আদর্শ, বাস্তবতা ও মানবাধিকার
উত্তরায় সাংবাদিকদের নিয়ে হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত
“বিশেষ গোষ্ঠী’র বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ” ঢাকার উত্তরায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক করেছে অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদ। বৃহস্পতিবার (১৪-০৫-২০২৬) সকালে উত্তরায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে “মানবাধিকার ও বাক স্বাধীনতা নিশ্চিতে আমাদের প্রস্তাবনা” শীর্ষক এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এসময় মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণে বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো মানুষের মানবাধিকার ও বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই বর্থ ব্যবস্থার পরিবর্তন না হলে শুধুমাত্র ব্যক্তি বা দলের পরিবর্তনের মাধ্যমে কখনো মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। তিনি সামগ্রিক জীবনে মানবরচিত বিধানের পরিবর্তে আল্লাহপ্রদত্ত জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। একই সাথে উগ্র মতাদর্শের সমালোচনা করে বলেন, লেবাসধারী কিছু মানুষের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে ইসলামের বদনাম হচ্ছে। ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে গুজব ও মব সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করা হচ্ছে। এ ধরনের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে ইসলাম কখনো সমর্থন করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় একটি বিশেষ লেবাসধারী গোষ্ঠী হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে এসময় অভিযোগ করেন এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। এসময় তিনি সংগঠনের কর্মীদের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং এ ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার মাহবুব আলম মাহফুজ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান, রুফায়দাহ পন্নী ও এস এম সামসুল হুদা, ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান সুমন, উত্তরা প্রেসক্লাব-এর সভাপতি আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহ সভাপতি মো. রিপন মিয়া, দৈনিক যুগান্তর-এর আরিফ হোসাইন চৌধুরী, মানবকণ্ঠ-এর স্বপন রানা, যায় যায় দিন-এর জাহিদ হাসান, খোলা কাগজ-এর মাহফুজুল আলম খোকন, গণকণ্ঠ-এর নিজাম উদ্দিন, ভোরের পাতা-এর আব্দুল্লাহ আল নোমান, চ্যানেল এস-এর মামুনুর রশীদ রানা, এশিয়ান টেলিভিশন-এর ফরিদ আহমেদ নয়ন প্রমুখ।
মব সৃষ্টি করে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
মব সৃষ্টি করে জাতীয় দৈনিক দেশেরপত্র পত্রিকা বিক্রয়কালে দুইজন বিক্রয় প্রতিনিধিকে পথরোধ করে হেনস্তা এবং জনসম্মুখে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ঔদ্ধত ঐ যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানায় পত্রিকাটির স্থানীয় সার্কুলেশন ম্যানেজার মনিরুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুর আড়াইটার দিকে মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন মেডিকেল মোড় এলাকায় রেজাউল করিম বসুনিয়া ও মনির হোসেন নামের দুইজন বিক্রয় প্রতিনিধি পত্রিকা বিক্রয় করছিলেন। এ সময় হাফেজ মো. মোছাদ্দেক নামের এক যুবক বেআইনিভাবে তাদের কাজে বাধা দেন। পরে তিনি পত্রিকার সংবাদের নামে মিথ্যা কুৎসা রটিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন এবং বিক্রয় প্রতিনিধি দুজনকে জনসম্মুখে হেনস্তা করেন। এসময় ওই যুবক প্রকাশ্যে হুমকি দেন, ভবিষ্যতে যেখানে পত্রিকার বিক্রয় প্রতিনিধিদের পাওয়া যাবে, সেখানেই তাদের মারধর করা হবে। একপর্যায়ে তিনি তাদের কাছ থেকে পত্রিকা ছিনিয়ে নিয়ে জনসম্মুখে ছিঁড়ে ফেলেন এবং আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার সহায়তায় পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী দুই বিক্রয় প্রতিনিধিকে উদ্ধার করে। বাদী মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, “আমাদের দুইজন বিক্রয় প্রতিনিধিকে জনসম্মুখে হেনস্তা করা হয়েছে। তাদের হাত থেকে পত্রিকা ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে জাতীয় দৈনিক হিসেবে পত্রিকার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। পাশাপাশি বিক্রয় প্রতিনিধিদের মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা চাই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।” অভিযোগের বিষয়ে কথা হলে বর্তমানে থানায় দায়িত্বে থাকা ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, পত্রিকা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ওই এলাকায় দায়িত্বে থাকা একজন তদন্ত কর্মকর্তাকে দেখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যেই এ ঘটনার তদন্ত অগ্রগতির আপডেট পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি। এ ব্যাপারে স্থানীয় রিপোর্টাস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আমিরুল