হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

dajjal_the_judio_christian_civilization_eng_book_cover

Dajjal? The Judio-Christian ‘civilization’!

বিষয়বস্তু

Do you know the Dajjal (the anti-christ), the one-eyed giant prophecised by the messenger of allah has already been in existence for the past 473 years & has been identified? You may be amazed to know that it is completely different from what it is thought to be today. To see what it actually is – read the book ‘Dajjal? The judeo-christian civilization!’ and watch the documentary film of “Dajjal? The judeo-christian civilization!”.

hedayah_taqwah_book_cover

তাকওয়া ও হেদায়াহ

বিষয়বস্তু

চৌদ্দশ’ বছর আগে মহানবী (দ.) পৃথিবীর মানুষের জন্য যে দীন, জীবনব্যবস্থা নিয়ে এসে সমস্ত জীবনের সাধনায় আরবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তাঁর নিজের হাতে গড়া জাতির উপর সেটাকে সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীময় প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব অর্পণ করে আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছিলেন, সেই দীনটি আর আজ আমরা যে দীন অনুসরণ করি এই দু’টি দীন শুধু যে একই দীন নয় তাই না, এ দুটি পরস্পরবিরোধী, বিপরীতমুখী দুটো দীন। এই দুইটি দীনের মধ্যে মিল শুধু দৃশ্যত বাইরের; ভেতরে এ দু’টি বিপরীতধর্মী। কারা এই সত্য গ্রহণ করে সেই প্রকৃত দীন তাদের জীবনে আবার প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা, ‘জেহাদ’ করবেন, কারা এ সত্য প্রত্যাখ্যান করবেন তা আমি জানি না। আমার হাতে হেদায়াতের শক্তি নেই, হেদায়াতের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর কাছে।

sammobad-book-cover

শ্রেণিহীন সমাজ, সাম্যবাদ ও প্রকৃত ইসলাম (সংক্ষেপিত)

বিষয়বস্তু

সমাজতান্ত্রিকদেরকে গড়পড়তায় নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। বস্তুত তাদের অধিকাংশই ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব থেকে নিজেদের মননকে মুক্ত করতে সচেষ্ট। বর্তমানে পৃথিবীতে বিরাজিত সবগুলো ধর্মই যখন সঠিক রূপ হারিয়ে বিকৃত হয়ে ধর্মব্যবসায়ীদের পণ্যে পরিণত হয়েছে, যেগুলোকে অপব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধাবাদী গোষ্ঠী মানুষের সমাজকে পশুর সমাজে পরিণত করছে, সেই বিকৃত ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াই স্বাভাবিক। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীরা ব্যক্তিজীবনে যে অতুলনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং যে দুঃসাহসী সংগ্রামে জীবনপাত করেছেন, এটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক ছিল যে, তারা সর্বযুগে পূজনীয় থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় নি। কারণ সমাজতান্ত্রিক আদর্শ মানুষকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এককালের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র আজ ঘোর পুঁজিবাদী দেশে পরিণত হয়েছে, আর নেতারা মার্কস লেনিনের আদর্শ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে পরিণত হয়েছেন গণতান্ত্রিক পুঁজিপতি বুর্জোয়ায়।
সর্বত্যাগী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমরা হেযবুত তওহীদ বলতে চাই, আমরাও মানবতার কল্যাণে নিজেদের সকল সম্পদ, জীবন, পরিবার, পুত্র-পরিজন ত্যাগ করেছি। তবে আমাদের জীবন ধন্য যে, আমরা সঠিক প পেয়েছি যা পরীক্ষিত সত্য। তাই ঘুঁণে ধরা সমাজটিকে যারা পুনর্নির্মাণ করতে চান, সর্বপ্রকার অবিচার, অত্যাচার, ধর্মব্যবসা, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও শোষণের প্রতিবাদে যার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে ওঠে, মহাসত্যের আহ্বানে যাদের হৃদয়তন্ত্রীতে ঝংকার খেলে যায়, সেই মানবধর্মের অনুসারীদের প্রতি আমাদের আহ্বান- আসুন, পথ পাওয়া গেছে।

