নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জঙ্গিবাদবিরোধী জনসভা

নিজ জন্মস্থান নোয়াখালির সোনাইমুড়ি থেকে আরো ৭টি পরিবারের সাথে সপরিবারে বের করে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ধর্মব্যবসায়ী, ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতিকারী, দাঙ্গা সৃষ্টিকারী একটি শ্রেণি সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে সত্যকে স্বীকৃতি দানকারী এই পরিবারগুলোকে খ্রিস্টান অপবাদ দিয়ে বিতাড়িত করে তাদের জন্মস্থান থেকে, জ্বালিয়ে ভস্ম করে দেয় তাদের বসতভিটা।

সেই সোনাইমুড়িতে আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬) তিনি প্রত্যাবর্তন করেছেন বিজয়ীর বেশে। হাজার হাজার জনতা তাঁকে বরণ করে নিয়েছে। বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা মুগ্ধচিত্তে তাঁর বক্তব্য শুনেছেন তারা। আর ওয়াদা করেছেন, সমাজের যাবতীয় মিথ্যা, অন্যায়, অবিচার, ধর্মের নামে বিরাজিত অধর্ম, ধর্মব্যবসা, অপরাজনীতির বিরুদ্ধে হিজবুত তাওহীদের সংগ্রামে সাথী হওয়ার।
এক যুগেরও বেশি সময় পর আপনজনদের কাছে পেয়ে আবেগে আপলুত হয়েছেন তিনি। ক্ষমা করেছেন সেই সরল-মনা মানুষগুলোকে যারা ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচনায় তাঁকে ভিটেছাড়া করেছিল। আমার হদয়ে এখনও বাজছে তার সেই প্রেমমাখা কথাগুলো, “এটা প্রতিশোধের সময় নয়, এটা হিংসার সময় নয়, এটা একে অপরকে ভালোবেসে সমাজকে সুন্দর করে গড়ে তোলার সময়।”
কিন্তু যারা ষড়যন্ত্রকারী, যারা আজও মিথ্যার চাদরে সত্যকে আবৃত করে রাখার সর্বপ্রকার চেষ্টা করে যাচ্ছে, তাদেরও স্মরণে রাখা উচিত এক যোদ্ধার কণ্ঠে উচ্চারিত বজ্রধ্বনি, “হে ষড়যন্ত্রকারীরা, হে জালেমরা, মনে রেখ, তোমাদের ধ্বংস অনিবার্য। সত্য যখন আসে তখন মিথ্যার ধ্বংস অনিবার্য হয়ে পড়ে।”

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