হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

allahr_mojeja_book_cover

আল্লাহর মো’জেজা: হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা

বিষয়বস্তু

হেযবুত তওহীদের এমাম মানবজাতির সামনে ইসলামের যে রূপটি তুলে ধোরছেন সেটাই যে শেষ নবীর উপরে নাযেল করা আল্লাহর প্রকৃত ইসলাম তা নিশ্চিতভাবে সত্যায়ন করার জন্য আল্লাহ ২০০৮ সনের ২ ফ্রেব্র“য়ারী নিজে এক বিরাট মো’জেজা সংগঠন করেন, যার সাক্ষী হেযবুত তওহীদের ৩১৮ জন সদস্য সদস্যা। এ মোজেজার মাধ্যমে আল্লাহ জানিয়ে দেন যে, হেযবুত তওহীদ সত্য, এর এমামও হক এবং হেযবুত তওহীদ দিয়েই সারা দুনিয়াতে আল্লাহর সত্যদীন কায়েম হবে অর্থাৎ দাজ্জাল ধ্বংস হবে এনশা’আল্লাহ। সেদিন আল্লাহ যে মো’জেজাগুলি ঘটান সে সম্পর্কে এ বইতে সচিত্র তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপিত হোয়েছে। বইটি পাঠে আরও জানা যাবে, মোজেজা ও কেরামতের পার্থক্য কি, কোর’আন কিভাবে ১৯ সংখ্যার বন্ধনে আবদ্ধ এবং একই রকম সংখ্যার মোজেজা আল্লাহ আবার কি রূপে এমামের ভাষণের সময় ঘটালেন ইত্যাদি।

islam_nam_thakbe_book_cover

ইসলাম শুধু নাম থাকবে

বিষয়বস্তু

রসুলাল্লাহ বোলেছেন, এমন সময় আসবে যখন- ইসলাম শুধু নাম থাকবে, কোর’আন শুধু অক্ষর থাকবে, মসজিদসমূহ হবে জাঁকজমক পূর্ণ ও লোকে লোকারণ্য কিন্তু সেখানে হেদায়াহ থাকবে না, আলেমরা হবে আসমানের নিচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব। রসুলের এই হাদীসটি আজ বাস্তব হলো কিভাবে জানতে পারবেন এই বইটিতে।

e-jatir-paye-book-cover

এ জাতির পায়ে লুটিয়ে পড়বে বিশ্ব

বিষয়বস্তু

মোসলেম জাতি আজ অবহেলিত, অনগ্রসর, দরিদ্র এবং কুসংস্করাচ্ছন্ন। কিন্তু এক পরশপাথরের ছোঁয়ায় এই জাতিটি শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অধিষ্টিত হোয়েছিল। আবারও সেই পরশ পাথরের আগমণ ঘোটেছে এবং অচিরেই এই অবহেলিত জাতির পায়ে বিশ্বকে লুটিয়ে পোড়তেই হবে। কিভাবে? জানতে চাইলে আজই বইটি সংগ্রহ করুন।

sufibad_book_cover

বর্তমানের বিকৃত সুফিবাদ

বিষয়বস্তু

ইসলাম সহজ, সরল ও ভারসাম্যযুক্ত এক জীবনব্যবস্থা। দেহ-আত্মা, শরিয়াহ-মারেফতের এক অনন্য ভারসাম্যপূর্ণ জীবন বিধান। কিন্তু সুফিাবাদের বিকৃতির কারণে এই ভারসম্য আজ সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বইটি সংগ্রহ করুন।

