হিজবুত তাওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমামুযযামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর পূর্বপুরুষ হযরত খাজা বন্দে নেওয়াজ গেসু দরাজ (র.)

ভারতের কর্নাটকে অবস্থিত হযরত খাজা বন্দে নেওয়াজ গেসু দরাজ (র.) এর দরগাহ শরীফ এর গেট। এটি আদিল শাহী গেট নামে পরিচিত।
ভারতের কর্নাটকে অবস্থিত হযরত খাজা বন্দে নেওয়াজ গেসু দরাজ (র.) এর দরগাহ শরীফ এর গেট। এটি আদিল শাহী গেট নামে পরিচিত।

ইসলামের প্রকাশ ও বিকাশে পন্নী পরিবারের ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। রসুলাল্লাহর জামাতা, ইসলামের চতুর্থ খলিফা আলী (রা.) এর বংশধারা থেকে পন্নী বংশের উদ্ভব। মহামান্য এমামুযযামানের পূর্বপুরুষগণ সমগ্র পৃথিবীতে সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে উম্মতে মোহাম্মদী হিসাবে আরবভূমি থেকে বহির্গত হয়েছিলেন। ধারণা করা হয় ৬৫২ সনে রসুলাল্লাহর সাহাবি আহনাফ ইবনে কায়েস (রা.) এর নেতৃত্বে পরিচালিত খোরাসান অভিযানের সেনানী হিসাবে তাঁরা আফগানিস্তানের হিরাত অঞ্চলে আগমন করেন এবং এখানে বাস করতে থাকেন। পরবর্তীতে ইসলাম যখন ভারতবর্ষে প্রবেশ করে এ বংশেরই এক ব্যক্তি দিল্লিতে আসেন। ততদিনে আল্লাহর দেওয়া প্রকৃত ইসলামের ভারসাম্য বিনষ্ট হয়ে জাতির একটি অংশ আধ্যাত্মবাদের দিকে ঝুঁকে পড়েছে, আরেকটি অংশ ঝুঁকে পড়েছে দীনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের দিকে।
মহামান্য এমামুযযামানরে পূর্বপুরুষগণের মধ্যেও জন্ম নেন অনেক আধ্যাত্মিক সাধক, সুফি ও দরবেশ যার মধ্যে ভারতের বিখ্যাত সুফি সাধক সৈয়দ খাজা মোহাম্মদ হোসাইনী গেসুদারাজ বন্দে নেওয়াজ (র.) (জুলাই ১৩, ১৩২১- নভেম্বর ১, ১৪২২) প্রসিদ্ধ। তিনি ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেছিলেন। এ সময় তিনি কারলানী (মূল গোত্র কাকার) নামক এক পাঠান গোত্রে বিবাহ করেন। এই কারণে পরবর্তীতে তাঁর বংশধরগণ তাদের নামের শেষে কারলানি (কাররানি) ব্যবহার করতেন। কারলানী স্ত্রীর গর্ভে তাঁর একটি পুত্র জন্মগ্রহণ করে যার নাম পান্নী (উচ্চারণভেদে হান্নি)। তার বংশধরেরা নামের শেষে কাররানি বা পন্নী দুটোই ব্যবহার করতেন।
এ বংশেই জন্ম নেন তাজ খান কররানি যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে বঙ্গভূমিতে কাররানী শাসনের[Karrani dynasty (1563-1576)] পত্তন করেন।
পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় অবস্থিত গৌড়ের সর্বশেষ রাজধানী তাঁড়া (Tanda) যা প্রতিষ্ঠা করেন পন্নী বংশীয় সুলতান সোলায়মান খান কররানি (১৫৬৫)
পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় অবস্থিত গৌড়ের সর্বশেষ রাজধানী তাঁড়া (Tanda) যা প্রতিষ্ঠা করেন পন্নী বংশীয় সুলতান সোলায়মান খান কররানি (১৫৬৫)