adorshik-lorai

চলমান সংকট নিরসনে আদর্শিক লড়াইয়ের অপরিহার্যতা

বিষয়বস্তু

বর্তমানের বিশ্ব রাজনীতিতে ধর্ম প্রধান একটি ইস্যু (Prime Factor)। ধর্মনিরপেক্ষতা, মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানমনস্কতা, বাকস্বাধীনতা ইত্যাদি ধারণার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিন দিন চরম হয়ে উঠছে। যে সব দেশে যুদ্ধ চলছে সেখানে ধর্মবিদ্বেষই মূল ইন্ধনরূপে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশ্চাত্যে আজ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষণে ইসলামবিদ্বেষ বিস্তার করা হচ্ছে। এক মহাযুদ্ধের কালোমেঘ ঘনীভূত হয়ে উঠছে, এমন কি সেই যুদ্ধ টুইন টাওয়ার হামলার মাধ্যমে শুরু হয়ে গেছে বলাও অসংগত হবে না। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর রাজনীতিতেও ধর্ম প্রধান ইস্যু। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সবগুলো দেশেই ধর্মীয় সন্ত্রাস থাবা বিস্তার করেছে। সরকারগুলো তা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে কারণ মানুষের ধর্মবিশ্বাসের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই, সেখানে পূর্ণ আধিপত্য বিভিন্ন ধরনের ধর্মব্যবসায়ীদের।

akidah-book-cover

মোমেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদীর আকিদা

বিষয়বস্তু

একটি কথায় সবাই একমত হবেন যে, আকিদাবিহীন ঈমান মূল্যহীন। তাই আমাদেরকে আগে এই দ্বীনের আকিদা সম্পর্কে সম্মক ধারণা লাভ করতে হবে। মো’মেন, মুসলিম, উম্মতে মোহাম্মদীর আকিদা কী- তা জানতে হলে এই পুস্তিকাটি পড়ুন।

divide-and-rule-book-cover

DIVIDE & RULE -শোষণের হাতিয়ার

বিষয়বস্তু

একতাই বল- কথাটা আমরা সকলেই জানি। একটি জাতির প্রধান শক্তিই হলো সেই জাতির সদস্যদের মধ্যে ঐক্য। কিন্তু যুগে যুগে শাসক শ্রেণি এই ঐক্যটাই নষ্ট করতে চেয়েছে। তারা চেয়েছে, একটি জাতিকে যতটা পারা যায় বিভক্ত করে দিতে হবে। জাতির মধ্যে যত বিভক্তি থাকবে ততই জাতিটি তাদের অনুগত থাকবে। তাদের শাসনযন্ত্র ততই সুদৃঢ় হবে, জাতিটিকে শোষণ করা তাদের জন্য ততই সহজ হয়ে পড়বে। তাই তো শাসকদের একটি সাধারণ নীতি হলো DIVIDE & RULE – যা তাদের শোষণের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

sammobad-book-cover

শ্রেণিহীন সমাজ, সাম্যবাদ ও প্রকৃত ইসলাম

বিষয়বস্তু

সমাজতান্ত্রিকদেরকে গড়পড়তায় নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। বস্তুত তাদের অধিকাংশই ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব থেকে নিজেদের মননকে মুক্ত করতে সচেষ্ট। বর্তমানে পৃথিবীতে বিরাজিত সবগুলো ধর্মই যখন সঠিক রূপ হারিয়ে বিকৃত হয়ে ধর্মব্যবসায়ীদের পণ্যে পরিণত হয়েছে, যেগুলোকে অপব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধাবাদী গোষ্ঠী মানুষের সমাজকে পশুর সমাজে পরিণত করছে, সেই বিকৃত ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াই স্বাভাবিক। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীরা ব্যক্তিজীবনে যে অতুলনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং যে দুঃসাহসী সংগ্রামে জীবনপাত করেছেন, এটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক ছিল যে, তারা সর্বযুগে পূজনীয় থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় নি। কারণ সমাজতান্ত্রিক আদর্শ মানুষকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এককালের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র আজ ঘোর পুঁজিবাদী দেশে পরিণত হয়েছে, আর নেতারা মার্কস লেনিনের আদর্শ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে পরিণত হয়েছেন গণতান্ত্রিক পুঁজিপতি বুর্জোয়ায়।
সর্বত্যাগী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমরা হেযবুত তওহীদ বলতে চাই, আমরাও মানবতার কল্যাণে নিজেদের সকল সম্পদ, জীবন, পরিবার, পুত্র-পরিজন ত্যাগ করেছি। তবে আমাদের জীবন ধন্য যে, আমরা সঠিক প পেয়েছি যা পরীক্ষিত সত্য। তাই ঘুঁণে ধরা সমাজটিকে যারা পুনর্নির্মাণ করতে চান, সর্বপ্রকার অবিচার, অত্যাচার, ধর্মব্যবসা, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও শোষণের প্রতিবাদে যার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে ওঠে, মহাসত্যের আহ্বানে যাদের হৃদয়তন্ত্রীতে ঝংকার খেলে যায়, সেই মানবধর্মের অনুসারীদের প্রতি আমাদের আহ্বান- আসুন, পথ পাওয়া গেছে।

