কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ‘এক জাতি এক দেশ, আলোচনা সভা

(বাম থেকে )প্যানেল মেয়র ও কুুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারন-অর রশিদ, দৈনিক দেশেরপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী, পৌর মেয়র ও কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামসুজ্জামন অরুন ও দৈনিক দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ-উর রহমান।
(বাম থেকে )প্যানেল মেয়র ও কুুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারন-অর রশিদ, দৈনিক দেশেরপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী, পৌর মেয়র ও কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামসুজ্জামন অরুন ও দৈনিক দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ-উর রহমান।

 

বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ১৬ কোটি মানুষ এক হলে এবং এক সুরে কথা বললে বাঙালি জাতি পৃথিবীর অপরাপর দেশের তুলনায় শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর লজ্জাজনক পরাজয়বরণ করতে বাধ্য হয়েছিল। বহু রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলার একমাত্র পথ হলো নিজেদেরকে আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত করা। এ লড়াই মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে বড় লড়াই। এ লড়াইয়ের জন্যও জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে দৈনিক দেশেরপত্র বাংলাদেশের সর্বত্র বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী পৌর মিলানায়তনে ‘এক জাতি এক দেশ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশেরপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নীর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. সামসুজ্জামান অরুণ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ্ উর রহমান, প্যানেল মেয়র ও কুমারখালী থানা আ’লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুন-অর রশিদ, দেশেরপত্রের সহ-সম্পাদক মাহবুব আলী, কুষ্টিয়া অঞ্চল ব্যুরো প্রধান রানা সিদ্দিক, সার্কুলেশন ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। সভায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এই মুহূর্তে সকল প্রকার ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে দেশেরপত্রের গৃহীত কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সামসুজ্জামান অরুণ বলেন, ‘আজ ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মের নামে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে দেশকে একটি চরম ক্রান্তিলগ্নে এনে দাঁড় করিয়েছে। তাই এখন সময় এসেছে এসকল লেবাসধারী ধর্মব্যবসায়ী বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। দেশেরপত্র যে কাজ করছে সে কাজ এদেশের প্রতিটি সচেতন এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকের।’ তিনি মানবতার কল্যাণে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে দেশেরপত্রের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ্ উর রহমান বলেন, ‘দৈনিক দেশেরপত্র ১৬ কোটি বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এই অনুপ্রেরণা লাভ করেছি ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের পন্নী পরিবারে সন্তান এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মাদ বায়াজীদ খান পন্নীর মাধ্যমে। আমরা তাঁর কাছ থেকে শিক্ষা প্রাপ্ত হয়ে, তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করতে জীবনের সর্বস্ব কোরবান করেছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা দেশেরপত্রের একার পক্ষে অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ কাজ। এত বড় কাজের জন্য সকল দেশপ্রেমিক জনতার সহযোগিতা প্রয়োজন। কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ কোরে ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের পক্ষে পরিচালিত করে কিভাবে ধর্মব্যবসায়ীদের মোকাবেলা করা যায় এবং ধর্মের নামে অপ-রাজনীতি বন্ধ করা যায় সেই উপায় দেশেরপত্রের কাছে, যামানার এমামের অনুসারীদের কাছে আছে।’ তিনি এ ব্যাপারে সমাজের সর্বস্তরের জনতার পাশাপাশি সরকারকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্যানেল মেয়র হারুন-অর রশিদ বলেন, ‘আজ দেশেরপত্র যে কাজটি করছে এই কাজটি তাদের একার কাজ নয়, এটা আমাদেরও কাজ। দেশেরপত্র কর্তৃপক্ষ তাদের লেখনির মাধ্যমে ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করছে। ফলে সাধারণ জনগণ সচেতন হবে ও উজ্জিবিত হবে । একসময় পুরো জাতি এ স্বার্থান্বেষী ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে।’
কমিশনার এস এম রফিক বলেন, ‘যারা ধর্মকে পুঁজি করে স্বার্থ হাছিলের মাধ্যমে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে অপমান করছে তাদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করার জন্য এখনই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উপযুক্ত সময়। আমরা সবাই যে যার স্থান থেকে দেশেরপত্রের এই কার্যক্রমের সাথে এক মত পোষণ করে সহযোগিতা করতে অঙ্গীরাবদ্ধ।’ দেশেরপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রফায়দাহ পন্নী বলেন, ‘দেশেরপত্রের স্লোগানের মধ্যেই এর কার্যক্রমের পরিচিতি নিহিত রয়েছে। দেশেরপত্র যে সত্য প্রচার করে যাচ্ছে তা প্রতিষ্ঠিত হলে সারা পৃথিবীতে শান্তি নেমে আসবে। বর্তমানে এক শ্রেণির ধর্মব্যবসায়ী মোল্লা ইসলামকে কুক্ষিগত করে নিয়েছে। দেশেরপত্র সাধারণ জনগণকে সেই সকল ধর্মব্যবসায়ীদের কালো থাবা থেকে উদ্ধার করার পবিত্র দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে।’ আলোচনা সভায় উপস্থিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মুহুর্মুহু করতালীর মাধ্যমে অতিথিদের বক্তব্যকে স্বাগত জানান এবং দেশেরপত্রের কার্যক্রমের পক্ষে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে দেশেরপত্রের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইলদ্রীম মিডিয়া প্রযোজিত ‘এক জাতি এক দেশ, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ এবং ‘ধর্মব্যবসা এবং ধর্ম নিয়ে অপ-রাজনীতির ইতিবৃত্ত’ শীর্ষক দু’টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আনুষ্ঠানে আগত বক্তাগণ

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী পৌর মেয়র ও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামসুজ্জামন অরুন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী পৌর মেয়র ও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামসুজ্জামন অরুন।

বক্তব্য রাখছেন দেশেরপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী
বক্তব্য রাখছেন দেশেরপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী

 

 
 
 

অনুষ্ঠান সঞ্চালন

 

অনুষ্ঠানস্থলের ছবি

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ছিল।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ছিল।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের রেজিষ্ট্রেশন

অনুষ্ঠানে আগত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ

 
 
 
 
 
 
 
 
 

অনুষ্ঠানে আগত মিডিয়াকর্মীবৃন্দ

 
 
 
 
 
 
 
 

সেচ্ছাসেবকবৃন্দ

 
 
 
 
 
 
 
 

সঙ্গীত পরিবেশন

 
 
 
 
 
 
 
 

প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শণী

 
 
 
 
 
 
 
 

অথিতিদের বক্তব্যের ভিডিও

 

লেখাটি শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনের সাথে

Share on email
Email
Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on skype
Skype
Share on whatsapp
WhatsApp
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