book_bagh_bon_bonduk

বাঘ-বন-বন্দুক

বিষয়বস্তু

ইংরেজিতে অসংখ্য শিকার কাহিনী রচিত হলেও বাংলাদেশে শিকারের সত্য ঘটনা নিয়ে লেখা সম্ভবত এটিই প্রথম বই। ১৯৬৪ সালের গোড়ার দিকে ‘মুক্তধারা’ থেকে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। সে সময় বইটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে আদৃত হয়। তৎকালীন শিক্ষাবোর্ড বইটিকে দশম শ্রেণির সহপাঠ হিসেবে মনোনীত করে। শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনির চৌধুরী, সৈয়দ আব্দুল মান্নান, অধ্যাপিকা আনোয়ারা খাতুনসহ আরো অনেক বরেণ্য লেখক, ব্যক্তিবর্গ ও পত্র-পত্রিকা বইটি সম্পর্কে তাদের সপ্রশংস অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়া পকিস্তান বেতার থেকেও বইটির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
বাঘ-বন-বন্দুক বইটিতে লেখক তাঁর নিজ প্রজন্মের এমন একটি অপ্রকাশিত দিক উন্মোচন করেছেন, যে দিকটি নব প্রজন্মের পাঠকদের কাছে নতুন এবং একেবারে অনাস্বাদিত। অর্ধশতাব্দি আগেও বাংলাদেশের অনেক এলাকা জুড়ে ব্যাপ্ত ছিল গভীর বনভূমি। অনেক শখের শিকারীই তখন এসব বনে চিতা বাঘ, হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বন্য মহিষ, শুকর ইত্যাদি বন্যপ্রাণী শিকার করতেন। হিংস্র পশুর সথে জীবন বাজি রেখে ভয়কে জয় করার মধ্যে যারা আনন্দ খুঁজে পান যৌবনে তাদেরই একজন ছিলেন লেখক। নগরায়ণের হিংস্র থাবার শিকার সেই ভয়ঙ্কর বন আজ ইতিহাসের পাতায় আশ্রয় খুঁজছে। এখন নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সুবিশাল অরণ্যের কথা কেবল অবিশ্বাস্যই নয়, কল্পনাতীত।
বিপজ্জনক শিকার পন্নী বংশের একটি বৈশিষ্ট্য; তাই ছোট বেলা থেকেই লেখক বন-জঙ্গলে শিকার করে বেড়িয়েছেন। এ বইয়ের পাতায় পাতায় রয়েছে লেখকের সেইসব দুঃসাহসিক অভিযানের সত্য বর্ণনা। শিকারের উপকরণ ও আয়োজন, অরণ্যের সৌন্দর্য ও রহস্য, জন্তুর ভাষা ও আচরণ, বন্দুকের ব্যবহার ও প্রকরণ, শিকারীর শিড়্গা ও সাধনা প্রতিটি বিষয়ে লেখক এ বইয়ে আকর্ষণীয় তথ্য পরিবেশন করেছেন। শিকার কাহিনীর শিহরণমূলক আবেদনকে ড়্গুণ্ণ না করেও তিনি বাঘ, বন, বন্দুক ও মানুষ সম্পর্কে অনেক কৌতুহলোদ্দীপক সত্য উদ্ঘাটন করেছেন। পাশাপাশি শিকারীদের সম্পর্কে মানুষের মনে প্রতিষ্ঠিত থাকা কিছু ভুল ধারণার অসারতাও তিনি প্রমাণ করেছেন। আশা করা যায় অর্ধশতাব্দীর ব্যবধানে এবং সম্পূর্ণ পরিবির্তিত সময়ে এ বইটির পুনরাবির্ভাব পাঠকবর্গকে রোমঞ্চিত করবে।

dan-book-cover

দান: ইসলামের অর্থনীতির চালিকাশক্তি

বিষয়বস্তু

ইসলাম হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। জীবনের ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক- সকল বিষয়েই মহান আল্লাহ মানুষকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। অর্থনীতি একটি জীবন ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক। সেই অর্থনীতি সম্বন্ধেও আল্লাহ দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। তা হলো- ইসলামের অর্থনীতির ভিত্তি হলো সম্পদের দ্রুত থেকে দ্রুততর আবর্তন অর্থাৎ পুঁজিবাদের ঠিক উল্টো। যেখানে থাকবে না কোনো বৈষম্য, পুঁজিবাদ। কেউ টাকার পাহাড় গড়বে আর কেউ ঠিকমতো তিনবেলা খেতেই পারবে না- এমন অর্থনৈতিক পরিবেশ আল্লাহর অভিপ্রায় নয়। তাইতো তিনি দান-কে গুরুত্ব দিয়েছেন। দান হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক সামঞ্জস্য নিশ্চিত হয়। সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বিদ্যমান রাখার অন্যতম মাধ্যম হলো দান। এ বিষয়েই এই পুস্তিকাটি রচিত।

sutrapur-jonosova-book

সূত্রাপুরে হেযবুত তওহীদের এমামের ভাষণ

বিষয়বস্তু

এক সময়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান, তথ্য-প্রযুক্তি, সম্পদ-সমৃদ্ধিতে, মানবিকতা, সভ্যতায় সবার উপরে অবস্থানকারী এই মুসলিম জাতি আজ সীমাহীন দুর্দশা, নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। মুসলিম নামধারী এ জনসংখ্যাটি এখন অন্যান্য জাতিগুলোর হাতে কার্যত পরাজিত ও লাঞ্ছিত। কিন্তু এর কারণ কী? এ থেকে উত্তরণের উপায়ই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে রাজধানীর সূত্রাপুরে এক জনসভায় হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের দেওয়ার ভাষণে। সেই ভাষণটিরই সম্পাদিত রূপ এই বই।