eslamer_prokrito_ruprekha_book_cover

ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা

বিষয়বস্তু

ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা- এই পুস্তিকাটি মূলত যুগসন্ধিক্ষণে আমরা, ইসলামের প্রকৃত আকীদা ও ইসলামের প্রকৃত কর্মসূচি নামক তিনটি প্রবন্ধের সঙ্কলন। এতে এমামুযযামান ১৪০০ বছর আগের উম্মতে মোহাম্মদীর সঙ্গে বর্তমানের ১৫০ কোটির মো’মেন, মোসলেম দাবীদার এই জনসংখ্যার বৈপরিত্যগুলি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। তিনি কোর’আনের আলোকে প্রমাণ কোরেছেন যে, এই জনসংখ্যাটি মো’মেন, মোসলেম, উম্মতে মোহাম্মদী কিছুই নয় বরং আল্লাহর ক্রোধের ও অভিশাপের পাত্র। আল্লাহর দৃষ্টিতে এরা প্রকৃতপক্ষে মোশরেক ও কাফের। এ ছাড়াও এ বইতে উল্লেখিত হোয়েছে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ৫ দফার সেই কর্মসূচি যা আল্লাহ তাঁর রসুলকে দান কোরেছিলেন। গত ১৩০০ বছর এই কর্মসূচি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল, আবার সেটি আল্লাহ হেযবুত তওহীদের এমামকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এই কর্মসূচিটি প্রকৃতপক্ষে বহুল পঠিত একটি হাদীস। কিন্তু একে কর্মসূচি হিসাবে চিনতে না পেরে পৃথিবীর সকল ইসলামী আন্দোলন নিজেরা চিন্তা ভাবনা কোরে নিজেদের জন্য পৃথক পৃথক কর্মসূচি রচনা কোরে নিয়েছেন। ফলে তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হোচ্ছে এবং হবে। একমাত্র হেযবুত তওহীদের কর্মসূচিটিই আল্লাহর রচিত। এই কর্মসূচি মোতাবেক স্বয়ং রসুলাল্লাহ সংগ্রাম কোরে গেছেন এবং উম্মাহকে এই কর্মসূচি মোতাবেক সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য আদেশ কোরেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি বোলেছেন যারা এর থেকে আধ হাত পরিমাণও বহির্গত হবে, তাদের গলা থেকে ইসলামের বন্ধন খুলে যাবে (হাদীস-হারিস আল আশ’য়ারী থেকে আহমদ, তিরমিযী, বাব উল এমারাত, মেশকাত)।

dajjal-book-cover

দাজ্জাল? ইহুদী খ্রীস্টান সভ্যতা!

বিষয়বস্তু

১৯৯৮ সনে এমামুযযামানের আলোড়ন সৃষ্টিকারী দাজ্জাল? ইহুদী খ্রিস্টান ‘সভ্যতা’! বইটি প্রকাশিত হয়। ২০০৮ সনে এই বইটি বাংলাদেশে সর্বাধিক (Best Seller) বিক্রয়ের রেকর্ড সৃষ্টি করে, মাত্র পাঁচ মাসে প্রায় এক লক্ষ কপি বিক্রয় হয়।