জীবনী:
মাননীয় এমামুযযামানের পূর্বপুরুষদের মধ্যে যিনি হিরাত থেকে ভারতবর্ষে আগমন করেন তাঁরই বংশধারায় দিল্লিতে ৪ রজব, ৭২১ হিজরীতে হযরত গেসুদারাজ বন্দে নেওয়াজ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা হযরত সৈয়দ ইউসুফ কিংবা শাহ রাজু কাতাল একজন ধার্মিক ব্যক্তি ছিলেন এবং হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার প্রতি অনুরক্ত ছিলেন।
একদা দিল্লির সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক তার রাজধানী দৌলতাবাদে (দেবগিরি) স্থানান্তরিত করেন এবং সেখানে তাঁর সাথে অনেক আলেম, বিশেষজ্ঞ ও ওলি আউলিয়াগণও গমন করেন। এ সময় তাঁর পিতা-মাতাও সেখানে চলে যান। তাঁর মামা মালিক-উল-ওমর হযরত সৈয়দ ইব্রাহিম মোস্তফা যখন দৌলতাবাদের গভর্নর ছিলেন তখন তাঁর বয়স চার বছর।
পনের বছর বয়সে নাসিরুদ্দিন চেরাগ দেহলভীর কাছ থেকে শিক্ষা-দীক্ষা ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হওয়ার জন্য তিনি দিল্লি ফিরে যান। তিনি হযরত কেথলী, হযরত তাজউদ্দিন বাহাদুর এবং কাজী আব্দুল মুক্তাদিরের কাছেও খুব উৎসাহী শিক্ষার্থী ছিলেন।
তাঁর পৈতৃকসূত্রে প্রাপ্ত নাম ছিল আবুল-ফতেহ আর গেসু দরাজ ছিল তাঁর উপাধি। বিশেষজ্ঞ এবং পণ্ডিতবর্গের কাছে তিনি ছিলেন শেখ আবুল-ফতেহ সদর উদ্দিন মুহম্মদ দেহলভী। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাঁকে খাজা বন্দে নেওয়াজ গেসু দরাজ নামেই চিনতো। তিনি ভারত উপমহাদেশের চিশতী বংশানুক্রমের বিখ্যাত সুফী সাধক ছিলেন; তিনি বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সমঝোতা, সহিষ্ণুতা এবং ঐকতানের সমর্থক ছিলেন।
বাল্যকাল এবং প্রাথমিক শিক্ষা:
তাঁর বাবা সবসময় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার প্রতি খুব জোর দিতেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি ধর্মের প্রতি খুব প্রবৃত্ত ছিলেন এবং ধ্যান ও প্রার্থনায় মগ্ন থেকে সময় কাটাতেন। যখন তাঁর বয়স দশ বছর তখন তাঁর পিতা মারা যান। তাঁর মাতামহ তাঁর শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রশিক্ষণের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি তাঁকে প্রাথমিক কেতাবসমূহের শিক্ষাদান করেন; কিন্তু অন্য শিক্ষকের কাছ থেকে তিনি মেসবাহ্ ও কদুরীর জ্ঞান অর্জন করেন।
দিল্লি থাকাকালীন:
পনের বছর বয়সে তাঁর মাতামহ মৃত্যুবরণ করেন। তিনি তাঁর পিতা ও মাতামহের কাছ থেকে হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (র.) এবং হযরত নাসির উদ্দিন রোশান চেরাগ দেহলভীর (র.) সম্পর্কে অনেক কথা শুনতেন। এভাবেই তিনি তাঁদের প্রতি অনুরক্ত হন। একদিন তিনি সুলতান কুতুব উদ্দিনের জামে মসজিদে সালাহ কায়েম করতে যান। সেখানে তিনি দিল্লির বিশিষ্ট সুফী সাধক হযরত শেখ নাসির উদ্দিন চেরাগ দেহলভীকে দেখতে পান এবং ১৬ রজব তাঁর আনুগত্যে উপন্যস্ত হন। হযরত নাসির উদ্দিন চেরাগ দেহলভীর নির্দেশনায় তিনি নিজেকে প্রার্থনা ও ধ্যানমগ্ন রাখতেন। তিনি এতে এতই আনন্দ পেতেন যে পড়াশোনা করতে চাইতেন না; এমনকি তাঁর শিক্ষকদের কাছ থেকেও এর ব্যাপারে অনুমতি চাইতেন। কিন্তু হযরত নাসিরউদ্দিন তাঁকে এ ব্যাপারে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাঁকে মনোযোগ সহকারে উসুল-এ-বিজুরী, রাইসাল শামসিয়া, কাশাফ, মেসবাহ প্রভৃতি পড়ার নির্দেশনা দেন। তখন তিনি স্বনামধন্য শিক্ষকদের ছত্রছায়ায় পুনরায় পড়াশোনা আরম্ভ করেন। চেরাগ দেহলভীর (রা.) মৃত্যুর পর গেসু দরাজ তাঁর প্রতিনিধি তথা খলিফার পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৩৯৮ সনের দিকে তৈমুর লং-এর দিল্লি আক্রমণের কারণে যখন তিনি দৌলতাবাদে গমন করেন তখন তিনি চিশতী মতবাদ দক্ষিণ ভারতে নিয়ে যান।
দারাজের (র.) সময়ে গুলবর্গা ইসলামের একটি বৃহৎ চর্চাকেন্দ্রে পরিণত হয়। সে সময়ের অনেক মসজিদ, খানকাহ ও দরগাহ শরীফ এখনো কালের সাক্ষী হয়ে বিরাজ করছে।
দারাজের (র.) সময়ে গুলবর্গা ইসলামের একটি বৃহৎ চর্চাকেন্দ্রে পরিণত হয়। সে সময়ের অনেক মসজিদ, খানকাহ ও দরগাহ শরীফ এখনো কালের সাক্ষী হয়ে বিরাজ করছে।

