ফেনী, সদর থানার জিডি- ১১৪৬

সারকথা
ফেনী, সদর থানার জিডি- ১১৪৬, তারিখ- ২৭/১২/২০১০ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।
সন্দিগ্ধ আসামী ১. মোসাঃ মাজেদা আক্তার (১৯) ও
২. মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নি (২০)

প্রকৃত ঘটনাঃ এ যামানার এমামের অনুসারীনী মোসাঃ মাজেদা আক্তার (১৯) ও মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নি (২০)-দ্বয় ফেনী শহরস্থ মহিপাল চৌধুরীপাড়া এলাকায় বসবাসকারী বাড়ি মালিকদের অনুমতি স্বাপেক্ষে প্রকাশ্যে বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে সর্ব সাধারণের মাঝে দাজ্জালের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশসহ প্রকৃত এসলাম প্রচার করার সময় স্থানীয় লেবাসধারী এক মোল্লা নিষিদ্ধ সংগঠনের  জঙ্গি মহিলা সদস্যারা এলাকায় এসলামের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষসহ এলাকার নিরীহ মহিলদের জিহাদে উদ্বুদ্ধ করছে বলে থানায় তথ্য দিলে ডিউটি অফিসারের নির্দেশে জেলা শহরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টহল পুলিশ উক্ত এলাকা হতে হেযবুত তওহীদ সদস্যাদ্বয়কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদসহ হেযবুত তওহীদ আন্দোলন ও প্রকাশনাসমূহের বৈধতা সম্পর্কীত কাগজাদি দেখে অবৈধ কিছু না পেয়েও আটককৃতদের সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে আদালতে সোপর্দ করে।

পুলিশ ফরোয়ার্ডি-এর বক্তব্যঃ …….. বেতার যোগে সংবাদ পাই যে, ফেনী শহরের মহিপার চৌধুরীবাড়ী এলাকায় আসামীগন বিভ্রান্তিমূলক ধর্মীয় কথাবার্তা বলিয়া লিফলেট বিতরণ করিয়া ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করিতেছে এবং স্থানীয় লোকজন তাদেরকে কোন নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য সন্দেহে আটক করিয়া রাখিয়াছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া স্থানীয় জনতা বেষ্টিত উক্ত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা হেযবুত তওহীদের সক্রিয় সদস্য বলিয়া জানায়। উপরোক্ত আসামীগণ ধর্মীয় বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করিয়া জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করিতে থাকায় এবং তাহারা যে কোন ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বর্ণিত এলাকায় ঘুরাফেরা করিতেছে মর্মে সন্দেহ হওয়ায় তাহাদেরকে আপাতত কাঃবিঃ ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইল।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ তদন্তকালে জানা যায়, উক্ত আসামীগণ সকলেই হিযবুত তওহীদের সক্রীয় কর্মী। তারা হিযবুত তওহীদের লিফলেট বিতরণ ও পক্ষে প্রচার করিতেছিল। হিযবুত তওহীদ কোন নিষিদ্ধ সংগঠন নয় এবং আসামীদের সাথে থাকা দাজ্জাল নামীয় বই ও সিডি বর্তমানে নিষিদ্ধ নয় বলিয়া জানা যায়। আসামীদের স্বভাব চরিত্র ভালো বলিয়া জানা যায় এবং কোন অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না বলিয়া জানা যায়।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ০৬/০১/২০১১ ইং।

লেখাটি শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনের সাথে

Share on email
Email
Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on skype
Skype
Share on whatsapp
WhatsApp
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