ইসলাম জনসম্মুখে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার তদন্তপূর্বক দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। এছাড়াও বাংলাদেশ সাংবাদিক জোটের পক্ষ থেকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এসএম সামসুল হুদাসহ সাংবাদিক মহলের পক্ষ থেকে পত্রিকার পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। তারা উক্ত ঘটনার অতিসত্ত্বর তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানান। এস এম সামসুল হুদা বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। মিডিয়ার সাথে এমন ঔদ্ধতপূর্ণ আচরণ কাম্য নয়। মবের কালচারকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। বিগত সরকারের আমলে মব সন্ত্রাসের ব্যাপারে প্রশাসনের শিথিল আচরণ জাতিকে হতাশ করেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মব সন্ত্রাসের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানের অঙ্গীকার করেছে, আমরা এর প্রতিফলন দেখতে চাই। সরকারকে মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।
রাজধানীর হাজারীবাগে হেযবুত তওহীদ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় হেযবুত তওহীদের সদস্যদের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে সংগঠনটির রমনা জোনের সভাপতিসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাজারীবাগের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় তিনজনের মাথা ফেটে গেছে এবং একজনের কানের পর্দা ফেটে গেছে বলে জানা গেছে। তারা স্থানীয়দের সাথে নিয়ে দোকানটিতে হেবযুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম এর বক্তব্য শুনছিলেন বলে জানা গেছে। হামলায় আহতরা হলেন হেযবুত তওহীদের রমনা জোনের সভাপতি মো. এরশাদ শিকদার, সহ-সভাপতি মো. ফারুক হাসান, সদস্য ফজলে রাব্বী, নিজাম উদ্দিন, আল-আমিন, সেন্টু ইসলাম ও শাহাজান আলী। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে হাজারীবাগের একটি চায়ের দোকানে স্থানীয় লোকজনসহ হেযবুত তওহীদের কয়েকজন সদস্য সংগঠনের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের ভিডিও বক্তব্য শুনছিলেন। এ সময় স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের বাধা দেয় এবং প্রচার বন্ধ করতে বলে। হামলাকারীরা হেযবুত তওহীদকে ‘ইসলামবিরোধী’, ‘নাস্তিক’ ও ‘ইহুদিদের দালাল’ আখ্যায়িত করে উপস্থিত জনতাকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে এবং পরিকল্পিতভাবে একটি ‘মব’ সৃষ্টির পাঁয়তারা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখে সংঘাত এড়াতে হেযবুত তওহীদের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য প্রচার বন্ধ করে স্থান ত্যাগ করতে শুরু করেন। কিন্তু তারা ফিরে আসার সময় পেছন থেকে ৩০-৪০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তিন সদস্যের মাথা ফেটে যায় এবং অন্যরা গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। হামলার শিকার সদস্য নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের মাননীয় ইমামের বক্তব্য শোনাচ্ছিলাম। হঠাৎ ১৫-২০ জন লোক এসে আমাদের ইহুদি-খ্রিস্টানদের দালাল ও ইসলামবিরোধী বলে গালিগালাজ শুরু করে। আমরা বিশৃঙ্খলা এড়াতে সাথে সাথে প্রোগ্রাম বন্ধ করে মালামাল গুছিয়ে চলে আসছিলাম। কিন্তু তারা পেছন থেকে আক্রমণ করে আমাকে কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমাদের দায়িত্বশীল ভাই ঘটনাস্থলে এলে তার কোনো কথা না শুনেই আমাদের ইট ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। আমার শরীরে চারটি সেলাই লেগেছে, তিন ভাইয়ের মাথা ফেটে গেছে এবং এক ভাইয়ের কানের পর্দা ফেটে গেছে। ডাক্তাররা তার শ্রবণশক্তি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আরেক ভুক্তভোগী ফারুক হাসান অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। যারা দেশকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলে, তারাই আজ আমাদের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে। আমাদের অপরাধ শুধু আমরা মানুষের মাঝে সত্য প্রচার করছিলাম। তারা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে আমাদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। আহত রমনা জোনের সভাপতি মো. এরশাদ শিকদার বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, হামলাকারীরা ফোন করে আরও লোকজন জড়ো করছে। তারা প্রচার করছিল যে হেযবুত তওহীদ নিষিদ্ধ সংগঠন এবং আমরা খ্রিস্টানদের দালাল। এভাবে উসকানিমূলক কথা বলে মানুষকে উত্তেজিত করে আমাদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। তবে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাজারীবাগ থানা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আকতার উল আলম সোহেল বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হেযবুত তওহীদের ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
যাঁর অনুপ্রেরণায় আমরা উজ্জীবিত...
যাঁর অনুপ্রেরণায় আমরা উজ্জীবিত...
যিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে হারিয়ে যাওয়া ইসলামের পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহর সাহায্যে হেযবুত তওহীদ প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনি মহামান্য এমামুযযামান, The Leader of the Time, জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। এবং হেযবুত তওহীদ এর বর্তমান এমাম মাননীয় এমাম হোসেন মোহাম্মদ সেলিম।
জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী
অরাজনৈতিক সংগঠন 'হেযবুত তওহীদ'-এর প্রতিষ্ঠাতা এমামুযযামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী—যিনি প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা প্রচার করেন—তিনি এই পরিবারেরই সন্তান।
জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হোসেন মোহাম্মদ সেলিম বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব; তিনি অরাজনৈতিক আন্দোলন ‘হেযবুত তওহীদের ইমাম হিসেবে সুপরিচিত। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় প্রোথিত অবিচারের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন অবস্থান তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি ও স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
এক নজরে হেযবুত তওহীদ
এক নজরে হেযবুত তওহীদ
হেযবুত তওহীদ সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংস্কারমূলক আন্দোলন যার মূল কাজই হলো মানবজাতিকে ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করা এবং মানবজাতির অশান্তির মূল কারণ দাজ্জালের অনুসরণ না করে সমগ্র পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তার সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা.
পুরো মানবজাতিকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে অর্থাৎ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করাই হেযবুত তওহীদের মূল লক্ষ্য। মানবজীবনে সঠিক পথ, হেদায়াহ (Right Direction) ও সত্য জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে সমস্ত মানবজাতি অন্যায় ও অবিচার থেকে মুক্তি পাবে। পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হবে অনাবিল শান্তি। সেই শান্তিময় পৃথিবী প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছে হেযবুত তওহীদের সদস্য-সদস্যারা।
কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে হেযবুত তওহীদের দিনব্যাপী কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের চলমান বিভিন্ন সংকট...
সর্বশেষ সংবাদ ও প্রেস রিলিজ
সর্বশেষ সংবাদ ও প্রেস রিলিজ
সভা সমাবেশ
রাজধানীতে হেযবুত তওহীদ ওলামা ফোরামের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল
হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অপপ্রচার, মিথ্যা ফতোয়া, প্রকাশ্য হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন ও প্...
সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি
হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও উসকানির প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মি...
জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি ইমাম সেলিমের হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে একশ্রেণির উগ্রবাদীদের গুজব, মিথ্যাচার, অপপ্রচার,...
অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি
কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে হেযবুত তওহীদের দিনব্যাপী কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার...
হেযবুত তওহীদের সংগ্রামের ৩০ বছর
হেযবুত তওহীদ একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংস্কারমূলক আন্দোলন। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো জেলাতেই আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তৃত। ধর্মব্যবসা, ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতি, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আদর্শিক প্রচারণা চালিয়ে আমরা দেশব্যাপী সুপরিচিতি লাভ করতে পেরেছি।
১,০০০+
জনসভা
১০,০০০+
সেমিনার
১,০০,০০০+
পথসভা
৫০০+
ওয়াজ মাহফিল
গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার ও বক্তব্যসমূহ
গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার ও বক্তব্যসমূহ
বাংলাদেশ ও মুসলমানদের বিপদ বুঝতে এই বক্তব্যই যথেষ্ট! || ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম || হিজবুত তাওহীদ
তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে যে বার্তা দিলেন ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম || হেযবুত তওহীদ
হেযবুত তওহীদকে যারা বন্ধ করতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে বার্তা || ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম
সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম
আমাদের প্রকাশনাসমূহ
আমাদের প্রকাশনাসমূহ
হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই
পাল্টে দিতে পারে আপনার জীবন!
বেস্টসেলার
আল্লাহর মো’জেজা: হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা
সম্পাদনা: মোহাম্মদ রিয়াদুল হাসান
আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিন
আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিন
আন্দোলনের নীতি, সমাজ সংস্কারমূলক কার্যক্রম বা আমাদের প্রচারণা সম্পর্কে আপনার মূল্যবান উপদেশ ও গঠনমূলক পরামর্শ আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি কেন্দ্রীয় দপ্তরে আপনার মতামত জানাতে পাশের ফরমটি পূরণ করুন।
সুরক্ষিত ও গোপনীয়
আপনার প্রেরিত সকল পরামর্শ ও তথ্য আমাদের কাছে সম্পূর্ণ নিরাপদ।শুভাকাঙ্ক্ষীদের বক্তব্য
আল্লাহর তওহীদ ভিত্তিক সত্যদীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যোগ দিন
সমাজ থেকে অন্যায়-অশান্তি দূর করে ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহর তওহীদভিত্তিক জীবনব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আপনিও শরীক হোন। উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও সকল অবিচারের বিরুদ্ধে এবং মানবতার কল্যাণে হেযবুত তওহীদের সহযাত্রী হোন।