গেসু দরাজউপাধি:
একদিন তিনি এবং অন্যান্য শিষ্যরা হযরত নাসির উদ্দিনকে (র.) পালকিতে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাঁর লম্বা চুল পালকির পায়ে আটকে যায়। এতে তিনি প্রচণ্ড ব্যথা পাচ্ছিলেন। কিন্তু গুরুর প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধার কারণে তিনি চুল ছাড়ানোর কোন রকম চেষ্টা করলেন না। হযরত নাসির উদ্দিন যখন এ বিষয়ে জানতে পারেন, তিনি খুব খুশি হন এবং এই পারস্য ভাষায় এ কবিতাটি আবৃত্তি করেন:
হর কি মুরিদ সৈয়দ গেসু দারাজ শুধ ,ওয়াল্লাহ খিলাফেনাস্ত কি য়্যু ইশ্ক বাজ শুধ
অর্থাৎ সৈয়দ গেসু দরাজ আনুগত্যের বন্ধনে আবদ্ধ; এ বন্ধনকে ভালোবেসে আপন করে নিতে সে কোনো ত্র“টি করে নি।” এভাবেই তিনি “গেসু দরাজ” অর্থ দীর্ঘ কেশগুচ্ছের অধিকারী (One with longlocks of hair) উপাধি প্রাপ্ত হন।
আফগানিস্তান বেলুচিস্তান থাকাকালীন:
সৈয়দ আফগানিস্তান ও বেলুচিস্তানেও ইসলাম প্রচার করেন। আফগানিস্তানে তিনি কাকার গোত্রের একজন পাঠান নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং চারটি পুত্র সন্তান লাভ করেন- স্তোরী (উস্তারানা), ওয়ারদাগ, হযরত সৈয়দ মাসুদ আলী শাহ (মাশওয়ানি) এবং হান্নি।
গেসু দারাজের (র.) সমসাময়িক গুলবর্গা নগরি আর দক্ষিণ ভারতের উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র। ১৪০১ সনে তিনি গুলবর্গা কেল্লায় বসবাস করতেন।
গেসু দারাজের (র.) সমসাময়িক গুলবর্গা নগরি আর দক্ষিণ ভারতের উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র। ১৪০১ সনে তিনি গুলবর্গা কেল্লায় বসবাস করতেন।

গুলবর্গায় থাকাকালীন:
দিল্লিতে ৪০ বছরের কিছু বেশি সময় বসবাসের পর তিনি প্রায় ৭৬ বছর বয়সে ডেকান এর শাসক তাজউদ্দিন ফিরোজ শাহ বাহমানীর অনুরোধে গেসু দারাজ গুলবর্গায় তথা বর্তমান কর্নাটকে বসতি স্থাপন করেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় মানুষকে বিভিন্ন ধর্মীয় উপদেশ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষা দেয়ার কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

এন্তেকাল
:
গুলবর্গায় থেকে দিল্লি, মেওয়াঠ, গোয়ালিওর, চন্দর, আরিচা, চান্দেরী, মায়ানধর, বরোদা, খমবয়াত, গুলবর্গা প্রভৃতি স্থানে শিক্ষাদানের পর ১৬ জ্বিলক্বদ, ৮২৫ হিজরী মোতাবেক ১ নভেম্বর ১৪২২ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে গুলবর্গায় দেহত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০১ বছর। সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। তাঁর সমাধিকে যিয়ারতের স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। রাজস্থানে অবস্থিত চিশতী তরিকার প্রতিষ্ঠাতা খাজা মঈনুদ্দিন চিশতীর দরগা অর্থাৎ আজমিরি শরীফ যেমন প্রসিদ্ধ তেমনি ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে হযরত গেসু দারাজের (র.) দরগাহ তেমনই প্রসিদ্ধ।
উদ্ধৃতি:
·        যদি কোন সালিক (Follower ofSufism) খ্যাতিলাভের জন্য প্রার্থনা কিংবা সুফি সাধনা করে তবে সে নাস্তিক।
·        যদি কোন সালিক শুধুমাত্র ভয়ে প্রার্থনা কিংবা ধ্যান করে তবে সে ভণ্ড ও মোনাফেক।
·        যতদিন পর্যন্ত কোন মানুষ নিজেকে যাবতীয় পার্থিব সম্পদ থেকে দূরে রাখতে পারবে ততদিন সে অসদাচরণের পথে যাবে না।
·        রাত্রিকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করে নাও: প্রথম ভাগে দরূদ ও তেলাওয়াত কর, দ্বিতীয় ভাগে নিদ্রা যাও আর তৃতীয় ভাগে সৃষ্টিকর্তাকে ডাক এবং ধ্যানমগ্ন হও।
·        একজন সাধককে সতর্ক থাকা উচিৎ তাঁর খাবার যেন হালাল হয়।
·        একজন সাধককে দুনিয়াবী লোকের সঙ্গ থেকে দূরে থাকা উচিত।

ধর্মীয়
সাহিত্যকর্ম:
বন্দে নেওয়াজ আরবী, পার্সি ও উর্দু ভাষাতে প্রায় ১৯৫টি বই রচনা করেন। তাঁর প্রধান সাহিত্যিক রচনা ‘তাফসীর মুলতাকাত’ সম্প্রতি একটি বইয়ে সংকলিত করা হয়েছে। উর্দু ভাষার দক্ষিণ ভারতীয় শাখা, দখনীতে তিনি মানুষের জন্য দিক-নির্দেশনা হিসেবে মহানবী (স.) এর উপর একটি বই রচনা করেন যেটির শিরোনাম ছিল- ‘মিরাজ-আল-আশেকিন’। সুফি সাধকদের মধ্যে তিনিই প্রথম স্থানীয় ভাষায় পুস্তক রচনা করেন যেটা পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে দক্ষিণ ভারতের বহু সুফী সাধক দ্বারা বিস্তার লাভ করেছিল। তিনি স্পেপেনের সুফি সাধক ইবনে আরাবী এবং ইরানি সুফি দার্শনিক সোহরাওয়ার্দীর লেখাসমূহ নিয়ে বহু গবেষণামূলক প্রবন্ধ রচনা করেন যেগুলো ঐ বিশেষজ্ঞদের গ্রন্থাবলীকে ভারতীয় পণ্ডিতদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল এবং সুফিবাদের চিন্তাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল। অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ক্বাসীদা আমালান্দ আদাব-আল-মুরিদীন।

তাঁর
রচিত কয়েকটি বইয়ের নাম:
·        তাফসীল-এ-কুর’আনে-মাজিদ
·        মুলতাক্বীত
·        হাভশী কাশাফ
·        শাইরা-এ-মাশরেক্
·        শাইরা ফিকাহ-এ-আক্ববার
·        শাইরা আদাব-উল-মুরিদীন
·        শাইরা তা-আরুফ
·        রিসালা সিরাত-উল-নবী
·        তারজুমা মাশরেক
·        মা-আরিফ
·        তারজুমা আওয়ারিফ
·        শারাহ ফাসুসুল হুকুম
·        তারজুমা রিসালা ক্বেরিয়া
·        হাওয়া আসাহি ক্বুওয়াত-উল-ক্বাল্ব
উরশের সময়ে এভাবেই বিভিন্ন ধর্মের লাখো ভক্ত আজো গুলবর্গায় খাজা বন্দে নেওয়াজের মাজারে একত্রিত হন
উরশের সময়ে এভাবেই বিভিন্ন ধর্মের লাখো ভক্ত আজো গুলবর্গায় খাজা বন্দে নেওয়াজের মাজারে একত্রিত হন

উরশ:
আজও প্রতি বছর ইসলামিক ক্যালেণ্ডারের ১৫-১৭ জ্বিলক্বদ গুলবর্গায় অবস্থিত সুবিখ্যাত বন্দে নেওয়াজ দরগাহতে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালনের জন্য জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ একত্রিত হয়। সকল ধর্ম, সকল বিশ্বাস নির্বিশেষে দূরদূরান্ত থেকে কয়েক শত সহস্র ভক্ত আজও আশীর্বাদের আশায় একত্রিত হয়।
১. হযরত খাজা বন্দে নেওয়াজ গেসু দরাজ (র.): https://en.wikipedia.org/wiki/Bande_Nawaz
২. কররানি শাসনামল : http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80_%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8
৩. হজরত নাসিরুদ্দিন চেরাগ দেহলভী (র.) : https://en.wikipedia.org/wiki/Nasiruddin_Chiragh_Dehlavi
৪. কাকার গোত্র: https://en.wikipedia.org/wiki/Kakar
৫. সুলতান তাজউদ্দিন বাহমানী : https://en.wikipedia.org/wiki/History_of_the_Bahmani_Sultanate#Taj_ud-Din_Firuz_Shah_.28_Firoz_Shah_Bahmani_.29.28Nov_16.2C_1397_-_Sep_22.2C_1422_AD.29
৬. গুলবর্গা: https://en.wikipedia.org/wiki/Gulbarga
৭. খাজা বন্দে নেওয়াজ গেসু দারাজ (র.) এর দরগাহ শরীফ: https://www.youtube.com/watch?v=wbwBqTgBAPw
৮. উরশ শরীফ: https://www.youtube.com/watch?v=fFa7gducFiI

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