থাবা বিস্তার করেছে। সরকারগুলো তা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে কারণ মানুষের ধর্মবিশ্বাসের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই, সেখানে পূর্ণ আধিপত্য বিভিন্ন ধরনের ধর্মব্যবসায়ীদের।