দাজ্জাল ইহুদি খ্রিস্টান ‘সভ্যতা’ গ্রন্থটি দাজ্জালের উপর লেখা কোন গতানুগতিক গ্রন্থ নয়। এটি কোর’আন, হাদীস, বাইবেল ও বিজ্ঞানের আলোকে রচিত দুর্লভ তথ্য সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থ। রসুলের ভবিষ্যদ্বাণী মতে আখেরী যামানায় বিরাট ঘোড়ায় চড়ে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব হরণকারী মহাশক্তিধর একচক্ষু বিশিষ্ট দানব দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে, যার পদতলে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের করুণ পরিণতি নেমে আসবে। এমন পরাশক্তিধর দাজ্জালের পরিচিতিমূলক অসংখ্য হাদীসের রূপক বর্ণনা থেকে আল্লাহর অশেষ রহমতে হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমামুযাযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী প্রমাণ করেছেন যে, দাজ্জাল কোন রূপকথার দৈত্য নয় বরং বর্তমান বস্তুবাদী ইহুদি খ্রিস্টান যান্ত্রিক ‘সভ্যতা’ই হচ্ছে সেই দাজ্জাল, চাকচিক্যময় প্রতারক।

আল্লাহর রসুল দাজ্জালের আবির্ভাবকে আদমের সৃষ্টি থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সবচেয়ে বৃহৎ ও সংকটজনক ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন এবং এর থেকে তিনি স্বয়ং আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হোচ্ছে এই জাতির আলেম সম্প্রদায় সেই মহাগুরুত্বপূর্ণ দাজ্জালের ব্যাপারে আশ্চর্য রকম নির্বিকার। এই মহা প্রয়োজনীয় ব্যাপারটাকে বোঝার জন্য যতটুকু শ্রম তারা দিয়েছেন তার চেয়ে লক্ষ গুণ বেশি শ্রম ও সময় দিয়েছেন দাড়ি-মোছ, টুপি-পাগড়ি, পাজামা, মেসওয়াক, কুলুখ আর বিবি তালাকের মতো অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়ার বিশ্লেষণে। ফলে তাদের অজ্ঞাতেই মুসলিম উম্মাহর মহা বিপদ সংকেত বাজিয়ে ৪৭৮ বছর আগেই দাজ্জাল জন্মগ্রহণ করেছে। সে তার শৈশব, কৈশোর পার হয়ে বর্তমানে যৌবনে উপনীত হয়েছে এবং দোর্দণ্ড প্রতাপে সারা পৃথিবীকে তার পায়ের নিচে পদদলিত করে চলেছে। আজ মুসলিম বলে পরিচিত জনসংখ্যাসহ সমস্ত পৃথিবী দাজ্জাল অর্থাৎ ইহুদি খ্রিস্টান যান্ত্রিক ‘সভ্যতা’কে তার রব, প্রভু বলে মেনে নিয়ে তার পায়ে সাজদায় পড়ে আছে। পৃথিবীর এই ক্রান্তিলগ্নে হেযবুত তওহীদ দলমত নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতিকে আহ্বান করেছে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব হরণকারী এই দানবকে প্রতিহত করে আল্লাহ প্রদত্ত এক অনন্য সুযোগ গ্রহণ করে বদর ও ওহুদের দুই যুদ্ধের শহীদের সম্মিলিত সম্মান ও পুরস্কার লাভ করার জন্য। তাই মানবজাতির মুক্তির লক্ষ্যেই এই গ্রন্থখানির প্রচার ও প্রসার অপরিহার্য্য হয়ে উঠেছে। এনশাল্লাহ মহান আল্লাহ এই গ্রন্থের দ্বারা দাজ্জালের স্বরূপ উন্মোচনের মাধ্যমে পথহারা বিভ্রান্ত তেহাত্তর ফেরকায় বিভক্ত এই মুসলিম জনসংখ্যাকে দাজ্জালের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সর্বাত্মক সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার পথ দেখাবেন।

jongidab_songkot_somadhan

জঙ্গিবাদ সঙ্কট: উত্তরণের একমাত্র পথ

বিষয়বস্তু

জঙ্গিবাদ বর্তমানে মানবজাতির সর্বপ্রধান সমস্যা। এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে পৃথিবীর পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো। সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পশ্চিমা ভাবধারার গণমাধ্যমগুলো জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জনসমর্থন সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। তারা যেভাবে এ প্রচারণা চালাচ্ছে, তাতে কেবল জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নয় খোদ ইসলামের বিরুদ্ধে মানুষের মনে ঘৃণার বোধ জন্ম নিচ্ছে। এ লড়াই যতটা না সামরিক তারচেয়ে বহুগুণ বেশি সভ্যতার সংঘাত (Clash of civilizations), ইসলাম বনাম পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতা।